ঢাকা ০৮:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঢাকার সর্বত্রই করোনার ছড়াছড়ি, কোন এলাকায় শনাক্ত কত!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

রাজধানী ঢাকাজুড়েই এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী। সারা দেশে শনাক্ত হওয়া রোগীদের ৫৬ শতাংশই এই মহানগরীতে।

সোমবার (৪ মে) রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রাজধানীর ১৭০টি এলাকায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। রাজধানীর পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ সর্বত্র ছড়িয়ে গেছে এ মহামারী।

সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, ৩ মে পর্যন্ত রাজধানীতে এককভাবে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী রাজারবাগ এলাকায়। এ এলাকার ১৬৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় সবাই রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আক্রান্ত পুলিশ সদস্য। এরপর কাকরাইলে ১৫০ জন এবং যাত্রাবাড়ীতে ১০১ জন।

রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী রয়েছে পুরান ঢাকা এলাকায়। এখানে রোগীর সংখ্যা ছয় শতাধিক। পুরান ঢাকায় সবচেয়ে বেশি রোগী রয়েছে লালবাগে। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় ৭৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা গেছে। এর পাশাপাশি বংশালে ৫৮, চকবাজারে ৩২, গেন্ডারিয়ায় ৪৮, মিটফোর্ডে ৩৮, ওয়ারিতে ৪২, চানখাঁরপুলে ৩১ জন করে করোনা রোগী রয়েছে।

বৃহত্তর মিরপুর এলাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এখন পর্যন্ত এ এলাকায় দুই শতাধিক করোনা রোগী শনাক্ত করা গেছে। মিরপুর-১ নম্বরে ৩২, ২ নম্বরে দুইজন, ৬ নম্বরে ৯ জন, ১০ নম্বরে ১৮ জন, ১১ নম্বরে ৩২ জন, ১২ নম্বরে ১৮ জন, ১৩ নম্বরে ৩ জন এবং ১৪ নম্বরে ৩৭ জন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া বাড্ডায় ৪১, বাসাবোতে ৩৪, ধানমন্ডিতে ৩৮, হাজারীবাগে ৩৮, খিলগাঁওয়ে ৩৯, মালিবাগে ৬২, গুলশানে ৩২, মগবাজারে ৪৩, জুরাইনে ৩২, মহাখালীতে ৭১, মোহাম্মদপুরে ৮১, মুগদায় ৮০, পুরানা পল্টনে ২৭, নয়া পল্টনে ২৯, শাহবাগ এলাকায় ৫১, শ্যামলীতে ২৯, তেজগাঁওয়ে ৫৫, স্বামীবাগে ৩৬ ও উত্তরায় ৬৩ জনসহ প্রায় সব এলাকাতেই কিছু না কিছু রোগী রয়েছে।

সোমবার সর্বশেষ পাওয়া তথ্যমতে, করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮২ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬৮৮ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৪৩ জনে। বিশ্বব্যাপী করোনায় সুস্থ হওয়ার পরিসংখ্যান ইতিবাচক হলেও বাংলাদেশে এ সংখ্যা এখনও সন্তোষজনক নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৮ জন শনাক্ত হওয়ার বিপরীতে সুস্থ হয়েছেন মাত্র ১৪৭ জন। এর মধ্যে ৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছে ১ হাজার ২১০ জন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ঢাকার সর্বত্রই করোনার ছড়াছড়ি, কোন এলাকায় শনাক্ত কত!

আপডেট সময় ১১:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

রাজধানী ঢাকাজুড়েই এখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী। সারা দেশে শনাক্ত হওয়া রোগীদের ৫৬ শতাংশই এই মহানগরীতে।

সোমবার (৪ মে) রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রাজধানীর ১৭০টি এলাকায় করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। রাজধানীর পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ সর্বত্র ছড়িয়ে গেছে এ মহামারী।

সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, ৩ মে পর্যন্ত রাজধানীতে এককভাবে সবচেয়ে বেশি করোনা রোগী রাজারবাগ এলাকায়। এ এলাকার ১৬৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় সবাই রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আক্রান্ত পুলিশ সদস্য। এরপর কাকরাইলে ১৫০ জন এবং যাত্রাবাড়ীতে ১০১ জন।

রাজধানীতে সবচেয়ে বেশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী রয়েছে পুরান ঢাকা এলাকায়। এখানে রোগীর সংখ্যা ছয় শতাধিক। পুরান ঢাকায় সবচেয়ে বেশি রোগী রয়েছে লালবাগে। ঘনবসতিপূর্ণ এই এলাকায় ৭৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা গেছে। এর পাশাপাশি বংশালে ৫৮, চকবাজারে ৩২, গেন্ডারিয়ায় ৪৮, মিটফোর্ডে ৩৮, ওয়ারিতে ৪২, চানখাঁরপুলে ৩১ জন করে করোনা রোগী রয়েছে।

বৃহত্তর মিরপুর এলাকায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এখন পর্যন্ত এ এলাকায় দুই শতাধিক করোনা রোগী শনাক্ত করা গেছে। মিরপুর-১ নম্বরে ৩২, ২ নম্বরে দুইজন, ৬ নম্বরে ৯ জন, ১০ নম্বরে ১৮ জন, ১১ নম্বরে ৩২ জন, ১২ নম্বরে ১৮ জন, ১৩ নম্বরে ৩ জন এবং ১৪ নম্বরে ৩৭ জন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়া বাড্ডায় ৪১, বাসাবোতে ৩৪, ধানমন্ডিতে ৩৮, হাজারীবাগে ৩৮, খিলগাঁওয়ে ৩৯, মালিবাগে ৬২, গুলশানে ৩২, মগবাজারে ৪৩, জুরাইনে ৩২, মহাখালীতে ৭১, মোহাম্মদপুরে ৮১, মুগদায় ৮০, পুরানা পল্টনে ২৭, নয়া পল্টনে ২৯, শাহবাগ এলাকায় ৫১, শ্যামলীতে ২৯, তেজগাঁওয়ে ৫৫, স্বামীবাগে ৩৬ ও উত্তরায় ৬৩ জনসহ প্রায় সব এলাকাতেই কিছু না কিছু রোগী রয়েছে।

সোমবার সর্বশেষ পাওয়া তথ্যমতে, করোনাভাইরাসে বাংলাদেশে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৮২ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬৮৮ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ১৪৩ জনে। বিশ্বব্যাপী করোনায় সুস্থ হওয়ার পরিসংখ্যান ইতিবাচক হলেও বাংলাদেশে এ সংখ্যা এখনও সন্তোষজনক নয়। গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮৮ জন শনাক্ত হওয়ার বিপরীতে সুস্থ হয়েছেন মাত্র ১৪৭ জন। এর মধ্যে ৫ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছে ১ হাজার ২১০ জন।