ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিঠামইনে ছোট ভাইয়ের জানাজায় রাষ্ট্রপতি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ রবিবার কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের কামালপুরের পৈত্রিক বাড়িতে ছোট ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল হাইয়ের নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, আসরের নামাজের পর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার বসতবাড়ি প্রাঙ্গণে ছোট ভাই আবদুল হাইয়ের দ্বিতীয় জানাজায় অংশ নেন। সেখানে রাষ্ট্রপতির পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও জানাজায় অংশ নেন। ওই জানাজায় ইমামতি করেন রাষ্ট্রপতির ছোট ছেলে রিয়াদ আহমেদ।

জানাজা শেষে পিপিই পরিহিত আবদুল হামিদ তার ছোট ভাই আবদুল হাইয়ের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। জানাজা শেষে আবদুল হাইকে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হয়।

পরে আব্দুল হাইয়ের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি।

রবিবার দুপুরে আবদুল হাইয়ের প্রথম জানাজা কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

জানাজার আগে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাইয়ের কফিনে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সম্মান (গার্ড অব অনার) জানানো হয়।

দুপুরে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকা থেকে আবদুল হাইয়ের মরদেহ মিঠামইনে নিয়ে যাওয়া হয়। কলেজ প্রাঙ্গণে জানাজার আগে সেখানে আবদুল হাইয়ের জীবন ও কাজ নিয়ে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা বক্তব্য দেন।

করোনা আক্রান্ত আবদুল হাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গত ১৭ জুলাই শুক্রবার রাত সোয়া ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মেরুদণ্ড সোজা রেখে’ সব দেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় সরকার: শামা ওবায়েদ

মিঠামইনে ছোট ভাইয়ের জানাজায় রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ১১:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ রবিবার কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের কামালপুরের পৈত্রিক বাড়িতে ছোট ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল হাইয়ের নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, আসরের নামাজের পর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার বসতবাড়ি প্রাঙ্গণে ছোট ভাই আবদুল হাইয়ের দ্বিতীয় জানাজায় অংশ নেন। সেখানে রাষ্ট্রপতির পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও জানাজায় অংশ নেন। ওই জানাজায় ইমামতি করেন রাষ্ট্রপতির ছোট ছেলে রিয়াদ আহমেদ।

জানাজা শেষে পিপিই পরিহিত আবদুল হামিদ তার ছোট ভাই আবদুল হাইয়ের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। জানাজা শেষে আবদুল হাইকে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হয়।

পরে আব্দুল হাইয়ের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি।

রবিবার দুপুরে আবদুল হাইয়ের প্রথম জানাজা কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হক সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

জানাজার আগে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাইয়ের কফিনে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় সম্মান (গার্ড অব অনার) জানানো হয়।

দুপুরে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকা থেকে আবদুল হাইয়ের মরদেহ মিঠামইনে নিয়ে যাওয়া হয়। কলেজ প্রাঙ্গণে জানাজার আগে সেখানে আবদুল হাইয়ের জীবন ও কাজ নিয়ে বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক। এছাড়া স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা বক্তব্য দেন।

করোনা আক্রান্ত আবদুল হাই ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গত ১৭ জুলাই শুক্রবার রাত সোয়া ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।