ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কৃষকের প্রণোদনার অর্থ মোবাইল অ্যাকাউন্টে দেয়ার নির্দেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা মহামারীর কারণে কৃষক ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের ঘোষিত প্রণোদনা তাদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল ওয়ালেটভিত্তিক বা অ্যাপসভিত্তিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা চালুরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের এমডি ও চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলার জন্য সরকার এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকার বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই অংক দেশের জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ৩ দশমিক ০৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত ৬৬টি সার্কুলার জারি করা হয়েছে এই প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন নিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে- রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-প্রতিষ্ঠান (এসএমই) খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা, রফতানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) জন্য ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট রিফাইন্যান্স স্কিমের আওতায় ৫ হাজার কোটি টাকা এবং উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানার জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ সুবিধা বা চলতি মূলধন ঋণের আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

কৃষি খাতে ভর্তুকি বাবদ ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহের লক্ষ্যে ৫ হাজার কোটি টাকার পনুঃঅর্থায়ন স্কিম ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল, বাণিজ্যিক ব্যাংকের স্থগিত সুদের ভর্তুকির জন্য ২ হাজার কোটি টাকা এবং নিম্ন আয়ের পেশাজীবি, কৃষক ও ক্ষুদ্র/প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের জন্য ৩ বছর মেয়াদি ৩ হাজার কোটি টাকার আবর্তনশীল পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কৃষকের প্রণোদনার অর্থ মোবাইল অ্যাকাউন্টে দেয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় ০৯:১১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা মহামারীর কারণে কৃষক ও প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের ঘোষিত প্রণোদনা তাদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল ওয়ালেটভিত্তিক বা অ্যাপসভিত্তিক ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা চালুরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে মঙ্গলবার এ বিষয়ে একটি চিঠি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের এমডি ও চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলার জন্য সরকার এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩ হাজার ১১৭ কোটি টাকার বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই অংক দেশের জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ৩ দশমিক ০৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত ৬৬টি সার্কুলার জারি করা হয়েছে এই প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন নিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে- রফতানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-প্রতিষ্ঠান (এসএমই) খাতে ২০ হাজার কোটি টাকা, রফতানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) জন্য ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট রিফাইন্যান্স স্কিমের আওতায় ৫ হাজার কোটি টাকা এবং উৎপাদনমুখী শিল্প কারখানার জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ সুবিধা বা চলতি মূলধন ঋণের আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।

কৃষি খাতে ভর্তুকি বাবদ ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহের লক্ষ্যে ৫ হাজার কোটি টাকার পনুঃঅর্থায়ন স্কিম ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক ও পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল, বাণিজ্যিক ব্যাংকের স্থগিত সুদের ভর্তুকির জন্য ২ হাজার কোটি টাকা এবং নিম্ন আয়ের পেশাজীবি, কৃষক ও ক্ষুদ্র/প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের জন্য ৩ বছর মেয়াদি ৩ হাজার কোটি টাকার আবর্তনশীল পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।