ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা পালিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন,তিনি থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত: মির্জা ফখরুল দুই হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আগামী নির্বাচন হবে মানুষের জীবন ও ভাগ্য বদলে দেওয়ার নির্বাচন : সালাহউদ্দিন চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তুষ্ট রাষ্ট্রপক্ষ, করা হবে আপিল গণভোট-সংসদ নির্বাচনের ফল হবে একসঙ্গে : ইসি সচিব পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দেবে না সরকার সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড নির্বাচনে নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার ‘লাইলাতুল গুজব’ শেষে বিসিবিতেই দেখা গেল বুলবুলকে ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি প্রার্থীর ওপর বিএনপির হামলার অভিযোগ

আপাতত খালেদার সঙ্গে সাক্ষাতে কড়াকড়িই থাকছে

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কারাবন্দি অবস্থা থেকে দুই বছর পর বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির পর থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। করোনা সংক্রমণ থেকে তাকে নিরাপদে রাখতেই এমন উদ্যোগ। এই সময়ে চিকিৎসক এবং পরিবারের দুই-একজন ছাড়া কেউ তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাননি। দলের নেতাদের ধারণা ছিল- ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। কিন্তু সেটা আর হচ্ছে না। সাক্ষাতের বিষয়টি আগের মতোই কড়াকড়ির মধ্যে থাকছে।

বৃহস্পতিবার নির্ধারিত ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলেও করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়া হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকবেন বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।

ফখরুল বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে এখন সারা বিশ্বের যে অবস্থা এবং সারাদেশ এখন লকডাউনের মতো হয়ে গেছে, এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তো ১০০ শতাংশ তাকে (খালেদা জিয়া) কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। সেখানে তিনি সেইফ আছেন। এখন তিনি সম্পূর্ণ হোম কোয়ারেন্টাইন পরিবেশেই থাকবেন। আমরা আশা করি, এরমধ্যে (কোয়ারেন্টাইন অবস্থায়) তিনি ভালো থাকবেন। যখন এ (করোনা ভাইরাস সংক্রমণ) পরিস্থিতির সমস্যাটা কমবে তখন আমরা পরবর্তী অবস্থার কথা চিন্তা করবো।’

দলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ম্যাডাম যথেষ্ট অসুস্থ। এখনো ইনফ্যাক্ট ইম্প্রুভমেন্ট তার অসুখের খুব বেশি হয়নি। একটা মূল বিষয় ছিল যে, তাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া আমাদের দাবিটা ছিল।’ ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা বলেছেন যে, দেশের বাইরে যাওয়া যাবে না। দেশের অভ্যন্তরে চিকিৎসা সেবার যে অবস্থা তাতে করে তো সব ডাক্তাররাও সার্ভিস দিতে পারছেন না। যতটুকু পারছেন তার যে ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আছেন তারা তাকে দেখেছেন এবং চিকিৎসা দিয়েছেন। আমরা আশা করি যে, এরমধ্যে তিনি ভালো থাকবেন।’

গত ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছয় মাস সাজা স্থগিত রেখে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয় সরকার। সেদিন বিকাল ৫টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়ে অসুস্থ খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় আসেন।

ফিরোজার দোতলায় খালেদা জিয়া কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সঙ্গে নার্সসহ কয়েকজন আছেন। এই ১৪ দিন কেউ নিচে নামেননি বলে জানান তার ব্যক্তিগত এক চিকিৎসক।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখ ও দাঁতের নানা রোগে ভুগছেন।

তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসায় প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে। শুধু চিকিৎসকের টিমের সদস্য ও কয়েকজন নিকট আত্মীয়-স্বজন আসছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনা পালিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন,তিনি থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত: মির্জা ফখরুল

আপাতত খালেদার সঙ্গে সাক্ষাতে কড়াকড়িই থাকছে

আপডেট সময় ১১:০৩:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কারাবন্দি অবস্থা থেকে দুই বছর পর বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির পর থেকে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। করোনা সংক্রমণ থেকে তাকে নিরাপদে রাখতেই এমন উদ্যোগ। এই সময়ে চিকিৎসক এবং পরিবারের দুই-একজন ছাড়া কেউ তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাননি। দলের নেতাদের ধারণা ছিল- ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। কিন্তু সেটা আর হচ্ছে না। সাক্ষাতের বিষয়টি আগের মতোই কড়াকড়ির মধ্যে থাকছে।

বৃহস্পতিবার নির্ধারিত ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হলেও করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়া হোম কোয়ারেন্টাইনেই থাকবেন বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।

ফখরুল বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে এখন সারা বিশ্বের যে অবস্থা এবং সারাদেশ এখন লকডাউনের মতো হয়ে গেছে, এ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তো ১০০ শতাংশ তাকে (খালেদা জিয়া) কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। সেখানে তিনি সেইফ আছেন। এখন তিনি সম্পূর্ণ হোম কোয়ারেন্টাইন পরিবেশেই থাকবেন। আমরা আশা করি, এরমধ্যে (কোয়ারেন্টাইন অবস্থায়) তিনি ভালো থাকবেন। যখন এ (করোনা ভাইরাস সংক্রমণ) পরিস্থিতির সমস্যাটা কমবে তখন আমরা পরবর্তী অবস্থার কথা চিন্তা করবো।’

দলীয় প্রধান খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ম্যাডাম যথেষ্ট অসুস্থ। এখনো ইনফ্যাক্ট ইম্প্রুভমেন্ট তার অসুখের খুব বেশি হয়নি। একটা মূল বিষয় ছিল যে, তাকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়া আমাদের দাবিটা ছিল।’ ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা বলেছেন যে, দেশের বাইরে যাওয়া যাবে না। দেশের অভ্যন্তরে চিকিৎসা সেবার যে অবস্থা তাতে করে তো সব ডাক্তাররাও সার্ভিস দিতে পারছেন না। যতটুকু পারছেন তার যে ব্যক্তিগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা আছেন তারা তাকে দেখেছেন এবং চিকিৎসা দিয়েছেন। আমরা আশা করি যে, এরমধ্যে তিনি ভালো থাকবেন।’

গত ২৫ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছয় মাস সাজা স্থগিত রেখে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয় সরকার। সেদিন বিকাল ৫টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে মুক্তি পেয়ে অসুস্থ খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য় আসেন।

ফিরোজার দোতলায় খালেদা জিয়া কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সঙ্গে নার্সসহ কয়েকজন আছেন। এই ১৪ দিন কেউ নিচে নামেননি বলে জানান তার ব্যক্তিগত এক চিকিৎসক।

৭৫ বছর বয়সী খালেদা জিয়া রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস, ডায়াবেটিস, চোখ ও দাঁতের নানা রোগে ভুগছেন।

তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা জানিয়েছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসায় প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে। শুধু চিকিৎসকের টিমের সদস্য ও কয়েকজন নিকট আত্মীয়-স্বজন আসছেন।