ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

আপাতত খালেদার সঙ্গে সাক্ষাতে কড়াকড়িই থাকছে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কারাবন্দি অবস্থা থেকে দুই বছর পর বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির পর থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। করোনা সংক্রমণ থেকে তাকে নিরাপদে রাখতেই এমন উদ্যোগ। এই সময়ে চিকিৎসক এবং পরিবারের দুই-একজন ছাড়া কেউ তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাননি। দলের নেতাদের ধারণা ছিল- ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। কিন্তু সেটা আর হচ্ছে না। সাক্ষাতের বিষয়টি আগের মতোই কড়াকড়ির মধ্যে থাকছে।

বৃহস্পতিবার নির্ধারিত ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলেও করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়া হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকবেন বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।

ফখরুল বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে এখন সারা বিশ্বের যে অবস্থা এবং সারাদেশ এখন লকডাউনের মতো হয়ে গেছে, এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তো ১০০ শতাংশ তাকে (খালেদা জিয়া) কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। সেখানে তিনি সেইফ আছেন। এখন তিনি সম্পূর্ণ হোম কোয়ারেন্টাইন পরিবেশেই থাকবেন। আমরা আশা করি, এরমধ্যে (কোয়ারেন্টাইন অবস্থায়) তিনি ভালো থাকবেন। যখন এ (করোনা ভাইরাস সংক্রমণ) পরিস্থিতির সমস্যাটা কমবে তখন আমরা পরবর্তী অবস্থার কথা চিন্তা করবো।’

দলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ম্যাডাম যথেষ্ট অসুস্থ। এখনো ইনফ্যাক্ট ইম্প্রুভমেন্ট তার অসুখের খুব বেশি হয়নি। একটা মূল বিষয় ছিল যে, তাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া আমাদের দাবিটা ছিল।’ ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা বলেছেন যে, দেশের বাইরে যাওয়া যাবে না। দেশের অভ্যন্তরে চিকিৎসা সেবার যে অবস্থা তাতে করে তো সব ডাক্তাররাও সার্ভিস দিতে পারছেন না। যতটুকু পারছেন তার যে ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আছেন তারা তাকে দেখেছেন এবং চিকিৎসা দিয়েছেন। আমরা আশা করি যে, এরমধ্যে তিনি ভালো থাকবেন।’

গত ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছয় মাস সাজা স্থগিত রেখে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয় সরকার। সেদিন বিকাল ৫টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়ে অসুস্থ খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় আসেন।

ফিরোজার দোতলায় খালেদা জিয়া কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সঙ্গে নার্সসহ কয়েকজন আছেন। এই ১৪ দিন কেউ নিচে নামেননি বলে জানান তার ব্যক্তিগত এক চিকিৎসক।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখ ও দাঁতের নানা রোগে ভুগছেন।

তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসায় প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে। শুধু চিকিৎসকের টিমের সদস্য ও কয়েকজন নিকট আত্মীয়-স্বজন আসছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার ঘটনায় মূলহোতাসহ চারজন আটক

আপাতত খালেদার সঙ্গে সাক্ষাতে কড়াকড়িই থাকছে

আপডেট সময় ১১:০৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কারাবন্দি অবস্থা থেকে দুই বছর পর বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির পর থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। করোনা সংক্রমণ থেকে তাকে নিরাপদে রাখতেই এমন উদ্যোগ। এই সময়ে চিকিৎসক এবং পরিবারের দুই-একজন ছাড়া কেউ তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাননি। দলের নেতাদের ধারণা ছিল- ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। কিন্তু সেটা আর হচ্ছে না। সাক্ষাতের বিষয়টি আগের মতোই কড়াকড়ির মধ্যে থাকছে।

বৃহস্পতিবার নির্ধারিত ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলেও করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়া হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকবেন বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।

ফখরুল বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে এখন সারা বিশ্বের যে অবস্থা এবং সারাদেশ এখন লকডাউনের মতো হয়ে গেছে, এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তো ১০০ শতাংশ তাকে (খালেদা জিয়া) কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। সেখানে তিনি সেইফ আছেন। এখন তিনি সম্পূর্ণ হোম কোয়ারেন্টাইন পরিবেশেই থাকবেন। আমরা আশা করি, এরমধ্যে (কোয়ারেন্টাইন অবস্থায়) তিনি ভালো থাকবেন। যখন এ (করোনা ভাইরাস সংক্রমণ) পরিস্থিতির সমস্যাটা কমবে তখন আমরা পরবর্তী অবস্থার কথা চিন্তা করবো।’

দলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ম্যাডাম যথেষ্ট অসুস্থ। এখনো ইনফ্যাক্ট ইম্প্রুভমেন্ট তার অসুখের খুব বেশি হয়নি। একটা মূল বিষয় ছিল যে, তাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া আমাদের দাবিটা ছিল।’ ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা বলেছেন যে, দেশের বাইরে যাওয়া যাবে না। দেশের অভ্যন্তরে চিকিৎসা সেবার যে অবস্থা তাতে করে তো সব ডাক্তাররাও সার্ভিস দিতে পারছেন না। যতটুকু পারছেন তার যে ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আছেন তারা তাকে দেখেছেন এবং চিকিৎসা দিয়েছেন। আমরা আশা করি যে, এরমধ্যে তিনি ভালো থাকবেন।’

গত ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছয় মাস সাজা স্থগিত রেখে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয় সরকার। সেদিন বিকাল ৫টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়ে অসুস্থ খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় আসেন।

ফিরোজার দোতলায় খালেদা জিয়া কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সঙ্গে নার্সসহ কয়েকজন আছেন। এই ১৪ দিন কেউ নিচে নামেননি বলে জানান তার ব্যক্তিগত এক চিকিৎসক।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখ ও দাঁতের নানা রোগে ভুগছেন।

তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসায় প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে। শুধু চিকিৎসকের টিমের সদস্য ও কয়েকজন নিকট আত্মীয়-স্বজন আসছেন।