ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সুদের বোঝা কমাতে সরকারের ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে গ্রাহকদের নেওয়া ঋণের সুদের বোঝা কমাতে সরকার দুই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ১৯ তম বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ।

রবিবার সকালে গণভবন থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সে বক্তৃতাকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেহেতু দুই মাসে সুদ স্থগিত করা ছিল। এখানে সুদের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি দিবে। যা আনুমানিকহারে ঋণগ্রহীতাদের আর পরিশোধ করতে হবে না।’

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশকালে এই বক্তৃতা করছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন সবই বন্ধ ছিলো। এখন আমরা আস্তে আস্তে সবকিছু উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। অনেকই ব্যাংক থেকে লোন নিয়েছেন। যেহেতু তাদের ব্যবসা চালাতে পারেনি সেখানে ঋণভারে যাতে জর্জরিত না হয়। তার জন্য আমরা বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা এক লাখ কোটি (এক লাখ এক হাজার ১১৭ কোটি টাকা) টাকার ওপরে বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি যেটা আমাদের জিডিপির ৩ দশমিক ৬ ভাগ। এত প্রণোদনা পৃথিবীর অন্যকোনো দেশ দিয়েছে কি না আমরা জানি না।’

ইতিপূর্বে সরকার ১৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে বসে আমরা আরেকটা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। সেটা হলো যেহেতু দুই মাসে সুদ স্থগিত করা ছিল। এখানে সুদের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি দিবে। যা আনুমানিকহারে ঋণগ্রহীতাদের আর পরিশোধ করতে হবে না। তাদেরকে এইটুকু আমরা মুক্ত করে দিচ্ছি। আর সুদের যে অবশিষ্ট অর্থ সেটা ১২ মাসের কিস্তিতে ঋণগৃহীতারা বাণিজ্যিক ব্যাংকে পরিশোধ করবে। অর্থ্যাৎ যেটা প্রতি মাসে দিতে হতো, এটা এই দুইমাসে যেহেতু দিতে পারেনি, তাই আমরা ১২ মাসের একটা সময় দিয়ে দিচ্ছি। এতে ধীরে ধীরে তারা বাকিটা শোধ করতে পারবে সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সরকার এই দুইহাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ায় আনুমানিক এক কোটি ৩৮ লাখ ঋণগ্রহীতা উপকৃত হবেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা উপকার পাবেন, কারণ এই কোভিড ১৯ কারণে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ ছিল। কাজেই সেই কারণে এই সুযোগটা আমরা তাদের দিয়ে দিচ্ছি। যাতে তারা তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ২ হাজার কোটি টাকাসহ সরকার ঘোষিত ১৯টি প্রণোদনা প্যাকেজের মোট পরিমাণ দাঁড়ালো এক লাখ তিন হাজার ১১৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। আমি জানি না পৃথিবীর অন্যকোনো দেশ এভাবে দিয়েছে কি না। কিন্তু আমরা সেভাবে এই সুযোগটা দিচ্ছি। এর বাইরে আমরা কওমি মাদরাসা ও মসজিদে ভিন্নভাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি।’

এসময় গণভবন অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সুদের বোঝা কমাতে সরকারের ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি

আপডেট সময় ০৪:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে গ্রাহকদের নেওয়া ঋণের সুদের বোঝা কমাতে সরকার দুই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ১৯ তম বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ।

রবিবার সকালে গণভবন থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সে বক্তৃতাকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেহেতু দুই মাসে সুদ স্থগিত করা ছিল। এখানে সুদের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি দিবে। যা আনুমানিকহারে ঋণগ্রহীতাদের আর পরিশোধ করতে হবে না।’

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশকালে এই বক্তৃতা করছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন সবই বন্ধ ছিলো। এখন আমরা আস্তে আস্তে সবকিছু উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। অনেকই ব্যাংক থেকে লোন নিয়েছেন। যেহেতু তাদের ব্যবসা চালাতে পারেনি সেখানে ঋণভারে যাতে জর্জরিত না হয়। তার জন্য আমরা বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা এক লাখ কোটি (এক লাখ এক হাজার ১১৭ কোটি টাকা) টাকার ওপরে বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি যেটা আমাদের জিডিপির ৩ দশমিক ৬ ভাগ। এত প্রণোদনা পৃথিবীর অন্যকোনো দেশ দিয়েছে কি না আমরা জানি না।’

ইতিপূর্বে সরকার ১৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে বসে আমরা আরেকটা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। সেটা হলো যেহেতু দুই মাসে সুদ স্থগিত করা ছিল। এখানে সুদের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি দিবে। যা আনুমানিকহারে ঋণগ্রহীতাদের আর পরিশোধ করতে হবে না। তাদেরকে এইটুকু আমরা মুক্ত করে দিচ্ছি। আর সুদের যে অবশিষ্ট অর্থ সেটা ১২ মাসের কিস্তিতে ঋণগৃহীতারা বাণিজ্যিক ব্যাংকে পরিশোধ করবে। অর্থ্যাৎ যেটা প্রতি মাসে দিতে হতো, এটা এই দুইমাসে যেহেতু দিতে পারেনি, তাই আমরা ১২ মাসের একটা সময় দিয়ে দিচ্ছি। এতে ধীরে ধীরে তারা বাকিটা শোধ করতে পারবে সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সরকার এই দুইহাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ায় আনুমানিক এক কোটি ৩৮ লাখ ঋণগ্রহীতা উপকৃত হবেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা উপকার পাবেন, কারণ এই কোভিড ১৯ কারণে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ ছিল। কাজেই সেই কারণে এই সুযোগটা আমরা তাদের দিয়ে দিচ্ছি। যাতে তারা তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ২ হাজার কোটি টাকাসহ সরকার ঘোষিত ১৯টি প্রণোদনা প্যাকেজের মোট পরিমাণ দাঁড়ালো এক লাখ তিন হাজার ১১৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। আমি জানি না পৃথিবীর অন্যকোনো দেশ এভাবে দিয়েছে কি না। কিন্তু আমরা সেভাবে এই সুযোগটা দিচ্ছি। এর বাইরে আমরা কওমি মাদরাসা ও মসজিদে ভিন্নভাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি।’

এসময় গণভবন অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।