ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন ও চিশতি শ্যোন অ্যারেস্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঋণ মঞ্জুরে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় জেলে বন্দি দি ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ তিন আসামিকে শ্যোন অ্যারেস্ট করার আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি চৌধুরী মোশতাক আহমেদ, ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে সোমবার রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে দুদক।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- চট্টগ্রামের এসএ গ্রুপ ও মেসার্স লায়লা বনস্পতি প্রডাক্ট লিমিটেডের মালিক সাহাবুদ্দীন আলমের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক (পরে পরিচালক) একেএম শামীম ও এসইভিপি দেলোয়ার হোসেন। দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করে পুলিশ। মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তারা ব্যাংকিং রীতিনীতি উপেক্ষা করে এবং সিআইবি রিপোর্ট পরীক্ষা না করে ঋণ মঞ্জুরের আগেই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

দুদকের মামলার আসামি চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. সাহাবুদ্দীন আলম দেশের অন্তত দুই ডজন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি ঋণ জালিয়াতির একটি ঘটনায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের হাতে গ্রেফতার হন। ঋণখেলাপির দায়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে ঋণদাতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা শতাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাকে ।

তিনি নিজেও একটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালক। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকগুলো তেমন কোনো বাছবিচার ছাড়াই অনেকটা জামানতবিহীন ঋণ দিয়েছে এ ব্যবসায়ীকে। ঋণের অর্থে তিনি গড়ে তুলেছেন দেড় ডজন প্রতিষ্ঠান। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণের ভারে নিমজ্জিত এসএ গ্রুপের এ কর্ণধার।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন ও চিশতি শ্যোন অ্যারেস্ট

আপডেট সময় ০৫:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঋণ মঞ্জুরে অনিয়ম ও দুর্নীতির মামলায় জেলে বন্দি দি ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ তিন আসামিকে শ্যোন অ্যারেস্ট করার আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি চৌধুরী মোশতাক আহমেদ, ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক সভাপতি বাবুল চিশতি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে সোমবার রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে দুদক।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- চট্টগ্রামের এসএ গ্রুপ ও মেসার্স লায়লা বনস্পতি প্রডাক্ট লিমিটেডের মালিক সাহাবুদ্দীন আলমের স্ত্রী ইয়াসমিন আলম, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক (পরে পরিচালক) একেএম শামীম ও এসইভিপি দেলোয়ার হোসেন। দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করে পুলিশ। মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, তারা ব্যাংকিং রীতিনীতি উপেক্ষা করে এবং সিআইবি রিপোর্ট পরীক্ষা না করে ঋণ মঞ্জুরের আগেই চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দীন আলমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ২৯ কোটি ৫১ লাখ ৮৫ হাজার ৮২০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।

দুদকের মামলার আসামি চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী মো. সাহাবুদ্দীন আলম দেশের অন্তত দুই ডজন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি ঋণ জালিয়াতির একটি ঘটনায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের হাতে গ্রেফতার হন। ঋণখেলাপির দায়ে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আদালতে ঋণদাতা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা শতাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাকে ।

তিনি নিজেও একটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালক। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকগুলো তেমন কোনো বাছবিচার ছাড়াই অনেকটা জামানতবিহীন ঋণ দিয়েছে এ ব্যবসায়ীকে। ঋণের অর্থে তিনি গড়ে তুলেছেন দেড় ডজন প্রতিষ্ঠান। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণের ভারে নিমজ্জিত এসএ গ্রুপের এ কর্ণধার।