ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

খালেদার প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আপিল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে জমা পড়া তিনটি মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়া।

বুধবার আপিল করার শেষ দিন বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা এই আপিল আবেদন জমা দেন। এর মধ্যে ফেনী-১ আসনের জন্য কায়সার কামাল, বগুড়া-৬ আসনের জন্য নওশাদ জমির বগুড়া-৭ আসনের জন্য আপিল আবেদন জমা দেন মাসুম আহমেদ কামাল।

এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে এই তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল বিএনপি নেত্রীর নামে। রবিবার যাচাই বাছাইয়ে তিনটিই অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

সংবিধান অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দুই বছর বা তার চেয়ে বেশি সাজা হলে তিনি ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না। আর উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, দণ্ড স্থগিত না হলে তিনি ভোটে অযোগ্য হবেন।

দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার দণ্ড হয়েছে ১৭ বছর। আর উচ্চ আদালতে একটির বিরুদ্ধে আপিল এবং একটিতে চেম্বার জজ আদালতে সাময়িক আপিল হলেও দণ্ড স্থগিত করাতে পারেনি বিএনপি।

রবিবার তিনশ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হয় মোট ৫৮৬টি। এর মধ্যে বিএনপির ১৪১ জন, আওয়ামী লীগের তিন জন। বাকিদের সিংহভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই আদেশের বিরুদ্ধে সোমবার ৮৪ জন, মঙ্গলবার ২৩৪ জন আপিল করেন। আজ বুধবারই শেষ দিন।

আগামী তিন দিন এসব আবেদনের ওপর শুনানি করে সেগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।

বিএনপি নেত্রীর আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, ‘জেলে থাকায় খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে আমরা তিনজন আইনজীবী এসেছি। আমরা আশা করছি, আইন যদি নিজস্ব গতিতে চলে এবং নির্বাচন কমিশন যদি ফেয়ারলি ডিসাইড (নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেয়) করে তাহলে আমরা নির্বাচন কমিশন থেকেই খালেদা জিয়ার পক্ষে রায় পাব।

কমিশনের শুনানিতে সন্তুষ্ট না হলে উচ্চ আদালতে যাওয়ারও সুযোগ আছে প্রার্থীর। কায়সার কামাল বলেন, ‘আমরা কমিশনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখছি। আর কমিশন যদি আইন অনুসরণ করে তাহলে সব সম্ভব। যে আইনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রগুলো বাতিল করা হয়েছে; সেই আইন এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। আমরা প্রত্যাশা করি আইনগতভাবে বিবেচনা করবেন এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে এই সিদ্ধান্ত আসবে।’

‘খালেদা জিয়ার যে দুটো মামলা কনভিকশন (সাজা) হয়েছে সেই দুটোরই বিরুদ্ধেই আপিল করা হয়েছে। আমরা সেই দৃষ্টি ভঙ্গি দিয়ে বলছি, খালেদা জিয়ার যে আপলি হয়েছে সেটা আমলে নিয়ে ফাইনালিটি পর্যন্ত না পৌঁছায়নি বা সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক কোন ধরনের রায় এখনও আসেনি। সেজন্য আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন এবং আমাদের দেশের অনেক নজির আছে এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার কফলার

খালেদার প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আপিল

আপডেট সময় ০২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে জমা পড়া তিনটি মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়া।

বুধবার আপিল করার শেষ দিন বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা এই আপিল আবেদন জমা দেন। এর মধ্যে ফেনী-১ আসনের জন্য কায়সার কামাল, বগুড়া-৬ আসনের জন্য নওশাদ জমির বগুড়া-৭ আসনের জন্য আপিল আবেদন জমা দেন মাসুম আহমেদ কামাল।

এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে এই তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল বিএনপি নেত্রীর নামে। রবিবার যাচাই বাছাইয়ে তিনটিই অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

সংবিধান অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দুই বছর বা তার চেয়ে বেশি সাজা হলে তিনি ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না। আর উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, দণ্ড স্থগিত না হলে তিনি ভোটে অযোগ্য হবেন।

দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার দণ্ড হয়েছে ১৭ বছর। আর উচ্চ আদালতে একটির বিরুদ্ধে আপিল এবং একটিতে চেম্বার জজ আদালতে সাময়িক আপিল হলেও দণ্ড স্থগিত করাতে পারেনি বিএনপি।

রবিবার তিনশ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হয় মোট ৫৮৬টি। এর মধ্যে বিএনপির ১৪১ জন, আওয়ামী লীগের তিন জন। বাকিদের সিংহভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই আদেশের বিরুদ্ধে সোমবার ৮৪ জন, মঙ্গলবার ২৩৪ জন আপিল করেন। আজ বুধবারই শেষ দিন।

আগামী তিন দিন এসব আবেদনের ওপর শুনানি করে সেগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।

বিএনপি নেত্রীর আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, ‘জেলে থাকায় খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে আমরা তিনজন আইনজীবী এসেছি। আমরা আশা করছি, আইন যদি নিজস্ব গতিতে চলে এবং নির্বাচন কমিশন যদি ফেয়ারলি ডিসাইড (নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেয়) করে তাহলে আমরা নির্বাচন কমিশন থেকেই খালেদা জিয়ার পক্ষে রায় পাব।

কমিশনের শুনানিতে সন্তুষ্ট না হলে উচ্চ আদালতে যাওয়ারও সুযোগ আছে প্রার্থীর। কায়সার কামাল বলেন, ‘আমরা কমিশনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখছি। আর কমিশন যদি আইন অনুসরণ করে তাহলে সব সম্ভব। যে আইনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রগুলো বাতিল করা হয়েছে; সেই আইন এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। আমরা প্রত্যাশা করি আইনগতভাবে বিবেচনা করবেন এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে এই সিদ্ধান্ত আসবে।’

‘খালেদা জিয়ার যে দুটো মামলা কনভিকশন (সাজা) হয়েছে সেই দুটোরই বিরুদ্ধেই আপিল করা হয়েছে। আমরা সেই দৃষ্টি ভঙ্গি দিয়ে বলছি, খালেদা জিয়ার যে আপলি হয়েছে সেটা আমলে নিয়ে ফাইনালিটি পর্যন্ত না পৌঁছায়নি বা সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক কোন ধরনের রায় এখনও আসেনি। সেজন্য আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন এবং আমাদের দেশের অনেক নজির আছে এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করবে।’