ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

আমিরাতে ২ কোটি ১১ লাখ টাকা পুরস্কার পেলেন এক বাংলাদেশী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দেশে ১০৩৯ দিরহাম পাঠানোর কিছুক্ষণ পরই ১০ লাখ দিরহামের বিশাল পুরস্কার জিতে নিয়েছেন এক ভাগ্যবান বাংলাদেশী গ্রাহক। মুহূর্তেই তিনি হয়ে গেলেন লাখপতি আর বাংলাদেশী অর্থে হিসাব করলে কোটিপতি! বাংলাদেশী মুদ্রায় ওই পুরস্কারের মূল্যমাণ প্রায় ২ কোটি ১১ লাখ টাকা! মিজানুর রহমান আবদুল ওয়াহাব নামে ওই বাংলাদেশী আবুধাবীর একটি খামারে ২০ বছর ধরে কাজ করেন।

খবর দিয়েছে আরব আমিরাতের পত্রিকা দ্য ন্যাশনাল। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বিশ্বব্যাপী অর্থ আদান-প্রদানের প্রতিষ্ঠান আল আনসারীর একটি বিশেষ ক্যাম্পেইনের অধীনে ওই পুরস্কার পান মিজানুর। এ অর্থে নিজের বাড়ি বানানো ও নিজস্ব ব্যবসা শুরুর স্বপ্নপূরণ হবে তার। প্রায় ২০ বছর ধরে প্রতি মাসে ৬০০ দিরহামের বিনিময়ে আবুধাবীতে কাজ করতেন তিনি।

মিজানুর বলেন, আমার স্বপ্ন ছিল একটি বাড়ি বানানো আর আমার বাবার পুরনো বাড়িটি নতুন মেরামত করা। এখন তার পরিকল্পনা নিজ দেশে পৌঁছে নিজ পরিবারকে সহায়তা করা। বিশেষ করে নিজের ৬ বোনকে।

তিনি বলেন, আমি আমার ছেলেমেয়েদের ভালভাবে পড়াশোনা করাতে পারবো। নিজের একটি ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবো। এতে আমার গ্রামের অনেক তরুণের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। মিজানুর নিজে প্রাথমিক স্কুলের পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি।

তিনি বলেন, আমি এ টাকায় একটি গাড়ি কিনার কথা ভাবছি। যাতে করে দেশজুড়ে ভ্রমণ করা যায়। ১৯৯৬ সালে আবুধাবীতে গিয়েছিলেন মিজানুর। তার পিতাও সেখানে ৮ বছর কাজ করেন। মিজানুরের হাতে ১০ লাখ দিরহামের চেক তুলে দেয়ার পর তিনি বলেন, যে জীবন তিনি চিনতেন, তা পরিবর্তিত হতে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

আমিরাতে ২ কোটি ১১ লাখ টাকা পুরস্কার পেলেন এক বাংলাদেশী

আপডেট সময় ০৩:০১:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দেশে ১০৩৯ দিরহাম পাঠানোর কিছুক্ষণ পরই ১০ লাখ দিরহামের বিশাল পুরস্কার জিতে নিয়েছেন এক ভাগ্যবান বাংলাদেশী গ্রাহক। মুহূর্তেই তিনি হয়ে গেলেন লাখপতি আর বাংলাদেশী অর্থে হিসাব করলে কোটিপতি! বাংলাদেশী মুদ্রায় ওই পুরস্কারের মূল্যমাণ প্রায় ২ কোটি ১১ লাখ টাকা! মিজানুর রহমান আবদুল ওয়াহাব নামে ওই বাংলাদেশী আবুধাবীর একটি খামারে ২০ বছর ধরে কাজ করেন।

খবর দিয়েছে আরব আমিরাতের পত্রিকা দ্য ন্যাশনাল। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বিশ্বব্যাপী অর্থ আদান-প্রদানের প্রতিষ্ঠান আল আনসারীর একটি বিশেষ ক্যাম্পেইনের অধীনে ওই পুরস্কার পান মিজানুর। এ অর্থে নিজের বাড়ি বানানো ও নিজস্ব ব্যবসা শুরুর স্বপ্নপূরণ হবে তার। প্রায় ২০ বছর ধরে প্রতি মাসে ৬০০ দিরহামের বিনিময়ে আবুধাবীতে কাজ করতেন তিনি।

মিজানুর বলেন, আমার স্বপ্ন ছিল একটি বাড়ি বানানো আর আমার বাবার পুরনো বাড়িটি নতুন মেরামত করা। এখন তার পরিকল্পনা নিজ দেশে পৌঁছে নিজ পরিবারকে সহায়তা করা। বিশেষ করে নিজের ৬ বোনকে।

তিনি বলেন, আমি আমার ছেলেমেয়েদের ভালভাবে পড়াশোনা করাতে পারবো। নিজের একটি ব্যবসা দাঁড় করাতে পারবো। এতে আমার গ্রামের অনেক তরুণের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। মিজানুর নিজে প্রাথমিক স্কুলের পর আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি।

তিনি বলেন, আমি এ টাকায় একটি গাড়ি কিনার কথা ভাবছি। যাতে করে দেশজুড়ে ভ্রমণ করা যায়। ১৯৯৬ সালে আবুধাবীতে গিয়েছিলেন মিজানুর। তার পিতাও সেখানে ৮ বছর কাজ করেন। মিজানুরের হাতে ১০ লাখ দিরহামের চেক তুলে দেয়ার পর তিনি বলেন, যে জীবন তিনি চিনতেন, তা পরিবর্তিত হতে যাচ্ছে।