ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি ব্যবসায়ীকে আটকে চাঁদা দাবি: ডিজিএফআই সদস্যসহ কারাগারে ৬ দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে

আমাদের অভিজ্ঞতা খুব তিক্ত: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমতায় থাকলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করণীয় আমরা তা করব। তবে না থাকলে কী হবে সেটা বলতে পারি না। কারণ আমাদের অভিজ্ঞতাটা খুব তিক্ত।

রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শিল্পের বহুমুখীকরণ করতে চাই। কোন অঞ্চলে কোন পণ্যের উৎপাদন বেশি, কী ধরনের বাজার চাহিদা আছে দেশে-বিদেশে সেটা বিবেচনায় নিয়েই আমাদের শিল্পায়ন করতে হবে, উৎপাদন করতে হবে।

তিনি বলেন, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৬৬৬ কোটি ৮২ লাখ (৩৬.৬৬ বিলিয়ন) ডলার আয় করে। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারই এসেছিল তৈরি পোশাক রফতানি থেকে।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রফতানি করে ৩৯ বিলিয়ন (৩ হাজার ৯০০ কোটি) ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

রফতানি আয় ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করণীয় আমরা তা করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ক্ষমতায় আছি। আগামীতে নির্বাচন। বাংলাদেশের মানুষ যদি ভোট দেয় তাহলে আমরা আমাদের এই লক্ষ্যগুলো পূরণ করতে পারব। আমরা আমাদের কাজগুলো করতে পারব।

আর যদি না দেয়, হ্যাঁ সবসময় প্রচেষ্টা থাকবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তারপরে কি হবে সেটা বলতে পারি না। কারণ আমাদের অভিজ্ঞতাটা খুব তিক্ত।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল, তখনো বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছিল, সাক্ষরতার হার বেড়েছিল। বাংলাদেশ উদ্বৃত্ব খাদ্যের দেশ হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিমানবন্দর কাণ্ড: জামিন পেলেন না মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান

আমাদের অভিজ্ঞতা খুব তিক্ত: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ক্ষমতায় থাকলে অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করণীয় আমরা তা করব। তবে না থাকলে কী হবে সেটা বলতে পারি না। কারণ আমাদের অভিজ্ঞতাটা খুব তিক্ত।

রোববার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত ‘ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শিল্পের বহুমুখীকরণ করতে চাই। কোন অঞ্চলে কোন পণ্যের উৎপাদন বেশি, কী ধরনের বাজার চাহিদা আছে দেশে-বিদেশে সেটা বিবেচনায় নিয়েই আমাদের শিল্পায়ন করতে হবে, উৎপাদন করতে হবে।

তিনি বলেন, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ৩ হাজার ৬৬৬ কোটি ৮২ লাখ (৩৬.৬৬ বিলিয়ন) ডলার আয় করে। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলারই এসেছিল তৈরি পোশাক রফতানি থেকে।

চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রফতানি করে ৩৯ বিলিয়ন (৩ হাজার ৯০০ কোটি) ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার, যা গত অর্থবছরের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।

রফতানি আয় ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যা যা করণীয় আমরা তা করব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ক্ষমতায় আছি। আগামীতে নির্বাচন। বাংলাদেশের মানুষ যদি ভোট দেয় তাহলে আমরা আমাদের এই লক্ষ্যগুলো পূরণ করতে পারব। আমরা আমাদের কাজগুলো করতে পারব।

আর যদি না দেয়, হ্যাঁ সবসময় প্রচেষ্টা থাকবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। তারপরে কি হবে সেটা বলতে পারি না। কারণ আমাদের অভিজ্ঞতাটা খুব তিক্ত।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল, তখনো বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছিল, সাক্ষরতার হার বেড়েছিল। বাংলাদেশ উদ্বৃত্ব খাদ্যের দেশ হয়েছিল।