ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন: আ স ম রব ‘ক্ষমতা সীমিত’ হওয়ায় অনেক কাজ করা সম্ভব হয়নি: সাবেক উপদেষ্টা পাকিস্তানের অনুরোধেই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি: ট্রাম্প হাম ও উপসর্গে মৃত্যু:পরিস্থিতির অবনতি হলে হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওমানে গাড়ির ভেতর চার ভাইয়ের মৃত্যু কার্বন মনোক্সাইডে, ধারণা পুলিশের রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল সংবিধান সংশোধন: প্রতিশ্রুতি ছাড়া কমিটিতে থাকতে চায় না জামায়াত পশ্চিমবঙ্গে জোট নয়; ‘একলা লড়াই’র ডাক রাহুল গান্ধীর বিশেষায়িত ইউনিটে জনবল বৃদ্ধি চায় পুলিশ

বন্ধই থাকছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের কারণে সব সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডার গার্টেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৩ জুন) মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডার গার্টেন বন্ধ থাকবে। এ সময়ে নিজেদের এবং অন্যদের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে।

এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ করবেন। বর্ণিত সময়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক তাদের নিজ নিজ শিক্ষার্থীরা যাতে বাসস্থানে অবস্থান করে নিজ নিজ পাঠ্যবই অধ্যয়ন করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের মাধ্যমে নিশ্চিত করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সময়ে সময়ে জারি করা নির্দেশনা ও অনুশাসন মেনে চলতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাধারণ ছুটি শেষে ৩১ মে থেকে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

গত ১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস শুধু প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে (যথা:ভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ইত্যাদি) সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। তবে অসুস্থ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, সন্তানসম্ভবা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সে অর্থে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস আলাদাভাবে নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি বা প্রশাসনিক তেমন কাজ নেই। ফলে বন্ধই থাকছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন: আ স ম রব

বন্ধই থাকছে প্রাথমিক বিদ্যালয়

আপডেট সময় ০৮:০৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাসের কারণে সব সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডার গার্টেন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৩ জুন) মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডার গার্টেন বন্ধ থাকবে। এ সময়ে নিজেদের এবং অন্যদের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে।

এতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ করবেন। বর্ণিত সময়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক তাদের নিজ নিজ শিক্ষার্থীরা যাতে বাসস্থানে অবস্থান করে নিজ নিজ পাঠ্যবই অধ্যয়ন করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের মাধ্যমে নিশ্চিত করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সময়ে সময়ে জারি করা নির্দেশনা ও অনুশাসন মেনে চলতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাধারণ ছুটি শেষে ৩১ মে থেকে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

গত ১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস শুধু প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে (যথা:ভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ইত্যাদি) সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। তবে অসুস্থ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, সন্তানসম্ভবা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সে অর্থে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস আলাদাভাবে নেই। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি বা প্রশাসনিক তেমন কাজ নেই। ফলে বন্ধই থাকছে প্রাথমিক বিদ্যালয়।