ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঘরের যে ৭ খাবার হতে পারে মৃত্যুর কারণ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বেশির ভাগ মানুষ মনে করে সব ধরণের ফল ও সবজিই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু আপনার এই ধারনা মোটেও ঠিক নয়। এমন অনেক ফল ও সবজি আছে যাদের বিশেষ কোনও অংশ বিষাক্ত উপাদানে ভরপুর, যা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। হতে পারে মৃত্যু

আপনার রান্নাঘরেই রয়েছে এমন কিছু বিষাক্ত খাবার যা আপনি নিজেই জানেন না।

আসুন জেনে নেই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে।

আলু :

এমনিতে আলু খাওয়া নিরাপদ। কিন্তু আলুর পাতা ও কাণ্ডে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে। বাড়িতে অনেক দিন পর্যন্ত আলু রেখে দিলে এর মধ্যে গ্যাঁজ অঙ্কুর হয়ে যায়। এই গ্যাঁজ বা অঙ্কুরে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে যা আলোর সংস্পর্শে বৃদ্ধি পায়। এই জন্য আলু সব সময় ঠাণ্ডা ও অন্ধকার জায়গায় রাখতে হয়। সবুজাভ ও গ্যাঁজ হওয়া আলু খেলে ডায়রিয়া, মাথাব্যাথা-সহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কাঁচা মধু :

কাঁচা মধুতে গ্রায়ানক্সিন থাকে। তাই এক টেবিল চামচ কাঁচা মধু খেলে মাথাঘোরা, দুর্বল লাগা, অত্যধিক ঘাম হওয়া, বমি বমি ভাব হওয়ার মতো নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

টমেটো :

আলুর মতোই টমেটোর পাতা ও কাণ্ডে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে যা হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। কাঁচা সবুজ টমেটোতেও এই একই উপাদান রয়েছে। তবে অল্প পরিমাণে খেলে কোনও সমস্যা হওয়ার ভয় নেই।

শিমের বীজ :

শিমের বীজে ফাইটোহিমাটোগ্লুটানিন নামক বিষ থাকে যা আপনাকে মারাত্মক অসুস্থ্য করে দিতে পারে। তাই শিম রান্নার আগে অন্তত ১০ মিনিট সিদ্ধ করে তারপর রান্না করতে হবে।

ক্যাস্টর অয়েল :

রেড়ীর তেল বিভিন্ন ধরণের ক্যান্ডি, চকলেট বা অন্যান্য খাদ্যে ব্যবহার করা হয়। অনেকেই প্রতিদিন একটু-আধটু ক্যাস্টর অয়েল খেয়ে থাকেন। রেড়ীর বীজে রিচিন নামের বিষাক্ত উপাদান থাকে যা খুবই মারাত্মক। রেড়ীর একটা বীজ খেলে একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। চারটা রেড়ীর বীজ খেলে একটা ঘোড়ার মৃত্যু হতে পারে।

আপেল :

আপেলের বীজে হাইড্রোজেন সায়ানাইড নামের বিষ রয়েছে। আমরা সাধারণত আপেলের বীজ খাই না। কিন্তু আপেলের বীজ যদি কোনও কারণে পেটে চলে যায় তাহলে বিপদ হতে পারে।

কাজুবাদাম :

মিষ্টি কাজুবাদাম ও তেতো কাজুবাদাম, এই দুই ধরণের কাজুবাদাম পাওয়া যায়। তুলনামূলক ভাবে তেতো কাজুবাদামে প্রচুর হাইড্রোজেন সায়ানাইড থাকে। সাত থেকে দশটা তেতো কাজু বাদাম কাঁচা খেলে প্রাপ্তবয়ষ্কদেরও সমস্যা হতে পারে এবং ছোটদের ক্ষেত্রে তা প্রাণনাশক হতে পারে! নিউজিল্যান্ড, আমেরিকার মতো দেশ এই তেতো কাঁচা কাজু বাদাম বিক্রি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঘরের যে ৭ খাবার হতে পারে মৃত্যুর কারণ

আপডেট সময় ১২:৫৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

বেশির ভাগ মানুষ মনে করে সব ধরণের ফল ও সবজিই স্বাস্থ্যকর। কিন্তু আপনার এই ধারনা মোটেও ঠিক নয়। এমন অনেক ফল ও সবজি আছে যাদের বিশেষ কোনও অংশ বিষাক্ত উপাদানে ভরপুর, যা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। হতে পারে মৃত্যু

আপনার রান্নাঘরেই রয়েছে এমন কিছু বিষাক্ত খাবার যা আপনি নিজেই জানেন না।

আসুন জেনে নেই এমন কিছু খাবার সম্পর্কে।

আলু :

এমনিতে আলু খাওয়া নিরাপদ। কিন্তু আলুর পাতা ও কাণ্ডে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে। বাড়িতে অনেক দিন পর্যন্ত আলু রেখে দিলে এর মধ্যে গ্যাঁজ অঙ্কুর হয়ে যায়। এই গ্যাঁজ বা অঙ্কুরে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে যা আলোর সংস্পর্শে বৃদ্ধি পায়। এই জন্য আলু সব সময় ঠাণ্ডা ও অন্ধকার জায়গায় রাখতে হয়। সবুজাভ ও গ্যাঁজ হওয়া আলু খেলে ডায়রিয়া, মাথাব্যাথা-সহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কাঁচা মধু :

কাঁচা মধুতে গ্রায়ানক্সিন থাকে। তাই এক টেবিল চামচ কাঁচা মধু খেলে মাথাঘোরা, দুর্বল লাগা, অত্যধিক ঘাম হওয়া, বমি বমি ভাব হওয়ার মতো নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

টমেটো :

আলুর মতোই টমেটোর পাতা ও কাণ্ডে গ্লাইকোএ্যল্কালয়েড থাকে যা হজমে সমস্যা সৃষ্টি করে। কাঁচা সবুজ টমেটোতেও এই একই উপাদান রয়েছে। তবে অল্প পরিমাণে খেলে কোনও সমস্যা হওয়ার ভয় নেই।

শিমের বীজ :

শিমের বীজে ফাইটোহিমাটোগ্লুটানিন নামক বিষ থাকে যা আপনাকে মারাত্মক অসুস্থ্য করে দিতে পারে। তাই শিম রান্নার আগে অন্তত ১০ মিনিট সিদ্ধ করে তারপর রান্না করতে হবে।

ক্যাস্টর অয়েল :

রেড়ীর তেল বিভিন্ন ধরণের ক্যান্ডি, চকলেট বা অন্যান্য খাদ্যে ব্যবহার করা হয়। অনেকেই প্রতিদিন একটু-আধটু ক্যাস্টর অয়েল খেয়ে থাকেন। রেড়ীর বীজে রিচিন নামের বিষাক্ত উপাদান থাকে যা খুবই মারাত্মক। রেড়ীর একটা বীজ খেলে একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। চারটা রেড়ীর বীজ খেলে একটা ঘোড়ার মৃত্যু হতে পারে।

আপেল :

আপেলের বীজে হাইড্রোজেন সায়ানাইড নামের বিষ রয়েছে। আমরা সাধারণত আপেলের বীজ খাই না। কিন্তু আপেলের বীজ যদি কোনও কারণে পেটে চলে যায় তাহলে বিপদ হতে পারে।

কাজুবাদাম :

মিষ্টি কাজুবাদাম ও তেতো কাজুবাদাম, এই দুই ধরণের কাজুবাদাম পাওয়া যায়। তুলনামূলক ভাবে তেতো কাজুবাদামে প্রচুর হাইড্রোজেন সায়ানাইড থাকে। সাত থেকে দশটা তেতো কাজু বাদাম কাঁচা খেলে প্রাপ্তবয়ষ্কদেরও সমস্যা হতে পারে এবং ছোটদের ক্ষেত্রে তা প্রাণনাশক হতে পারে! নিউজিল্যান্ড, আমেরিকার মতো দেশ এই তেতো কাঁচা কাজু বাদাম বিক্রি করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছ।