ঢাকা ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ধর্ষক রাম রহিমের ফাঁসি চেয়ে রাস্তায় সাধুরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের দায়ে দোষী ভারতের স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক গুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের ফাঁসি চেয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের বেনারসের সাধুরা। স্থানীয় সময় সোমবার রাম রহিমকে ভণ্ড দাবি করে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় নামেন ওই সাধুরা। এ সময় তাঁরা রাম রহিমের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেন। ধুনি বাবা নামের এক সাধু বলেন, একজন প্রকৃত সাধু জাগতিক সুখ ও বিলাসী জীবন ত্যাগ করে সাধারণভাবে বেঁচে থাকে। কিন্তু রাম রহিমের অর্থ ও ক্ষমতার প্রতি লোভ ছিল।

গতকালই রাম রহিমকে দুটি ধর্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁকে ১০ বছর করে মোট ২০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইর বিশেষ আদালতের বিচারপতি জগদীপ সিং। তবে রায় প্রকাশের পর ডেরা সাচা সৌদার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিবিআইর বিশেষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হবে।

২০০২ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ি এবং পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যের প্রধান বিচারপতিদ্বয়ের কাছে বেনামি চিঠিটি লেখেন হরিয়ানার সিরসা শহরের ‘গুরু’ রাম রহিমের ডেরার (আস্তানা) এক নারী। সেখানে আনা হয় রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ। তুলে ধরা হয় ডেরার ভেতরে বিভিন্ন অনাচারের কথা।

বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পার হওয়ার পর শুক্রবার দেওয়া রায়ে প্রমাণিত হয় সেই চিঠিতে লেখা অনেক অভিযোগ। ভারতের বিশেষ আদালত রাম রহিম সিংকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ৩৭৬ (ধর্ষণ) ও ৫০৬ (সন্ত্রাসী হুমকি) ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। এই ধারাবলে তাঁর সর্বনিম্ন সাত ও সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ হওয়ার কথা ছিল।

এদিকে শুক্রবার রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করার পর থেকে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সহিংসতায় নিহত হয় কমপক্ষে ৩৮ জন। আহত হন ২০০ জনের বেশি মানুষ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ধর্ষক রাম রহিমের ফাঁসি চেয়ে রাস্তায় সাধুরা

আপডেট সময় ০৭:০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুই নারী ভক্তকে ধর্ষণের দায়ে দোষী ভারতের স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক গুরু গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের ফাঁসি চেয়ে রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন ভারতের উত্তর প্রদেশ রাজ্যের বেনারসের সাধুরা। স্থানীয় সময় সোমবার রাম রহিমকে ভণ্ড দাবি করে প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তায় নামেন ওই সাধুরা। এ সময় তাঁরা রাম রহিমের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেন। ধুনি বাবা নামের এক সাধু বলেন, একজন প্রকৃত সাধু জাগতিক সুখ ও বিলাসী জীবন ত্যাগ করে সাধারণভাবে বেঁচে থাকে। কিন্তু রাম রহিমের অর্থ ও ক্ষমতার প্রতি লোভ ছিল।

গতকালই রাম রহিমকে দুটি ধর্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁকে ১০ বছর করে মোট ২০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইর বিশেষ আদালতের বিচারপতি জগদীপ সিং। তবে রায় প্রকাশের পর ডেরা সাচা সৌদার পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিবিআইর বিশেষ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হবে।

২০০২ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ি এবং পাঞ্জাব ও হরিয়ানা রাজ্যের প্রধান বিচারপতিদ্বয়ের কাছে বেনামি চিঠিটি লেখেন হরিয়ানার সিরসা শহরের ‘গুরু’ রাম রহিমের ডেরার (আস্তানা) এক নারী। সেখানে আনা হয় রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ। তুলে ধরা হয় ডেরার ভেতরে বিভিন্ন অনাচারের কথা।

বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পার হওয়ার পর শুক্রবার দেওয়া রায়ে প্রমাণিত হয় সেই চিঠিতে লেখা অনেক অভিযোগ। ভারতের বিশেষ আদালত রাম রহিম সিংকে দোষী সাব্যস্ত করেন। ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ৩৭৬ (ধর্ষণ) ও ৫০৬ (সন্ত্রাসী হুমকি) ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। এই ধারাবলে তাঁর সর্বনিম্ন সাত ও সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ হওয়ার কথা ছিল।

এদিকে শুক্রবার রাম রহিমকে দোষী সাব্যস্ত করার পর থেকে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সহিংসতায় নিহত হয় কমপক্ষে ৩৮ জন। আহত হন ২০০ জনের বেশি মানুষ।