ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কোভিড-১৯ মহামারির এমন কঠিন সময়ে বাংলাদেশে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও চাকরি হারানোর ঝুঁকি মোকাবেলায় ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

রবিবার শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ঋণচুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশ সকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি মার্সি টেম্বন সই করেন।

‘সেকেন্ড প্রোগ্রামেটিক জবস ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট’ কর্মসূচির আওতায় ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

সংকটের বিষয়ে সরকারের জন্য আর্থিক ক্ষেত্র তৈরি করবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীলতা তৈরিতে সহায়তা করবে। শ্রমিকরা যাতে ভবিষ্যতে বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে না পড়েন সেই বিষয়ে অবদান রাখবে।

জানা গেছে, এই অর্থায়নটি বাংলাদেশ, নারী, যুবক এবং অভিবাসী শ্রমিকসহ নাগরিকদের জন্য বৃহত্তর কর্মসংস্থান তৈরিতে সহায়তা করবে। তিনটি কর্মসূচি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, শ্রম সুরক্ষা গড়ে তুলবে। বিশ্বব্যাংকের বিশাল অর্থায়নে দারিদ্র্য জনগোষ্ঠীকে বিশেষ সংকটের সময়ে উন্নততর চাকরিতে অ্যাক্সেস দিতে সহায়তা করে।

এর আওতায় সরকার পর্যাপ্ত ও মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিন বছরে ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রদানে সম্মত হয়েছে বিশ্বব্যাংক। চলতি অর্থবছরে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সই হলো। জানা গেছে, এই অর্থ আগামী অর্থবছরে (২০২০-২০২১) ছাড় দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে চলতি অর্থবছরেরই দেয়া হচ্ছে এই ঋণ।

বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) তহবিল থেকে এই ঋণ পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য। এঋণের অপরিশোধিত অর্থের ওপর শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ এবং ১ দশমিক ২৫

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সই

আপডেট সময় ১১:২১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কোভিড-১৯ মহামারির এমন কঠিন সময়ে বাংলাদেশে মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও চাকরি হারানোর ঝুঁকি মোকাবেলায় ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

রবিবার শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে ঋণচুক্তি সই হয়েছে। বাংলাদেশ সকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি মার্সি টেম্বন সই করেন।

‘সেকেন্ড প্রোগ্রামেটিক জবস ডেভেলপমেন্ট পলিসি ক্রেডিট’ কর্মসূচির আওতায় ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

সংকটের বিষয়ে সরকারের জন্য আর্থিক ক্ষেত্র তৈরি করবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং স্থিতিশীলতা তৈরিতে সহায়তা করবে। শ্রমিকরা যাতে ভবিষ্যতে বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে না পড়েন সেই বিষয়ে অবদান রাখবে।

জানা গেছে, এই অর্থায়নটি বাংলাদেশ, নারী, যুবক এবং অভিবাসী শ্রমিকসহ নাগরিকদের জন্য বৃহত্তর কর্মসংস্থান তৈরিতে সহায়তা করবে। তিনটি কর্মসূচি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, শ্রম সুরক্ষা গড়ে তুলবে। বিশ্বব্যাংকের বিশাল অর্থায়নে দারিদ্র্য জনগোষ্ঠীকে বিশেষ সংকটের সময়ে উন্নততর চাকরিতে অ্যাক্সেস দিতে সহায়তা করে।

এর আওতায় সরকার পর্যাপ্ত ও মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ ও পরিবেশ তৈরি করবে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিন বছরে ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রদানে সম্মত হয়েছে বিশ্বব্যাংক। চলতি অর্থবছরে ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সই হলো। জানা গেছে, এই অর্থ আগামী অর্থবছরে (২০২০-২০২১) ছাড় দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে চলতি অর্থবছরেরই দেয়া হচ্ছে এই ঋণ।

বিশ্বব্যাংকের অঙ্গভুক্ত প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) তহবিল থেকে এই ঋণ পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য। এঋণের অপরিশোধিত অর্থের ওপর শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ এবং ১ দশমিক ২৫