ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন ভেবেছিলাম সবাই খামেনিকে ঘৃণা করে, কিন্তু এতো মানুষকে কাঁদতে দেখে অবাক হয়েছি’: ট্রাম্প কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর টেকসই স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি উদ্ভাবন এখন গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ : ঢাবি উপাচার্য এমডির অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের গৌরবের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নাসির উদ্দিনকে প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নস্যাৎ করার সুযোগ ইসরাইলকে দেওয়া যাবে না: এরদোগান সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি ৪ নির্দেশনা দিয়ে করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর

তারেকের সম্মতি নিয়েই শপথ নেওয়ার দাবি সাংসদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দলীয় সিদ্ধান্ত মেনেই শপথ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির দুই সাংসদ। আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে গিয়ে সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিএনপি দলীয় সাংসদ উকিল আবদুস সাত্তার ও হারুনুর রশিদ সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন।

আবদুস সাত্তার বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলাপ করে তাঁর সম্মতিতে সংসদে এসে শপথ নিয়েছি।’

আরেক সদস্য হারুনুর রশিদ বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তেই তাঁরা সংসদে এসেছেন। তাঁদের ওপর সরকারের চাপ ছিল, তবে সে কারণে তাঁরা সংসদে আসেননি। তিনি বলেন, সংসদে তাঁরা নতুন নির্বাচন দাবি করবেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি চাইবেন।

হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আমরা দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। আসলে এ সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে না। জনগণের ভোটে এ সরকার নির্বাচিত হয়নি। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হয়নি। যে কারণে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচনে যে ফল মানুষ প্রত্যাশা করেছিল, তা পায়নি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা শপথ নিয়েছি। ভোট চুরির মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। চুরি করে ক্ষমতায় আসার জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। এটিকে ঠিক করার দায়িত্ব সরকারের। কীভাবে জনগণের প্রতিনিধির মাধ্যমের সরকার গঠন করা যায় সে দায়িত্ব সরকারের।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, নিম্ন আদালতের ফরমায়েশি রায়ে তাঁকে কারাগারে রাখা হয়েছে। অথচ দেশের ফাঁসির আসামি, মাদকের আসামির মতো জঘন্য আসামিরা জামিনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই আমরা আশা করব সরকার অবিলম্ব খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তি দেবে এবং তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করবে।’ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সম্মতি থাকলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আসেননি কেন? এ প্রশ্নের জবাবে হারুনুর রশীদ বলেন, ‘মহাসচিবের বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। এ বিষয়ে তাঁকেই জিজ্ঞেস করেন, তিনি ভালো বলতে পারবেন।’

দলের সম্মতি থাকলে শপথ নেওয়ার পর আপনাদের সদস্য জাহিদুর রহমানকে দল বহিষ্কার করেছে কেন? এ প্রশ্নের জবাবে হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আগে শপথ নেওয়ায় তিনি আজ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এখন দল হয়তো তার ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। জাহিদুর রহমান হয়তো লিখিতভাবে ক্ষমা চাইবেন। দল বিবেচনা করবে।’

আপনারা কি পাঁচ বছরের জন্য এই সংসদকে বৈধতা দিতে এসেছেন? এ প্রশ্নের জবাব তিনি বলেন, ‘আমরা এই সংসদকে বৈধতা দিতে আসিনি। দেশে আইনের শাসন নাই, সুশাসন নাই, দেশে অরাজকতা চলছে, ১৭ কোটি মানুষকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে- এই বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য আমরা সংসদে এসেছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন

তারেকের সম্মতি নিয়েই শপথ নেওয়ার দাবি সাংসদের

আপডেট সময় ০৬:৪৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দলীয় সিদ্ধান্ত মেনেই শপথ নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপির দুই সাংসদ। আজ সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে গিয়ে সাংসদ হিসেবে শপথ নেওয়ার পর বিএনপি দলীয় সাংসদ উকিল আবদুস সাত্তার ও হারুনুর রশিদ সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন।

আবদুস সাত্তার বলেন, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলাপ করে তাঁর সম্মতিতে সংসদে এসে শপথ নিয়েছি।’

আরেক সদস্য হারুনুর রশিদ বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তেই তাঁরা সংসদে এসেছেন। তাঁদের ওপর সরকারের চাপ ছিল, তবে সে কারণে তাঁরা সংসদে আসেননি। তিনি বলেন, সংসদে তাঁরা নতুন নির্বাচন দাবি করবেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি চাইবেন।

হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আমরা দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। আসলে এ সংসদ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছে না। জনগণের ভোটে এ সরকার নির্বাচিত হয়নি। ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন হয়নি। যে কারণে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে। নির্বাচনে যে ফল মানুষ প্রত্যাশা করেছিল, তা পায়নি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমরা শপথ নিয়েছি। ভোট চুরির মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। চুরি করে ক্ষমতায় আসার জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। এটিকে ঠিক করার দায়িত্ব সরকারের। কীভাবে জনগণের প্রতিনিধির মাধ্যমের সরকার গঠন করা যায় সে দায়িত্ব সরকারের।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, নিম্ন আদালতের ফরমায়েশি রায়ে তাঁকে কারাগারে রাখা হয়েছে। অথচ দেশের ফাঁসির আসামি, মাদকের আসামির মতো জঘন্য আসামিরা জামিনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই আমরা আশা করব সরকার অবিলম্ব খালেদা জিয়াকে জামিনে মুক্তি দেবে এবং তাঁর সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করবে।’ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সম্মতি থাকলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আসেননি কেন? এ প্রশ্নের জবাবে হারুনুর রশীদ বলেন, ‘মহাসচিবের বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। এ বিষয়ে তাঁকেই জিজ্ঞেস করেন, তিনি ভালো বলতে পারবেন।’

দলের সম্মতি থাকলে শপথ নেওয়ার পর আপনাদের সদস্য জাহিদুর রহমানকে দল বহিষ্কার করেছে কেন? এ প্রশ্নের জবাবে হারুনুর রশীদ বলেন, ‘আগে শপথ নেওয়ায় তিনি আজ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসনের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। এখন দল হয়তো তার ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। জাহিদুর রহমান হয়তো লিখিতভাবে ক্ষমা চাইবেন। দল বিবেচনা করবে।’

আপনারা কি পাঁচ বছরের জন্য এই সংসদকে বৈধতা দিতে এসেছেন? এ প্রশ্নের জবাব তিনি বলেন, ‘আমরা এই সংসদকে বৈধতা দিতে আসিনি। দেশে আইনের শাসন নাই, সুশাসন নাই, দেশে অরাজকতা চলছে, ১৭ কোটি মানুষকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে- এই বিষয়গুলো তুলে ধরার জন্য আমরা সংসদে এসেছি।’