ঢাকা ০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খালেদার প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আপিল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে জমা পড়া তিনটি মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়া।

বুধবার আপিল করার শেষ দিন বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা এই আপিল আবেদন জমা দেন। এর মধ্যে ফেনী-১ আসনের জন্য কায়সার কামাল, বগুড়া-৬ আসনের জন্য নওশাদ জমির বগুড়া-৭ আসনের জন্য আপিল আবেদন জমা দেন মাসুম আহমেদ কামাল।

এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে এই তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল বিএনপি নেত্রীর নামে। রবিবার যাচাই বাছাইয়ে তিনটিই অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

সংবিধান অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দুই বছর বা তার চেয়ে বেশি সাজা হলে তিনি ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না। আর উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, দণ্ড স্থগিত না হলে তিনি ভোটে অযোগ্য হবেন।

দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার দণ্ড হয়েছে ১৭ বছর। আর উচ্চ আদালতে একটির বিরুদ্ধে আপিল এবং একটিতে চেম্বার জজ আদালতে সাময়িক আপিল হলেও দণ্ড স্থগিত করাতে পারেনি বিএনপি।

রবিবার তিনশ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হয় মোট ৫৮৬টি। এর মধ্যে বিএনপির ১৪১ জন, আওয়ামী লীগের তিন জন। বাকিদের সিংহভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই আদেশের বিরুদ্ধে সোমবার ৮৪ জন, মঙ্গলবার ২৩৪ জন আপিল করেন। আজ বুধবারই শেষ দিন।

আগামী তিন দিন এসব আবেদনের ওপর শুনানি করে সেগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।

বিএনপি নেত্রীর আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, ‘জেলে থাকায় খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে আমরা তিনজন আইনজীবী এসেছি। আমরা আশা করছি, আইন যদি নিজস্ব গতিতে চলে এবং নির্বাচন কমিশন যদি ফেয়ারলি ডিসাইড (নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেয়) করে তাহলে আমরা নির্বাচন কমিশন থেকেই খালেদা জিয়ার পক্ষে রায় পাব।

কমিশনের শুনানিতে সন্তুষ্ট না হলে উচ্চ আদালতে যাওয়ারও সুযোগ আছে প্রার্থীর। কায়সার কামাল বলেন, ‘আমরা কমিশনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখছি। আর কমিশন যদি আইন অনুসরণ করে তাহলে সব সম্ভব। যে আইনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রগুলো বাতিল করা হয়েছে; সেই আইন এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। আমরা প্রত্যাশা করি আইনগতভাবে বিবেচনা করবেন এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে এই সিদ্ধান্ত আসবে।’

‘খালেদা জিয়ার যে দুটো মামলা কনভিকশন (সাজা) হয়েছে সেই দুটোরই বিরুদ্ধেই আপিল করা হয়েছে। আমরা সেই দৃষ্টি ভঙ্গি দিয়ে বলছি, খালেদা জিয়ার যে আপলি হয়েছে সেটা আমলে নিয়ে ফাইনালিটি পর্যন্ত না পৌঁছায়নি বা সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক কোন ধরনের রায় এখনও আসেনি। সেজন্য আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন এবং আমাদের দেশের অনেক নজির আছে এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

খালেদার প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আপিল

আপডেট সময় ০২:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে জমা পড়া তিনটি মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম জিয়া।

বুধবার আপিল করার শেষ দিন বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা এই আপিল আবেদন জমা দেন। এর মধ্যে ফেনী-১ আসনের জন্য কায়সার কামাল, বগুড়া-৬ আসনের জন্য নওশাদ জমির বগুড়া-৭ আসনের জন্য আপিল আবেদন জমা দেন মাসুম আহমেদ কামাল।

এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে এই তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল বিএনপি নেত্রীর নামে। রবিবার যাচাই বাছাইয়ে তিনটিই অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

সংবিধান অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দুই বছর বা তার চেয়ে বেশি সাজা হলে তিনি ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না। আর উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, দণ্ড স্থগিত না হলে তিনি ভোটে অযোগ্য হবেন।

দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার দণ্ড হয়েছে ১৭ বছর। আর উচ্চ আদালতে একটির বিরুদ্ধে আপিল এবং একটিতে চেম্বার জজ আদালতে সাময়িক আপিল হলেও দণ্ড স্থগিত করাতে পারেনি বিএনপি।

রবিবার তিনশ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হয় মোট ৫৮৬টি। এর মধ্যে বিএনপির ১৪১ জন, আওয়ামী লীগের তিন জন। বাকিদের সিংহভাগই স্বতন্ত্র প্রার্থী। এই আদেশের বিরুদ্ধে সোমবার ৮৪ জন, মঙ্গলবার ২৩৪ জন আপিল করেন। আজ বুধবারই শেষ দিন।

আগামী তিন দিন এসব আবেদনের ওপর শুনানি করে সেগুলো নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।

বিএনপি নেত্রীর আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, ‘জেলে থাকায় খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে আমরা তিনজন আইনজীবী এসেছি। আমরা আশা করছি, আইন যদি নিজস্ব গতিতে চলে এবং নির্বাচন কমিশন যদি ফেয়ারলি ডিসাইড (নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেয়) করে তাহলে আমরা নির্বাচন কমিশন থেকেই খালেদা জিয়ার পক্ষে রায় পাব।

কমিশনের শুনানিতে সন্তুষ্ট না হলে উচ্চ আদালতে যাওয়ারও সুযোগ আছে প্রার্থীর। কায়সার কামাল বলেন, ‘আমরা কমিশনের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখছি। আর কমিশন যদি আইন অনুসরণ করে তাহলে সব সম্ভব। যে আইনে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্রগুলো বাতিল করা হয়েছে; সেই আইন এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। আমরা প্রত্যাশা করি আইনগতভাবে বিবেচনা করবেন এবং খালেদা জিয়ার পক্ষে এই সিদ্ধান্ত আসবে।’

‘খালেদা জিয়ার যে দুটো মামলা কনভিকশন (সাজা) হয়েছে সেই দুটোরই বিরুদ্ধেই আপিল করা হয়েছে। আমরা সেই দৃষ্টি ভঙ্গি দিয়ে বলছি, খালেদা জিয়ার যে আপলি হয়েছে সেটা আমলে নিয়ে ফাইনালিটি পর্যন্ত না পৌঁছায়নি বা সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক কোন ধরনের রায় এখনও আসেনি। সেজন্য আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন এবং আমাদের দেশের অনেক নজির আছে এসব বিষয় বিবেচনা নিয়ে খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করবে।’