ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা সবার জন্য সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য: ডা. জুবাইদা জাপানে ভারী তুষারপাতে ৩৫ জনের মৃত্যু সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ সৈয়দপুরে পুলিশ সদস্যদের মারধর করে আসামি ছিনতাই

খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন: ড. এমাজউদ্দীন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হলেও কয়েক বছরের মাথায় গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়ে। অবশেষে ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন। কিন্তু বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কতটুকু এখনো তা বলা কঠিন।

মঙ্গলবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এম সলিমুল্লাহ খানের ‘বাংলাদেশ; হু ভোট? হাউ ডু দে ভোট?’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, গণতন্ত্রের পরিমাপক হলো ভোট। ভোটাধিকারই গণতন্ত্রের ভিত্তি। কারো অমতে কাউকে শাসন করা অথবা কারো ওপর ট্যাক্স আরোপ করা মানুষ পছন্দ করে না। তাই অতি প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণতন্ত্রের চর্চা করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, জনগণ নিজেরাই ঠিক করে; কে তাদের শাসক হবেন। খ্রিস্টপূর্ব পাঁচ হাজার বছর আগে গণতন্ত্রের জন্ম হলেও মাত্র ২০০ বছর আগে থেকে আমরা এর চর্চা করে আসছি। বর্তমানে এটি বহুল আলোচিত ও গ্রহণযোগ্য শাসক নির্বাচন পদ্ধতি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ঢাবি সাবেক এ উপাচার্য বলেন, বর্তমান শিক্ষার্থীদের অবশ্যই বিশ্বমানের নাগরিক হতে হবে। এজন্য একাধিক ভাষা শিক্ষাসহ জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করতে হবে। বাংলাদেশিরা সুযোগ পেলে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম।

তিনি বলেন, যুবকদের স্বপ্ন দেখা শিখতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কারণ বাংলাদেশের জনগণ রক্ত দিয়েছে, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেনি।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সামসুন্নাহার খানমের সভাপতিত্বে ও বিভাগীয় শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় বইটির গ্রন্থকার এম সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘বাংলাদেশ; হু ভোট? হাউ ডু দে ভোট?’ বইটি মূলত বাংলাদেশের নির্বাচনে ভোটাধিকারের বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

১৭ জন বিদেশি গবেষক এবং দেশের অসংখ্য গবেষকদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পরিশ্রমের ফসল এই বই। এই বইটি বাংলাদেশ ও বিশ্ব রাজনীতিতে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন এমাজউদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম, অধ্যাপক নইম সুলতান, অধ্যাপক মো. শামছুল আলম সেলিম, অধ্যাপক নাসরীন সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক মোছা. তমালিকা সুলতানা, মো. সাজেদুর রাহমান, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, কামরুল হাসান, ড. সানওয়ার সিরাজ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান

খালেদা জিয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন: ড. এমাজউদ্দীন

আপডেট সময় ১১:০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হলেও কয়েক বছরের মাথায় গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়ে। অবশেষে ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়া হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন। কিন্তু বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কতটুকু এখনো তা বলা কঠিন।

মঙ্গলবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এম সলিমুল্লাহ খানের ‘বাংলাদেশ; হু ভোট? হাউ ডু দে ভোট?’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, গণতন্ত্রের পরিমাপক হলো ভোট। ভোটাধিকারই গণতন্ত্রের ভিত্তি। কারো অমতে কাউকে শাসন করা অথবা কারো ওপর ট্যাক্স আরোপ করা মানুষ পছন্দ করে না। তাই অতি প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণতন্ত্রের চর্চা করে আসছে।

তিনি আরও বলেন, জনগণ নিজেরাই ঠিক করে; কে তাদের শাসক হবেন। খ্রিস্টপূর্ব পাঁচ হাজার বছর আগে গণতন্ত্রের জন্ম হলেও মাত্র ২০০ বছর আগে থেকে আমরা এর চর্চা করে আসছি। বর্তমানে এটি বহুল আলোচিত ও গ্রহণযোগ্য শাসক নির্বাচন পদ্ধতি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ঢাবি সাবেক এ উপাচার্য বলেন, বর্তমান শিক্ষার্থীদের অবশ্যই বিশ্বমানের নাগরিক হতে হবে। এজন্য একাধিক ভাষা শিক্ষাসহ জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করতে হবে। বাংলাদেশিরা সুযোগ পেলে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম।

তিনি বলেন, যুবকদের স্বপ্ন দেখা শিখতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেয়ার প্রস্তুতি নিতে হবে। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। কারণ বাংলাদেশের জনগণ রক্ত দিয়েছে, কিন্তু অন্যায়ের কাছে মাথানত করেনি।

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সামসুন্নাহার খানমের সভাপতিত্বে ও বিভাগীয় শিক্ষক মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় বইটির গ্রন্থকার এম সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘বাংলাদেশ; হু ভোট? হাউ ডু দে ভোট?’ বইটি মূলত বাংলাদেশের নির্বাচনে ভোটাধিকারের বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

১৭ জন বিদেশি গবেষক এবং দেশের অসংখ্য গবেষকদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পরিশ্রমের ফসল এই বই। এই বইটি বাংলাদেশ ও বিশ্ব রাজনীতিতে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন এমাজউদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- অধ্যাপক আবদুল লতিফ মাসুম, অধ্যাপক নইম সুলতান, অধ্যাপক মো. শামছুল আলম সেলিম, অধ্যাপক নাসরীন সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক মোছা. তমালিকা সুলতানা, মো. সাজেদুর রাহমান, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, কামরুল হাসান, ড. সানওয়ার সিরাজ প্রমুখ।