ঢাকা ০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু, বাড়ি লকডাউন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) উপসর্গ নিয়ে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় এক পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শমিজেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

তাড়াশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান দৈনিক আকাশকে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, করোনার লক্ষণ নিয়ে মারা যাওয়া ওই পোশাককর্মী গত ০১ এপ্রিল ঢাকা থেকে ফিরেছেন। তখন থেকেই তার হাঁচি-কাশির উপসর্গ ছিল। ধীরে ধীরে গলা ব্যথা ও ডায়রিয়া হয়। সোমবার দুপুরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ওই বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. জাহিদুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে জানান, জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত হলেও প্রথমদিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেননি পরিবারের লোকজন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সোমবার দুপুরে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাস্তায় মারা যান তিনি। খবর পেয়ে তার বাড়িতে মেডিক্যাল টিম পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে (রামেক) হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পেরে ওই ব্যক্তি কোভিড-১৯ আক্রান্ত ছিলেন কি-না তা জানা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সিরাজগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু, বাড়ি লকডাউন

আপডেট সময় ০৮:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) উপসর্গ নিয়ে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় এক পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শমিজেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

তাড়াশ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান দৈনিক আকাশকে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, করোনার লক্ষণ নিয়ে মারা যাওয়া ওই পোশাককর্মী গত ০১ এপ্রিল ঢাকা থেকে ফিরেছেন। তখন থেকেই তার হাঁচি-কাশির উপসর্গ ছিল। ধীরে ধীরে গলা ব্যথা ও ডায়রিয়া হয়। সোমবার দুপুরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় ওই বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. জাহিদুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে জানান, জ্বর-সর্দিতে আক্রান্ত হলেও প্রথমদিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেননি পরিবারের লোকজন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সোমবার দুপুরে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাস্তায় মারা যান তিনি। খবর পেয়ে তার বাড়িতে মেডিক্যাল টিম পাঠিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে (রামেক) হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন পেরে ওই ব্যক্তি কোভিড-১৯ আক্রান্ত ছিলেন কি-না তা জানা যাবে।