ঢাকা ০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

১৪ দলীয় জোটের তিন শক্তি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।

আওয়ামী লীগের জন্য এই জোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ বা বিএনপি জোটকে মোকাবেলায় এই জোটের শক্তি কী না নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা।

আওয়ামী লীগের জন্য এই জোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ এমন প্রশ্নের জবাবে ১৪ দলের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের একাংশের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগের জন্য অন্যান্য শরিক দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলেই প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন যে, ১৪ দল নিয়েই তিনি নির্বাচন যাবেন। কেননা জোটের প্রতিটি দল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রশ্নে স্বাভাবিকভাবে এসব দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অন্যদিকে বিএনপি নতুন করে যে বৃহত্তর জোট তৈরির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দলটির পক্ষ থেকে যদি কোনো কর্মসূচি দেয়া হয়, সেটা মোকাবিলা করার মতো সামর্থ্য ১৪ দলের কতটা আছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে জাসদ নেতা শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, বিএনপি বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন করলেও তারা কোনোটাতেই তেমন সফল হতে পারেনি। কেননা ১৪ দলকে আলাদাভাবে রাজপথে মোকাবিলা করার মতো পরিস্থিতি বিএনপির নেই।

তার মতে, নির্বাচনে ১৪ দলীয় জোটের যথেষ্ট জনপ্রিয়তা আছে এবং সে জনপ্রিয়তা নিয়ে তারা বিএনপিকে নির্বাচনে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।

শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, এই মুহূর্তে রাজনৈতিক ইস্যু মোকাবিলায় ১৪ দলের যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে। এজন্য জোটের তিনটি মূলভিত্তির কথা তুলে ধরেন তিনি। সেগুলো হলো-

প্রথমত, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অবস্থান।

দ্বিতীয়ত, উন্নয়নমূলক কাজের ভিশন।

তৃতীয়ত, সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান।

এই বিষয়গুলো সামনের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করবে বলে তিনি মনে করেন।

তবে ১৪ দলীয় জোটের সব দল সক্রিয় না থাকায় তাদের নিয়ে প্রধান সমালোচনার জায়গাটি হলো, দলগুলোর একধরনের আওয়ামী লীগ নির্ভরতা রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

১৪ দলীয় জোটের তিন শক্তি

আপডেট সময় ০৫:২২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন জোটের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।

আওয়ামী লীগের জন্য এই জোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ বা বিএনপি জোটকে মোকাবেলায় এই জোটের শক্তি কী না নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিবিসি বাংলা।

আওয়ামী লীগের জন্য এই জোট কতটা গুরুত্বপূর্ণ এমন প্রশ্নের জবাবে ১৪ দলের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের একাংশের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগের জন্য অন্যান্য শরিক দলগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলেই প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন যে, ১৪ দল নিয়েই তিনি নির্বাচন যাবেন। কেননা জোটের প্রতিটি দল মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রশ্নে স্বাভাবিকভাবে এসব দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

অন্যদিকে বিএনপি নতুন করে যে বৃহত্তর জোট তৈরির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে দলটির পক্ষ থেকে যদি কোনো কর্মসূচি দেয়া হয়, সেটা মোকাবিলা করার মতো সামর্থ্য ১৪ দলের কতটা আছে?

এমন প্রশ্নের জবাবে জাসদ নেতা শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, বিএনপি বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন করলেও তারা কোনোটাতেই তেমন সফল হতে পারেনি। কেননা ১৪ দলকে আলাদাভাবে রাজপথে মোকাবিলা করার মতো পরিস্থিতি বিএনপির নেই।

তার মতে, নির্বাচনে ১৪ দলীয় জোটের যথেষ্ট জনপ্রিয়তা আছে এবং সে জনপ্রিয়তা নিয়ে তারা বিএনপিকে নির্বাচনে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।

শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, এই মুহূর্তে রাজনৈতিক ইস্যু মোকাবিলায় ১৪ দলের যথেষ্ট সামর্থ্য রয়েছে। এজন্য জোটের তিনটি মূলভিত্তির কথা তুলে ধরেন তিনি। সেগুলো হলো-

প্রথমত, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অবস্থান।

দ্বিতীয়ত, উন্নয়নমূলক কাজের ভিশন।

তৃতীয়ত, সাংবিধানিক ধারা অব্যাহত রাখার ব্যাপারে দৃঢ় অবস্থান।

এই বিষয়গুলো সামনের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করবে বলে তিনি মনে করেন।

তবে ১৪ দলীয় জোটের সব দল সক্রিয় না থাকায় তাদের নিয়ে প্রধান সমালোচনার জায়গাটি হলো, দলগুলোর একধরনের আওয়ামী লীগ নির্ভরতা রয়েছে।