ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানালেন মির্জা ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৬ মাস জামিনে কারামুক্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখনও হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।করোনা পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাদেরও দেখা দিচ্ছেন না তিনি।তার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানতে দলীয় নেতাকর্মীদের আগ্রহের শেষ নেই।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত উন্নতি হয়নি। তবে তিনি মানসিকভাবে ভালো আছেন।

১১ মে রাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসা ফিরোজায় গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জামিনে মুক্তির পর এটাই ছিল দুই নেতার প্রথম সাক্ষাৎ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া) আমাকে ডেকেছিলেন, আমি গিয়েছিলাম। হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় আসার কারণে নি:সন্দেহে মানসিকভাবে ওইটুকু রিলিফ তিনি পেয়েছেন। সেকারণে তিনি মানসিক দিক দিয়ে একটু বেটার আছেন। আর স্বাস্থ্যগত দিক থেকে, তার অসুখের দিক থেকে খুব একটা ইমপ্রুভমেন্ট একদমই হয় নাই। তার তো চিকিৎসাই হচ্ছে না। কারণ হাসপাতাল তো বন্ধ প্রায়। হাসপাতালে গিয়ে তিনি পরীক্ষা করবেন সেই সুযোগও নেই।’

জামিনের ক্ষেত্রে সরকারের শর্তের কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, উনি বিদেশ যেতে পারবেন না। অন্যান্য দেশগুলোতে একই অবস্থা। লকডাউন, যোগাযোগ সবই বন্ধ। সে কারণে চিকিৎসার সুযোগটিও পাচ্ছেন না। উনি আগে যে চিকিৎসা নিতেন, তার ব্যক্তিগত যেসব চিকিৎসক রয়েছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের জন্য জামিন পান খালেদা জিয়া। মুক্তির পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে তিনি গুলশানের বাসায় উঠেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই আছেন।

এর আগে দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ড নিয়ে টানা দুই বছরেরও বেশি সময় জেল খাটেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানালেন মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ১২:৩৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

৬ মাস জামিনে কারামুক্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এখনও হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।করোনা পরিস্থিতিতে দলীয় নেতাদেরও দেখা দিচ্ছেন না তিনি।তার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানতে দলীয় নেতাকর্মীদের আগ্রহের শেষ নেই।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি জানান, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যগত উন্নতি হয়নি। তবে তিনি মানসিকভাবে ভালো আছেন।

১১ মে রাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসা ফিরোজায় গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। জামিনে মুক্তির পর এটাই ছিল দুই নেতার প্রথম সাক্ষাৎ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘উনি (খালেদা জিয়া) আমাকে ডেকেছিলেন, আমি গিয়েছিলাম। হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় আসার কারণে নি:সন্দেহে মানসিকভাবে ওইটুকু রিলিফ তিনি পেয়েছেন। সেকারণে তিনি মানসিক দিক দিয়ে একটু বেটার আছেন। আর স্বাস্থ্যগত দিক থেকে, তার অসুখের দিক থেকে খুব একটা ইমপ্রুভমেন্ট একদমই হয় নাই। তার তো চিকিৎসাই হচ্ছে না। কারণ হাসপাতাল তো বন্ধ প্রায়। হাসপাতালে গিয়ে তিনি পরীক্ষা করবেন সেই সুযোগও নেই।’

জামিনের ক্ষেত্রে সরকারের শর্তের কথা উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, উনি বিদেশ যেতে পারবেন না। অন্যান্য দেশগুলোতে একই অবস্থা। লকডাউন, যোগাযোগ সবই বন্ধ। সে কারণে চিকিৎসার সুযোগটিও পাচ্ছেন না। উনি আগে যে চিকিৎসা নিতেন, তার ব্যক্তিগত যেসব চিকিৎসক রয়েছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গত ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের জন্য জামিন পান খালেদা জিয়া। মুক্তির পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে তিনি গুলশানের বাসায় উঠেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই আছেন।

এর আগে দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ড নিয়ে টানা দুই বছরেরও বেশি সময় জেল খাটেন।