ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ সাংবাদিকের কাজ তথ্য দেওয়া, অ্যাক্টিভিস্ট হওয়া নয়: তথ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর নওগাঁর ছাত্রাবাসে মিললো কলেজ শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ জুলাই অভ্যুত্থানে পেশাজীবীদের সক্রিয় ভুমিকা ছিল: দুদু ইসলামী আন্দোলনকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করা হয়েছিলো: গাজী আতাউর রহমান পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সিদ্ধান্ত বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে: রিজভী সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত: প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২ সব বাধা অতিক্রম করে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

করোনাকালে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসলে সমাধান করবে ডিপিডিসি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার সময়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়মিত বিলের চেয়ে খুব বেশি আসলে এবং অস্বাভাবিক বিল মনে হলে তা পরীক্ষা করে সমাধান করার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালকপ্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এ তথ্য জানিয়েছে।

সম্প্রতি বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল ও অতিরিক্ত রিডিং নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার অধিবাসীদের অনেকেই বলছেন অতিরিক্ত বিলের কথা। এ বিষয়ে এর আগেই দু:খ প্রকাশ ও সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান। এরপরও নানা সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ায় আবারো সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন ‘করোনার এই পরিস্থিতিতে সবাই যখন নিরাপদে থাকতে ঘরবন্দি অবস্থায় রয়েছে সেই সময়টাতে সবার ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে ডিপিডিসির প্রতিটি কর্মী সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এরপরও কিছু গ্রাহকের কাছ থেকে আমরা অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিলের অভিযোগ পেয়েছি। আর এর মধ্যেই ঘোষণা দিয়েছি সেটি সমন্বয় করার।’

কেন এই অবস্থার তৈরি হলো সেটিরও একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। বিকাশ দেওয়ান বলেন, ‘প্রথমে যখন নারায়ণগঞ্জ এলাকা লকডাউন করা হলো তখন সেখানে ঢুকে বিল করা সম্ভব ছিল না। সারা দেশের করোনা পরিস্থিতির চেয়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই এলাকাতেই ডিপিডিসি সেবা দিচ্ছে। আমরা একদিকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কিন্তু ডাক্তার নার্সদের মতোই সেবা খাতের ফ্রন্ট লাইন ফাইটার। অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। লকডাউনের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় কিছু বিলে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার চেক করে বিল সমন্বয়ের নির্দেশ প্রদান করেছি।’

ডিপিডিসির অনেক গ্রাহকই এ নিয়ে ভোগান্তি বা হয়রানির শিকার হন। এ অভিযোগ প্রসঙ্গে বিকাশ দেওয়ান বলেন, ‘গ্রাহকরাই আমাদের মূল চালিকাশক্তি। তাদের সেবা দিতেই আমরা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছি। কাজেই আমরা কোনোমতেই চাইবো না কোনো গ্রাহক হয়রানির শিকার হন। এরপরও সুনির্দিষ্ট কারো বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ও প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এর আগেই জানানো হয়েছে যদি কোন গ্রাহক মনে করেন যে তার বিদ্যুৎ বিল খুব বেশি হয়েছে তাহলে অবশ্যই ডিপিডিসি’র কল সেন্টার (১৬১১৬) বা সংশ্লিষ্ট এনওসিএস দপ্তরে অভিযোগ করলে তা সমাধান করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

করোনাকালে বিদ্যুৎ বিল বেশি আসলে সমাধান করবে ডিপিডিসি

আপডেট সময় ০৬:০৮:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

করোনার সময়ে বিদ্যুৎ বিল নিয়মিত বিলের চেয়ে খুব বেশি আসলে এবং অস্বাভাবিক বিল মনে হলে তা পরীক্ষা করে সমাধান করার ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালকপ্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এ তথ্য জানিয়েছে।

সম্প্রতি বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিল ও অতিরিক্ত রিডিং নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও গণমাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার অধিবাসীদের অনেকেই বলছেন অতিরিক্ত বিলের কথা। এ বিষয়ে এর আগেই দু:খ প্রকাশ ও সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান। এরপরও নানা সমালোচনা ছড়িয়ে পড়ায় আবারো সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে প্রকৌশলী বিকাশ দেওয়ান বলেন ‘করোনার এই পরিস্থিতিতে সবাই যখন নিরাপদে থাকতে ঘরবন্দি অবস্থায় রয়েছে সেই সময়টাতে সবার ঘরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে ডিপিডিসির প্রতিটি কর্মী সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এরপরও কিছু গ্রাহকের কাছ থেকে আমরা অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিলের অভিযোগ পেয়েছি। আর এর মধ্যেই ঘোষণা দিয়েছি সেটি সমন্বয় করার।’

কেন এই অবস্থার তৈরি হলো সেটিরও একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। বিকাশ দেওয়ান বলেন, ‘প্রথমে যখন নারায়ণগঞ্জ এলাকা লকডাউন করা হলো তখন সেখানে ঢুকে বিল করা সম্ভব ছিল না। সারা দেশের করোনা পরিস্থিতির চেয়ে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই এলাকাতেই ডিপিডিসি সেবা দিচ্ছে। আমরা একদিকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কিন্তু ডাক্তার নার্সদের মতোই সেবা খাতের ফ্রন্ট লাইন ফাইটার। অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। লকডাউনের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকায় কিছু বিলে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার চেক করে বিল সমন্বয়ের নির্দেশ প্রদান করেছি।’

ডিপিডিসির অনেক গ্রাহকই এ নিয়ে ভোগান্তি বা হয়রানির শিকার হন। এ অভিযোগ প্রসঙ্গে বিকাশ দেওয়ান বলেন, ‘গ্রাহকরাই আমাদের মূল চালিকাশক্তি। তাদের সেবা দিতেই আমরা দিন রাত কাজ করে যাচ্ছি। কাজেই আমরা কোনোমতেই চাইবো না কোনো গ্রাহক হয়রানির শিকার হন। এরপরও সুনির্দিষ্ট কারো বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ও প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এর আগেই জানানো হয়েছে যদি কোন গ্রাহক মনে করেন যে তার বিদ্যুৎ বিল খুব বেশি হয়েছে তাহলে অবশ্যই ডিপিডিসি’র কল সেন্টার (১৬১১৬) বা সংশ্লিষ্ট এনওসিএস দপ্তরে অভিযোগ করলে তা সমাধান করা হবে।