ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন ও চিশতি শ্যোন অ্যারেস্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঋণ মঞ্জুরে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় জেলে বন্দি দি ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ তিন আসামিকে শ্যোন অ্যারেস্ট করার আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি চৌধুরী মোশতাক আহমেদ, ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে সোমবার রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে দুদক।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- চট্টগ্রামের এসএ গ্রুপ ও মেসার্স লায়লা বনস্পতি প্রডাক্ট লিমিটেডের মালিক সাহাবুদ্দীন আলমের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক (পরে পরিচালক) একেএম শামীম ও এসইভিপি দেলোয়ার হোসেন। দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করে পুলিশ। মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তারা ব্যাংকিং রীতিনীতি উপেক্ষা করে এবং সিআইবি রিপোর্ট পরীক্ষা না করে ঋণ মঞ্জুরের আগেই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

দুদকের মামলার আসামি চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. সাহাবুদ্দীন আলম দেশের অন্তত দুই ডজন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি ঋণ জালিয়াতির একটি ঘটনায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের হাতে গ্রেফতার হন। ঋণখেলাপির দায়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে ঋণদাতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা শতাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাকে ।

তিনি নিজেও একটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালক। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকগুলো তেমন কোনো বাছবিচার ছাড়াই অনেকটা জামানতবিহীন ঋণ দিয়েছে এ ব্যবসায়ীকে। ঋণের অর্থে তিনি গড়ে তুলেছেন দেড় ডজন প্রতিষ্ঠান। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণের ভারে নিমজ্জিত এসএ গ্রুপের এ কর্ণধার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন ও চিশতি শ্যোন অ্যারেস্ট

আপডেট সময় ০৫:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঋণ মঞ্জুরে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় জেলে বন্দি দি ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ তিন আসামিকে শ্যোন অ্যারেস্ট করার আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি চৌধুরী মোশতাক আহমেদ, ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে সোমবার রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে দুদক।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- চট্টগ্রামের এসএ গ্রুপ ও মেসার্স লায়লা বনস্পতি প্রডাক্ট লিমিটেডের মালিক সাহাবুদ্দীন আলমের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক (পরে পরিচালক) একেএম শামীম ও এসইভিপি দেলোয়ার হোসেন। দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করে পুলিশ। মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তারা ব্যাংকিং রীতিনীতি উপেক্ষা করে এবং সিআইবি রিপোর্ট পরীক্ষা না করে ঋণ মঞ্জুরের আগেই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

দুদকের মামলার আসামি চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. সাহাবুদ্দীন আলম দেশের অন্তত দুই ডজন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি ঋণ জালিয়াতির একটি ঘটনায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের হাতে গ্রেফতার হন। ঋণখেলাপির দায়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে ঋণদাতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা শতাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাকে ।

তিনি নিজেও একটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালক। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকগুলো তেমন কোনো বাছবিচার ছাড়াই অনেকটা জামানতবিহীন ঋণ দিয়েছে এ ব্যবসায়ীকে। ঋণের অর্থে তিনি গড়ে তুলেছেন দেড় ডজন প্রতিষ্ঠান। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণের ভারে নিমজ্জিত এসএ গ্রুপের এ কর্ণধার।