ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

আম্পানে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে: কাদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সুপার সাইক্লোন আম্পানে আশঙ্কার তুলনায় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সরকারের আগাম প্রস্তুতির জন্য ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আবারও শেখ হাসিনা সরকার দক্ষতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যার ফলে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসন ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবন থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ সব কথা বলেন।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রসঙ্গ টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, সুপার সাইক্লোন আম্পান ইতোমধ্যে আঘাত হেনেছে বেশকটি জেলায়, ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক না হলেও একেবারে কম হয়নি। সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী যশোর, হাতিয়াসহ বেশ কিছু এলাকায় জলোচ্ছ্বাস, ঘরবাড়ি ধ্বংস, বেড়িবাঁধের ক্ষতিসহ ফসলহানি ঘটিয়েছে। এমনকি কিছু কিছু জায়গায় প্রাণহানিও ঘটেছে।

ওবায়দুল কাদের আম্পানে নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশের পাশাপাশি আশঙ্কা ও পূর্বাভাস অনুযায়ী কম ক্ষয়ক্ষতিতে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও শুকরিয়া জানান।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আবারও শেখ হাসিনার সরকার দক্ষতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যার ফলে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে। সরকার দুর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসনে প্রস্তুতি যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঝড়ের আগে জেলা প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং আওয়ামী লীগ কর্মীরা প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসন ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দিয়েছেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আল্লাহর রহমত, পবিত্র লাইলাতুল কদরের রজনীতে মানুষের দোয়া এবং শেখ হাসিনা সরকারের পূর্বপ্রস্তুতি আমাদেরকে এ ঘূর্ণিঝড় হতে অল্প ক্ষতির মধ্য দিয়ে উত্তরণ ঘটিয়েছে। এর পাশাপাশি সুন্দরবন সুরক্ষা প্রাচীর হিসেবে কাজ করেছে।

‘দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন, পানিবন্দি মানুষের সুরক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতে শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে রয়েছে। মনে রাখবেন আপনারা একা নন, শেখ হাসিনার মত দরদী ও দক্ষ নেতৃত্ব আপনাদের সাথে আছে সার্বক্ষণিকভাবে।’

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ করোনার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা করছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের এসব জনগোষ্ঠীর দুটো চ্যালেঞ্জ অতিক্রমের পাশে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন ধরে আমাদের অসাবধানতা অসচেতনতার জন্য করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়ে চলেছে। যারা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন না, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। অহেতুক যেখানে সেখানে সমাগম করছেন তারা জেনেশুনেই সংক্রমণ ও মৃত্যুকে ডেকে আনছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে সেন্টমার্টিন

আম্পানে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে: কাদের

আপডেট সময় ০৪:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সুপার সাইক্লোন আম্পানে আশঙ্কার তুলনায় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সরকারের আগাম প্রস্তুতির জন্য ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আবারও শেখ হাসিনা সরকার দক্ষতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যার ফলে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসন ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবন থেকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি এ সব কথা বলেন।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রসঙ্গ টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, সুপার সাইক্লোন আম্পান ইতোমধ্যে আঘাত হেনেছে বেশকটি জেলায়, ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক না হলেও একেবারে কম হয়নি। সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী যশোর, হাতিয়াসহ বেশ কিছু এলাকায় জলোচ্ছ্বাস, ঘরবাড়ি ধ্বংস, বেড়িবাঁধের ক্ষতিসহ ফসলহানি ঘটিয়েছে। এমনকি কিছু কিছু জায়গায় প্রাণহানিও ঘটেছে।

ওবায়দুল কাদের আম্পানে নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশের পাশাপাশি আশঙ্কা ও পূর্বাভাস অনুযায়ী কম ক্ষয়ক্ষতিতে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও শুকরিয়া জানান।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আবারও শেখ হাসিনার সরকার দক্ষতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। যার ফলে আশঙ্কার তুলনায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি অনেক কম হয়েছে। সরকার দুর্যোগ পূর্ববর্তী, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসনে প্রস্তুতি যথাযথভাবে সম্পন্ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ঝড়ের আগে জেলা প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং আওয়ামী লীগ কর্মীরা প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্থদের সহায়তা বেড়িবাঁধ মেরামতসহ সার্বিক পুনর্বাসন ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দিয়েছেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আল্লাহর রহমত, পবিত্র লাইলাতুল কদরের রজনীতে মানুষের দোয়া এবং শেখ হাসিনা সরকারের পূর্বপ্রস্তুতি আমাদেরকে এ ঘূর্ণিঝড় হতে অল্প ক্ষতির মধ্য দিয়ে উত্তরণ ঘটিয়েছে। এর পাশাপাশি সুন্দরবন সুরক্ষা প্রাচীর হিসেবে কাজ করেছে।

‘দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন, পানিবন্দি মানুষের সুরক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতে শেখ হাসিনা সরকার ও আওয়ামী লীগ আপনাদের পাশে রয়েছে। মনে রাখবেন আপনারা একা নন, শেখ হাসিনার মত দরদী ও দক্ষ নেতৃত্ব আপনাদের সাথে আছে সার্বক্ষণিকভাবে।’

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ করোনার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা করছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের এসব জনগোষ্ঠীর দুটো চ্যালেঞ্জ অতিক্রমের পাশে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন ধরে আমাদের অসাবধানতা অসচেতনতার জন্য করোনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়ে চলেছে। যারা সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছেন না, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। অহেতুক যেখানে সেখানে সমাগম করছেন তারা জেনেশুনেই সংক্রমণ ও মৃত্যুকে ডেকে আনছেন।