অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
দেশের তৈরি পোশাকের বাণিজ্য বিস্তৃতি পরিকল্পনায় সিয়েরা লিওন নতুন এক সম্ভাবনাময় দেশ হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সিয়েরা লিওন চীনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি নিট পণ্য আমদানি করার ইচ্ছা পোষণ করেছে । বাংলাদেশে সফররত সিয়েরা লিওনের চার সদস্য বিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বিকেএমইএ নেতাদের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের প্রধান কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ আগ্রহের কথা জানান তারা। বিকেএমইএ নেতাদের মতে, বাংলাদেশ ও সিয়েরা লিওনের মধ্যকার বাণিজ্য হার কম হলেও বর্তমানে দুপক্ষ থেকেই ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০০২ সালে সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে সম্মানমূলক অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। তাছাড়া শান্তি মিশনের সফলতার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নামে সেই দেশে একটি রাস্তার নামকরণও করা হয়েছে।
সিয়েরা লিওনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী পরিচালক মোরলাই বাংগুরা বলেন, বাংলাদেশের নিট খাতের সম্প্রসারণশীল বাণিজ্য বিস্তৃতির পরিকল্পনায় সিয়েরা লিওন নতুন এক সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে পরিলক্ষিত হবে। বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন নৌবন্দর ব্যবস্থাপনার সুবিধা, কারখানায় অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে উৎপাদন ব্যবস্থা বাস্তবায়নের কথা বিবেচনায় নিয়ে সিয়েরা লিওন চীনের বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি নিট পণ্য আমদানি করার ইচ্ছা পোষণ করেন। একইসঙ্গে সিয়েরা লিওনের অনারারি কনসোল জেনারেল ওনু জায়গিরদার বাংলাদেশের নিট শিল্পখাতকে আরো সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এবং শিল্প স্থাপনের জন্য আগ্রহী করে তুলতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও প্রয়োজনীয় জায়গা বরাদ্দের নিশ্চয়তা প্রদান করেন।
সভায় বিকেএমইএ সহসভাপতি (অর্থ) জি এম ফারুক ও পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, সিয়েরা লিওনের প্রতিনিধিদলের মধ্যে আবদুল কামারা, ডিরেক্টর প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, মিনিস্ট্রি অফ ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, ওনু জায়গিরদার, অনারারি কনসোল জেনারেল, এস্থার জনসন, হেড অব ফিন্যান্সিয়াল সেক্টর ডেভেলপমেন্ট ইউনিট (সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ সিয়েরা লিওন) প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন
উল্লেখ, সিয়েরা লিওনে নিট পোশাক রপ্তানির জন্য প্রায় ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বাজার বিদ্যমান রয়েছে। এক্ষেত্রে শুল্ক কাঠামো রয়েছে প্রায় ২৪.১২ শতাংশ। বাংলাদেশ থেকে ব্যবসায়ীদের জন্য ভিসা প্রদানের ব্যবস্থা করা, ব্যাংকিং সুবিধা নিয়মিতকরণ ও শিথিলকরণের জন্য আলোচনা, বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন ইত্যাদি স্বল্প মেয়াদে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য উদারীকরণ হবে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 





















