ঢাকা ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যেসব বিষয় মেনে চললে অটুট থাকবে সম্পর্ক

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্পর্ক করতে সময় লাগলেও সম্পর্ক ভাঙতে কিন্তু সময় লাগে না। আপনার তিল তিল করে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে এক নিমেষেই। তাই যে কোনো সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

মাঝে মাঝে দুজনের ঝামেলা বা মনোমালিন্য এমন একটি জায়গায় পৌঁছায় যেখানে স্রেফ কথা বলেই বিষয়টা মেটে না। অবস্থা আরও জটিল হতে পারে যদি কেউ মনে করেন দুজনের মাঝে নিজস্বতা হারাচ্ছেন তিনি। তাই সতর্ক থাকুন।

একটি সম্পর্কে দুটি মানুষ তাদের জীবন এবং সময় ভাগ করে নিয়েছেন, কিন্তু তাই বলে কি ব্যক্তিগত স্থানও? প্রতিটি সম্পর্কে নিজস্ব জায়গা থাকা ভীষণ প্রয়োজন, আরও প্রয়োজন সেই জায়গা ধরে রাখা।

আসুন জেনে নেই যে তিনটি বিষয় মেনে চললে টিকে থাকবে সম্পর্ক।

ইতিবাচক ভঙ্গি :

আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সব সময় ইতিবাচক ভঙ্গিতে কথা বলুন ও আচরণ করুন। একসঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি আপনার নিজের কাজ করার জন্য বা নিজেকে দেয়ার জন্য সময় বের করা খুবই আবশ্যক। দুজনের সম্পর্কে থেকেও আলাদা করে নিজের জীবন এবং নিজস্ব পরিচয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই দরকারি।

জীবনসঙ্গী :

অনেক সময়, মানুষ মনে করে যে তাদের জীবনসঙ্গী তাদের নিজস্ব স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন মানেই তারা ভালো নেই, বা সম্পর্ক ভাঙনের মুখে। এটা একেবারেই ভুল। নিজস্ব স্থান চাওয়া বা জিজ্ঞাসা করা সেই মানুষটির অনেক অন্য প্রয়োজনের মতোই একটি। উভয়ই মানুষকে তাদের সীমা ও চাহিদার সুস্থ ও স্বতঃস্ফূর্ত ভারসাম্য রাখতে হবে না। তবে তাতে যেন কেউই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন।

খোলামেলা আলোচনা :

সংসারের কোনো বিষয় যদি আপনাকে চাপে ফেলে দেয় তাহলে আপনার সঙ্গীকে জানান যে আপনি একসঙ্গে কথা বলে সমাধান বের করতে চান বা মধ্যস্থতা করতে চান। নিশ্চিত করুন যে দুজনে একই জায়গায় থেকে বিষয়টি দেখছেন, কেউই কাউকে জোর করছেন না এই বিষয়ে।

যোগাযোগ :

যোগাযোগ ভালোবাসাকে মজবুত করে। যত ব্যস্ত থাকুন না কেন কাজের ফাঁকে ভালোবাসার মানুষের খোঁজখবর রাখুন। ফোন, মেইল, ফেসবুক, টুইটারে নিয়মিত যোগাযোগ অবিশ্বাস দূর করবে সেই সঙ্গে আপনার ভালোবাসার সম্পর্ককে মজবুত করে তুলবে।

গুরুত্বপূর্ণ দিন মনে রাখুন :

আপনার সঙ্গীর জন্মদিনসহ বিশেষ দিনগুলোতে শুভেচ্ছা জানান, উপহার দিন। উপহার ছোট হোক আর বড় হোক ভালোবাসা অটুট রাখতে বিশেষ দিনে উপহারের কোনো জুড়ি নেই।

নিরপেক্ষ চিন্তা: সবসময় নিরপেক্ষ চিন্তা করতে হবে। নিজের কল্পনা দিয়ে সব সময় চিন্তা করা যাবে না। কল্পনাবিলাসী না হয়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তরিক হতে হবে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ চিন্তা অবিশ্বাস দূর করে ভালোবাসা মজবুত করে তুলবে।

সংশোধনের সুযোগ দিন :

ভালোবাসার মানুষ যদি অবিশ্বাসের কাজ করেই থাকে। তবে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেয়া উচিত। সামান্য কারণে সম্পর্ক ভেঙে দেয়া উচিত না। অতীতের সব ভুলত্রুটি ভুলে নতুন করে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক শুরু করতে দুজনকে চেষ্টা করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যেসব বিষয় মেনে চললে অটুট থাকবে সম্পর্ক

আপডেট সময় ০৬:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

সম্পর্ক করতে সময় লাগলেও সম্পর্ক ভাঙতে কিন্তু সময় লাগে না। আপনার তিল তিল করে গড়ে ওঠা সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে এক নিমেষেই। তাই যে কোনো সম্পর্কের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

মাঝে মাঝে দুজনের ঝামেলা বা মনোমালিন্য এমন একটি জায়গায় পৌঁছায় যেখানে স্রেফ কথা বলেই বিষয়টা মেটে না। অবস্থা আরও জটিল হতে পারে যদি কেউ মনে করেন দুজনের মাঝে নিজস্বতা হারাচ্ছেন তিনি। তাই সতর্ক থাকুন।

একটি সম্পর্কে দুটি মানুষ তাদের জীবন এবং সময় ভাগ করে নিয়েছেন, কিন্তু তাই বলে কি ব্যক্তিগত স্থানও? প্রতিটি সম্পর্কে নিজস্ব জায়গা থাকা ভীষণ প্রয়োজন, আরও প্রয়োজন সেই জায়গা ধরে রাখা।

আসুন জেনে নেই যে তিনটি বিষয় মেনে চললে টিকে থাকবে সম্পর্ক।

ইতিবাচক ভঙ্গি :

আপনার সঙ্গীর সঙ্গে সব সময় ইতিবাচক ভঙ্গিতে কথা বলুন ও আচরণ করুন। একসঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি আপনার নিজের কাজ করার জন্য বা নিজেকে দেয়ার জন্য সময় বের করা খুবই আবশ্যক। দুজনের সম্পর্কে থেকেও আলাদা করে নিজের জীবন এবং নিজস্ব পরিচয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই দরকারি।

জীবনসঙ্গী :

অনেক সময়, মানুষ মনে করে যে তাদের জীবনসঙ্গী তাদের নিজস্ব স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করছেন মানেই তারা ভালো নেই, বা সম্পর্ক ভাঙনের মুখে। এটা একেবারেই ভুল। নিজস্ব স্থান চাওয়া বা জিজ্ঞাসা করা সেই মানুষটির অনেক অন্য প্রয়োজনের মতোই একটি। উভয়ই মানুষকে তাদের সীমা ও চাহিদার সুস্থ ও স্বতঃস্ফূর্ত ভারসাম্য রাখতে হবে না। তবে তাতে যেন কেউই নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন।

খোলামেলা আলোচনা :

সংসারের কোনো বিষয় যদি আপনাকে চাপে ফেলে দেয় তাহলে আপনার সঙ্গীকে জানান যে আপনি একসঙ্গে কথা বলে সমাধান বের করতে চান বা মধ্যস্থতা করতে চান। নিশ্চিত করুন যে দুজনে একই জায়গায় থেকে বিষয়টি দেখছেন, কেউই কাউকে জোর করছেন না এই বিষয়ে।

যোগাযোগ :

যোগাযোগ ভালোবাসাকে মজবুত করে। যত ব্যস্ত থাকুন না কেন কাজের ফাঁকে ভালোবাসার মানুষের খোঁজখবর রাখুন। ফোন, মেইল, ফেসবুক, টুইটারে নিয়মিত যোগাযোগ অবিশ্বাস দূর করবে সেই সঙ্গে আপনার ভালোবাসার সম্পর্ককে মজবুত করে তুলবে।

গুরুত্বপূর্ণ দিন মনে রাখুন :

আপনার সঙ্গীর জন্মদিনসহ বিশেষ দিনগুলোতে শুভেচ্ছা জানান, উপহার দিন। উপহার ছোট হোক আর বড় হোক ভালোবাসা অটুট রাখতে বিশেষ দিনে উপহারের কোনো জুড়ি নেই।

নিরপেক্ষ চিন্তা: সবসময় নিরপেক্ষ চিন্তা করতে হবে। নিজের কল্পনা দিয়ে সব সময় চিন্তা করা যাবে না। কল্পনাবিলাসী না হয়ে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তরিক হতে হবে। সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ চিন্তা অবিশ্বাস দূর করে ভালোবাসা মজবুত করে তুলবে।

সংশোধনের সুযোগ দিন :

ভালোবাসার মানুষ যদি অবিশ্বাসের কাজ করেই থাকে। তবে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেয়া উচিত। সামান্য কারণে সম্পর্ক ভেঙে দেয়া উচিত না। অতীতের সব ভুলত্রুটি ভুলে নতুন করে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক শুরু করতে দুজনকে চেষ্টা করতে হবে।