ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

সুদের বোঝা কমাতে সরকারের ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে গ্রাহকদের নেওয়া ঋণের সুদের বোঝা কমাতে সরকার দুই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ১৯ তম বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ।

রবিবার সকালে গণভবন থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সে বক্তৃতাকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেহেতু দুই মাসে সুদ স্থগিত করা ছিল। এখানে সুদের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি দিবে। যা আনুমানিকহারে ঋণগ্রহীতাদের আর পরিশোধ করতে হবে না।’

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশকালে এই বক্তৃতা করছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন সবই বন্ধ ছিলো। এখন আমরা আস্তে আস্তে সবকিছু উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। অনেকই ব্যাংক থেকে লোন নিয়েছেন। যেহেতু তাদের ব্যবসা চালাতে পারেনি সেখানে ঋণভারে যাতে জর্জরিত না হয়। তার জন্য আমরা বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা এক লাখ কোটি (এক লাখ এক হাজার ১১৭ কোটি টাকা) টাকার ওপরে বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি যেটা আমাদের জিডিপির ৩ দশমিক ৬ ভাগ। এত প্রণোদনা পৃথিবীর অন্যকোনো দেশ দিয়েছে কি না আমরা জানি না।’

ইতিপূর্বে সরকার ১৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে বসে আমরা আরেকটা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। সেটা হলো যেহেতু দুই মাসে সুদ স্থগিত করা ছিল। এখানে সুদের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি দিবে। যা আনুমানিকহারে ঋণগ্রহীতাদের আর পরিশোধ করতে হবে না। তাদেরকে এইটুকু আমরা মুক্ত করে দিচ্ছি। আর সুদের যে অবশিষ্ট অর্থ সেটা ১২ মাসের কিস্তিতে ঋণগৃহীতারা বাণিজ্যিক ব্যাংকে পরিশোধ করবে। অর্থ্যাৎ যেটা প্রতি মাসে দিতে হতো, এটা এই দুইমাসে যেহেতু দিতে পারেনি, তাই আমরা ১২ মাসের একটা সময় দিয়ে দিচ্ছি। এতে ধীরে ধীরে তারা বাকিটা শোধ করতে পারবে সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সরকার এই দুইহাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ায় আনুমানিক এক কোটি ৩৮ লাখ ঋণগ্রহীতা উপকৃত হবেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা উপকার পাবেন, কারণ এই কোভিড ১৯ কারণে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ ছিল। কাজেই সেই কারণে এই সুযোগটা আমরা তাদের দিয়ে দিচ্ছি। যাতে তারা তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ২ হাজার কোটি টাকাসহ সরকার ঘোষিত ১৯টি প্রণোদনা প্যাকেজের মোট পরিমাণ দাঁড়ালো এক লাখ তিন হাজার ১১৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। আমি জানি না পৃথিবীর অন্যকোনো দেশ এভাবে দিয়েছে কি না। কিন্তু আমরা সেভাবে এই সুযোগটা দিচ্ছি। এর বাইরে আমরা কওমি মাদরাসা ও মসজিদে ভিন্নভাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি।’

এসময় গণভবন অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

সুদের বোঝা কমাতে সরকারের ২ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি

আপডেট সময় ০৪:৫৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে গ্রাহকদের নেওয়া ঋণের সুদের বোঝা কমাতে সরকার দুই হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এটি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ১৯ তম বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ।

রবিবার সকালে গণভবন থেকে এক ভিডিও কনফারেন্সে বক্তৃতাকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘যেহেতু দুই মাসে সুদ স্থগিত করা ছিল। এখানে সুদের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি দিবে। যা আনুমানিকহারে ঋণগ্রহীতাদের আর পরিশোধ করতে হবে না।’

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশকালে এই বক্তৃতা করছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু দীর্ঘদিন সবই বন্ধ ছিলো। এখন আমরা আস্তে আস্তে সবকিছু উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। অনেকই ব্যাংক থেকে লোন নিয়েছেন। যেহেতু তাদের ব্যবসা চালাতে পারেনি সেখানে ঋণভারে যাতে জর্জরিত না হয়। তার জন্য আমরা বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা এক লাখ কোটি (এক লাখ এক হাজার ১১৭ কোটি টাকা) টাকার ওপরে বিশেষ প্রণোদনা দিয়েছি যেটা আমাদের জিডিপির ৩ দশমিক ৬ ভাগ। এত প্রণোদনা পৃথিবীর অন্যকোনো দেশ দিয়েছে কি না আমরা জানি না।’

ইতিপূর্বে সরকার ১৮টি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন অর্থমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে বসে আমরা আরেকটা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। সেটা হলো যেহেতু দুই মাসে সুদ স্থগিত করা ছিল। এখানে সুদের পরিমাণ ১৬ হাজার ৫৪৯ কোটি টাকা। এই সুদের মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ভর্তুকি দিবে। যা আনুমানিকহারে ঋণগ্রহীতাদের আর পরিশোধ করতে হবে না। তাদেরকে এইটুকু আমরা মুক্ত করে দিচ্ছি। আর সুদের যে অবশিষ্ট অর্থ সেটা ১২ মাসের কিস্তিতে ঋণগৃহীতারা বাণিজ্যিক ব্যাংকে পরিশোধ করবে। অর্থ্যাৎ যেটা প্রতি মাসে দিতে হতো, এটা এই দুইমাসে যেহেতু দিতে পারেনি, তাই আমরা ১২ মাসের একটা সময় দিয়ে দিচ্ছি। এতে ধীরে ধীরে তারা বাকিটা শোধ করতে পারবে সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

সরকার এই দুইহাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়ায় আনুমানিক এক কোটি ৩৮ লাখ ঋণগ্রহীতা উপকৃত হবেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা উপকার পাবেন, কারণ এই কোভিড ১৯ কারণে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সব বন্ধ ছিল। কাজেই সেই কারণে এই সুযোগটা আমরা তাদের দিয়ে দিচ্ছি। যাতে তারা তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ২ হাজার কোটি টাকাসহ সরকার ঘোষিত ১৯টি প্রণোদনা প্যাকেজের মোট পরিমাণ দাঁড়ালো এক লাখ তিন হাজার ১১৭ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। আমি জানি না পৃথিবীর অন্যকোনো দেশ এভাবে দিয়েছে কি না। কিন্তু আমরা সেভাবে এই সুযোগটা দিচ্ছি। এর বাইরে আমরা কওমি মাদরাসা ও মসজিদে ভিন্নভাবে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছি।’

এসময় গণভবন অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।