ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাপ আর ভারতীয়র দেখা একসঙ্গে পেলে, আগে ভারতীয়কে মারা উচিত: এপস্টেইন নথি ‘আগামীতে এমনও শুনতে হবে জামায়াত দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল’:সালাহউদ্দিন দায়িত্ব শেষে আমি নাগরিক সমাজের কাজে ফিরে যাবো : শিক্ষা উপদেষ্টা পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্রি ওয়াইফাই সেবা পৌঁছে দিবেন তারেক রহমান: আব্দুস সালাম আমিও আ.লীগের দায়িত্ব নিয়ে নিলাম: নুর ব্যবহৃত মোবাইল কেনাবেচায় নতুন নিয়ম, সতর্ক করল বিটিআরসি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে অর্থ বরাদ্দে সরকার কার্পণ্য করছে না : অর্থ উপদেষ্টা ‘জনগণ জানে চুলার মুখ দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না: মির্জা আব্বাস

আমাদের অভিজ্ঞতা খুব তিক্ত: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমতায় থাকলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করণীয় আমরা তা করব। তবে না থাকলে কী হবে সেটা বলতে পারি না। কারণ আমাদের অভিজ্ঞতাটা খুব তিক্ত।

রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শিল্পের বহুমুখীকরণ করতে চাই। কোন অঞ্চলে কোন পণ্যের উৎপাদন বেশি, কী ধরনের বাজার চাহিদা আছে দেশে-বিদেশে সেটা বিবেচনায় নিয়েই আমাদের শিল্পায়ন করতে হবে, উৎপাদন করতে হবে।

তিনি বলেন, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৬৬৬ কোটি ৮২ লাখ (৩৬.৬৬ বিলিয়ন) ডলার আয় করে। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারই এসেছিল তৈরি পোশাক রফতানি থেকে।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রফতানি করে ৩৯ বিলিয়ন (৩ হাজার ৯০০ কোটি) ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

রফতানি আয় ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করণীয় আমরা তা করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ক্ষমতায় আছি। আগামীতে নির্বাচন। বাংলাদেশের মানুষ যদি ভোট দেয় তাহলে আমরা আমাদের এই লক্ষ্যগুলো পূরণ করতে পারব। আমরা আমাদের কাজগুলো করতে পারব।

আর যদি না দেয়, হ্যাঁ সবসময় প্রচেষ্টা থাকবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তারপরে কি হবে সেটা বলতে পারি না। কারণ আমাদের অভিজ্ঞতাটা খুব তিক্ত।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল, তখনো বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছিল, সাক্ষরতার হার বেড়েছিল। বাংলাদেশ উদ্বৃত্ব খাদ্যের দেশ হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে প্রথমবারের মতো সফল ‘পেকটাস ও ইটিএস’ সমন্বিত অস্ত্রোপচার

আমাদের অভিজ্ঞতা খুব তিক্ত: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমতায় থাকলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করণীয় আমরা তা করব। তবে না থাকলে কী হবে সেটা বলতে পারি না। কারণ আমাদের অভিজ্ঞতাটা খুব তিক্ত।

রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শিল্পের বহুমুখীকরণ করতে চাই। কোন অঞ্চলে কোন পণ্যের উৎপাদন বেশি, কী ধরনের বাজার চাহিদা আছে দেশে-বিদেশে সেটা বিবেচনায় নিয়েই আমাদের শিল্পায়ন করতে হবে, উৎপাদন করতে হবে।

তিনি বলেন, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৬৬৬ কোটি ৮২ লাখ (৩৬.৬৬ বিলিয়ন) ডলার আয় করে। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারই এসেছিল তৈরি পোশাক রফতানি থেকে।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রফতানি করে ৩৯ বিলিয়ন (৩ হাজার ৯০০ কোটি) ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

রফতানি আয় ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করণীয় আমরা তা করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ক্ষমতায় আছি। আগামীতে নির্বাচন। বাংলাদেশের মানুষ যদি ভোট দেয় তাহলে আমরা আমাদের এই লক্ষ্যগুলো পূরণ করতে পারব। আমরা আমাদের কাজগুলো করতে পারব।

আর যদি না দেয়, হ্যাঁ সবসময় প্রচেষ্টা থাকবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তারপরে কি হবে সেটা বলতে পারি না। কারণ আমাদের অভিজ্ঞতাটা খুব তিক্ত।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল, তখনো বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছিল, সাক্ষরতার হার বেড়েছিল। বাংলাদেশ উদ্বৃত্ব খাদ্যের দেশ হয়েছিল।