ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইসির সংলাপ সঙ্কটের সমাধান দেবে না : মির্জা ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংলাপ দেশের বিদ্যমান সঙ্কট সমাধানে কোনো কাজে আসবে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইতোমধ্যে বলেছেন যে, ইসি সংলাপ খুব একটা সফল পাওয়া যাবে না। এটা রাজনৈতিক দলের সাথে ইসির সংলাপ। কারণ রাজনৈতিক দলের সাথে রাজনৈতিক দলের সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টি করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। কাজেই আমরা মনে করি, ইসি সংলাপ চলমান মূল সঙ্কট সমাধানে কোনো কাজ করবে না।

আজ শনিবার দুপুরে সদ্য কারা মুক্ত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুকে নিয়ে শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদেরকে এসব বলেন। এসময় যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, সহায়ক সরকার ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের যে বিষয়টি সামনে এসেছে সে ব্যপারে এই সংলাপ কোনো সমাধান দেবে না। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায় বাতিলের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতাসীন অবৈধ ও অনৈতিক সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ষোড়শ সংশোধনী রায় বাতিলের পর ক্ষমতাসীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে নেতারা যে ভাষায় কথা বলছেন সেটা বেআইনি ভাষা। তারা বিচারবিভাগ ও প্রধান বিচারপতিকে যে ভাষায় কটাক্ষ করে কথাবার্তা বলছেন সেটা আইনের শাসনের ভাষা নয়। বরং এটা আদালত অবমাননাকর। এর মাধ্যমে এটাও প্রমাণিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আইনের শাসনে বিরোধী। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিচারবিভাগের স্বাধীনতা নষ্ট করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি বলেন, সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নেতারা এমন সব কথাবার্তা বলছেন যা আমি মনে করি তারা নিজেরাও জানেন না, তারা কী বলছেন? মূল কথা ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ক্ষমতাসীনদের আসল চেহারা দেশের জনগণের কাছে পরিস্কার হয়ে গেছে। তারা কিভাবে দেশ পরিচালনা করছেন? আর তাই এখন অমূলক কথাবার্তা বলে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ইসির সংলাপ সঙ্কটের সমাধান দেবে না : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৭:৩৭:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংলাপ দেশের বিদ্যমান সঙ্কট সমাধানে কোনো কাজে আসবে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইতোমধ্যে বলেছেন যে, ইসি সংলাপ খুব একটা সফল পাওয়া যাবে না। এটা রাজনৈতিক দলের সাথে ইসির সংলাপ। কারণ রাজনৈতিক দলের সাথে রাজনৈতিক দলের সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টি করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। কাজেই আমরা মনে করি, ইসি সংলাপ চলমান মূল সঙ্কট সমাধানে কোনো কাজ করবে না।

আজ শনিবার দুপুরে সদ্য কারা মুক্ত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলুকে নিয়ে শেরেবাংলা নগরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদেরকে এসব বলেন। এসময় যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, সহায়ক সরকার ও নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের যে বিষয়টি সামনে এসেছে সে ব্যপারে এই সংলাপ কোনো সমাধান দেবে না। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায় বাতিলের মধ্যে দিয়ে ক্ষমতাসীন অবৈধ ও অনৈতিক সরকারের অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ষোড়শ সংশোধনী রায় বাতিলের পর ক্ষমতাসীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে নেতারা যে ভাষায় কথা বলছেন সেটা বেআইনি ভাষা। তারা বিচারবিভাগ ও প্রধান বিচারপতিকে যে ভাষায় কটাক্ষ করে কথাবার্তা বলছেন সেটা আইনের শাসনের ভাষা নয়। বরং এটা আদালত অবমাননাকর। এর মাধ্যমে এটাও প্রমাণিত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আইনের শাসনে বিরোধী। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিচারবিভাগের স্বাধীনতা নষ্ট করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি বলেন, সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নেতারা এমন সব কথাবার্তা বলছেন যা আমি মনে করি তারা নিজেরাও জানেন না, তারা কী বলছেন? মূল কথা ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ক্ষমতাসীনদের আসল চেহারা দেশের জনগণের কাছে পরিস্কার হয়ে গেছে। তারা কিভাবে দেশ পরিচালনা করছেন? আর তাই এখন অমূলক কথাবার্তা বলে যাচ্ছে।