ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছোটখাটো অপরাধে দীর্ঘ কারাবন্দীদের মুক্তি নিয়ে ভাবছে সরকার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দণ্ড ভোগ করা কয়েদি এবং জামিনযোগ্য ধারায় আটক আসামিদের মুক্তির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আজ সোমবার অনির্ধারিত আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

বলেছেন, হত্যা, ধর্ষণ ও অ্যাসিড মামলার আসামি ছাড়া বাকিরা, যারা দীর্ঘদিন কারাগারে আছেন তারা এর আওতায় আসবেন। মন্ত্রিসভার একজন সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়া রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) মাস্ক ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বা পিপিই তৈরি করে, এ ধরনের পোশাক কারখানাগুলো খোলা রেখে বাকিগুলো বন্ধ রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে কারা অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘কারাগার বর্তমানে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি বন্দি রয়েছে। তাদের অনেকের সা’জা ভোগের মেয়াদ শেষ হয়েছে।’

কিছু বন্দি আছে জামিনযোগ্য ধারার মামলায় আটক। তাদের সংখ্যা তিন হাজারের বেশি হবে। আমরা এ ধরনের একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পেশ করেছি। এদের মুক্তি দিলে কারাগারে বাড়তি চাপ হবে না বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

বিশ দিনের সরকারি ছুটির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এ বৈঠক ছিল একেবারেই ভিন্ন রকম। এমনিতে সাধারণত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকেন। কিন্তু আজকের বেঠক এমনটা ছিল না। কেবল নির্দিষ্ট কয়েকজন মন্ত্রী বৈঠকে ছিলেন। তারা হলেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। কেবল যাদের এজেন্ডা ছিল তারাই ছিলেন সোমবারের বৈঠকে।

এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউসসহ কয়েকজন সচিবও উপস্থিত ছিলেন। তবে আজ সবার বসার ব্যবস্থা ভিন্ন। টেবিলগুলো ছিল দূরে দূরে। সবার মুখেই ছিল মাস্ক। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ স্বাস্থ্যবিধির অংশ হিসেবে তারা এই সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গণমাধ্যমে বলেন, ‘দীর্ঘসময় যারা কারাবন্দী সেইসব আসামিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি প্রক্রিয়া ঠিক করা হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ছোটখাটো অপরাধে দীর্ঘ কারাবন্দীদের মুক্তি নিয়ে ভাবছে সরকার

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দণ্ড ভোগ করা কয়েদি এবং জামিনযোগ্য ধারায় আটক আসামিদের মুক্তির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে আজ সোমবার অনির্ধারিত আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।

বলেছেন, হত্যা, ধর্ষণ ও অ্যাসিড মামলার আসামি ছাড়া বাকিরা, যারা দীর্ঘদিন কারাগারে আছেন তারা এর আওতায় আসবেন। মন্ত্রিসভার একজন সদস্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ছাড়া রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (ইপিজেড) মাস্ক ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বা পিপিই তৈরি করে, এ ধরনের পোশাক কারখানাগুলো খোলা রেখে বাকিগুলো বন্ধ রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে কারা অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘কারাগার বর্তমানে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি বন্দি রয়েছে। তাদের অনেকের সা’জা ভোগের মেয়াদ শেষ হয়েছে।’

কিছু বন্দি আছে জামিনযোগ্য ধারার মামলায় আটক। তাদের সংখ্যা তিন হাজারের বেশি হবে। আমরা এ ধরনের একটি তালিকা মন্ত্রণালয়ে পেশ করেছি। এদের মুক্তি দিলে কারাগারে বাড়তি চাপ হবে না বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।

বিশ দিনের সরকারি ছুটির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এ বৈঠক ছিল একেবারেই ভিন্ন রকম। এমনিতে সাধারণত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকেন। কিন্তু আজকের বেঠক এমনটা ছিল না। কেবল নির্দিষ্ট কয়েকজন মন্ত্রী বৈঠকে ছিলেন। তারা হলেন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। কেবল যাদের এজেন্ডা ছিল তারাই ছিলেন সোমবারের বৈঠকে।

এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউসসহ কয়েকজন সচিবও উপস্থিত ছিলেন। তবে আজ সবার বসার ব্যবস্থা ভিন্ন। টেবিলগুলো ছিল দূরে দূরে। সবার মুখেই ছিল মাস্ক। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ স্বাস্থ্যবিধির অংশ হিসেবে তারা এই সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েছিলেন।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গণমাধ্যমে বলেন, ‘দীর্ঘসময় যারা কারাবন্দী সেইসব আসামিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি প্রক্রিয়া ঠিক করা হবে।’