ঢাকা ১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা সবার জন্য সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য: ডা. জুবাইদা জাপানে ভারী তুষারপাতে ৩৫ জনের মৃত্যু সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ সৈয়দপুরে পুলিশ সদস্যদের মারধর করে আসামি ছিনতাই

গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা থাকলে উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যে উন্নয়নটা করতে পেরেছি, গণতান্ত্রিক ধারা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে সেই উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা এবং সেই অবস্থা থেকে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে আনা; এটাই ছিল আমাদের লক্ষ্য। সবচেয়ে বড় কথা ছিল দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি করা।

বাম গণতান্ত্রিক জোট নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আপনারা যদি বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্রটা দেখেন, তাহলে নিশ্চয়ই এটা স্বীকার করতে বাধ্য হবেন আমরা উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা আজ বিশ্ব উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। বিশাল জনগোষ্ঠীর নিয়েও আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি করতে সক্ষম হচ্ছি। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হার ৭. ৮।

শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরিয়ে আনা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার মতো কঠিন কাজটা এই সময়ের মধ্যে আমরা করতে পেরেছি। কারণ জনগণের সমর্থন ছিল। তাই যুদ্ধাপরাধের বিচার করার পাশাপাশি রায়ও কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী; তারা আবার ক্ষমতায় আসুক বাংলাদেশের জনগণও সেটা চায় না, আমরাও চাই না।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে, ঠিক একই কায়দায় ২০০১ সালে নির্বাচনের পর অত্যাচার নির্যাতন করা হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর।

তিনি বলেন, যে ক্ষমতায় আসে সেই বসে যেতে চায়। খালেদা জিয়া বারোটা মামলা দিয়েছিল সরকারে এসে। আবার দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসেও আরও ৫-৬টি মামলা দেয় আমার বিরুদ্ধে। এক/এগারো সরকার আমাকে (শেখ হাসিনাকে) ইলেকশন না করার প্রস্তাব দিয়েছিল। বিনিময়ে একটি মর্যাদা দেয়ার প্রস্তাব দেয় তারা। কিন্তু আমি, একটি কথা জোর দিয়ে বলেছি, নির্বাচন হবে জনগণ যাকে চাইবে সেই ক্ষমতায় আসবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে আট দলের সমন্বয়ে গঠিত বাম গণতান্ত্রিক জোটের ১৬ নেতা অংশ নেন। তারা হলেন- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, পলিটব্যুরো সদস্য হায়দার আকবর খান রনো, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, আলমগীর হোসেন দুলাল, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন নান্নু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মমিনুর রহমান বিশাল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রণজিৎ কুমার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান

গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা থাকলে উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:৩৭:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যে উন্নয়নটা করতে পেরেছি, গণতান্ত্রিক ধারা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে সেই উন্নয়নের ধারাও অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যা এবং সেই অবস্থা থেকে বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে আনা; এটাই ছিল আমাদের লক্ষ্য। সবচেয়ে বড় কথা ছিল দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি করা।

বাম গণতান্ত্রিক জোট নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আপনারা যদি বাংলাদেশের উন্নয়নের চিত্রটা দেখেন, তাহলে নিশ্চয়ই এটা স্বীকার করতে বাধ্য হবেন আমরা উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা আজ বিশ্ব উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। বিশাল জনগোষ্ঠীর নিয়েও আমরা আমাদের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি করতে সক্ষম হচ্ছি। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হার ৭. ৮।

শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফিরিয়ে আনা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার মতো কঠিন কাজটা এই সময়ের মধ্যে আমরা করতে পেরেছি। কারণ জনগণের সমর্থন ছিল। তাই যুদ্ধাপরাধের বিচার করার পাশাপাশি রায়ও কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী; তারা আবার ক্ষমতায় আসুক বাংলাদেশের জনগণও সেটা চায় না, আমরাও চাই না।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে দেশের মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে, ঠিক একই কায়দায় ২০০১ সালে নির্বাচনের পর অত্যাচার নির্যাতন করা হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর।

তিনি বলেন, যে ক্ষমতায় আসে সেই বসে যেতে চায়। খালেদা জিয়া বারোটা মামলা দিয়েছিল সরকারে এসে। আবার দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসেও আরও ৫-৬টি মামলা দেয় আমার বিরুদ্ধে। এক/এগারো সরকার আমাকে (শেখ হাসিনাকে) ইলেকশন না করার প্রস্তাব দিয়েছিল। বিনিময়ে একটি মর্যাদা দেয়ার প্রস্তাব দেয় তারা। কিন্তু আমি, একটি কথা জোর দিয়ে বলেছি, নির্বাচন হবে জনগণ যাকে চাইবে সেই ক্ষমতায় আসবে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে আট দলের সমন্বয়ে গঠিত বাম গণতান্ত্রিক জোটের ১৬ নেতা অংশ নেন। তারা হলেন- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশিদ ফিরোজ, বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, পলিটব্যুরো সদস্য হায়দার আকবর খান রনো, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, আলমগীর হোসেন দুলাল, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন নান্নু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মমিনুর রহমান বিশাল, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রণজিৎ কুমার।