অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
তাবলিগ জামাতের চলমান সংঘাত নিয়ে ঢাকার কাকরাইল মসজিদ ও টঙ্গীর বিশ্ব ইজতোম মাঠ দুভাগ করার দাবি করছে তাবলিগ জামাতের একটি অংশ।
মাওলানা সাদ পন্থী অনুসারীরা বলছে, তাবলিগ জামাতের দুই গ্রুপের মধ্যে দূরত্ব অনেক বেড়ে গেছে।
মাওলানা সাদের অনুসারী অন্যতম এক নেতা রেজা আরিফ গণমাধ্যমকে বলেন, টঙ্গির মাঠটাকে ইজতেমার জন্য দেয়া হয়েছে ও কাকরাইল মসজিদ তবলিগের জন্য দেয়া হয়েছে। তাহলে টঙ্গির মাঠের সুষ্ঠু বণ্টন হতে পারে। অর্ধেক-অর্ধেক হতে পারে, আবার হয়তো সরকারের হাতে থাকতে পারে টঙ্গির মাঠ। যাদের তাবলিগের প্রয়োজন তখন তারা অনুমতি নিয়ে ব্যবহার করতে পারে।
আরিফ বলেন, ইচ্ছে করলেই কাকরাইল মসজিদকে দুই ভাগ করে দেয়া সম্ভব।
দুইটি আলাদা গেইট করা সম্ভব। দুই্টি আলাদা মসজিদ করাও সম্ভব। যে যার-যার মতো করে ব্যবহার করুক। যখন আমাদের কাকরাইলে থাকার কথা তখন আমরা কাকরাইলে থাকি আর ওরা টঙ্গিতে থাকে।
তিনি বলেন, আবার ওদের যখন কাকরাইলে থাকার কথা, তখনও ওরা টঙ্গিতে থাকে। এ অন্যায়গুলোর কারণে আমাদের চাওয়া হচ্ছে টঙ্গি এবং কাকরাইল সম-বণ্টন হয়ে যাক।
ওই নেতা মনে করেন, ‘ইসলামের স্বার্থেই’ এ দুটো জায়গা ভাগ করে দেয়া যুক্তিসঙ্গত।
এদিকে মাওলানা সাদ কান্দালভির বিরোধী অংশ বলছে, মসজিদ কিংবা ইজতেমা ময়দান ভাগ করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।
মাওলানা সাদ বিরোধী একজন নেতা মাহফুজ হান্নান বলেন, এটা তো মৃত ব্যক্তির সন্তানদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ করার মতো কোনো বিষয় না। তাছাড়া সাদ অনুসারীরা তো এখন আর মূল তাবলিগ জামাতে নেই। সেজন্য ওনারা কিছুই পাবেন না।
এদিকে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে তাবলিগ জামাতের দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। মাওলানা যোবায়ের আহমেদ পন্থীদের পক্ষে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলাটি করা হয়।
সোমবার দুপুরে মাওলানা আবদুল ওয়াহাব বাদী হয়ে (মামলা নং-০২) মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় ১৪৩/৪৪৮/৩২৩-২৫/৩০৭/৪২৭ ধারায় মাওলানা ইলিয়াস, আনিছুর রহমান, ফরিদ শিকদার, মনির হোসেন, ফয়সাল শিকদার, মাকসুদুর রহমান, আব্দুর রউফ, মো. বেলাল হোসেন, বশির উল আমীন, মাসুদ পাটোয়ারী, মুফতি আল আমিনসহ ২৮ জনের নামোল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১০০-১৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















