ঢাকা ০১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি

বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যুক্তফ্রন্ট এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপি বলেছে, কারামুক্ত খালেদা জিয়াকে সঙ্গে নিয়েই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে তারা। নব্বইয়ের মতো আরেকটি গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে।

রোববার নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলনে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এসব কথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আগামী নির্বাচন যদি অংশগ্রহণমূলক হতে হয় তাহলে খালোদা জিয়া ও বিএনপির অংশ নিতে হবে। অন্যথায় অংশগ্রহণমূলক হবে না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। মুক্ত খালেদা জিয়াকে নিয়েই আমরা আগামী নির্বাচনে যাবো৷ তাকে গণআন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্খা পূরণ ও আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার ফলে সরকারের সমর্থন যখন তলানিতে তখন তারা অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে জনগণকে আবারও ভোটের অধিকার তথা পরিবর্তনের আকাঙ্খা থেকে বঞ্চিত করতে চায়। কিন্তু এবার আর তাদেরকে সে সুযোগ দেয়া হবে না।’

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে তার নেতৃত্বে ৯০’এর মত আরেকটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে দেশ, দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আমরা গণতন্ত্রকামী সকল দল, সংগঠন, ব্যক্তি তথা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছি৷ ইতোমধ্যেই দেশের বেশ কয়েকটি বিরোধী দল, সংগঠন ও ব্যক্তি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং আমাদের মতই তারাও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে৷ আমরা তাদের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।’

‘বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘের আমন্ত্রণ পাননি। নিজ থেকে দেশের বিরুদ্ধে নালিশ করতে গিয়েছেন। এতে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে’-প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে মোশাররফ বলেন, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু বলতে চাই না। তবে আমাদের মহাসচিব জাতিসংঘে গিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে গিয়েছেন। নিশ্চয় এতে প্রধানমন্ত্রীকে কোনো না কোনোভাবে আঘাত করেছে৷ তাই তিনি আমাদের নিয়ে এসব কথা বলছেন।

খালেদা জিয়ার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করে বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছিলাম। আমরা তাকে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং সরকারি চিকিৎসক মিলিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করতে বলেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম, শুধু সরকারি ডাক্তার দিয়ে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এতে আমরা হতাশ হয়েছি। তিনি আশ্বাস দেয়ার পরও কথা রাখেননি। সরকারদলীয় চিকিৎসক দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার সঠিক চিকিৎসা হবে না। আমরা আবারও দাবী করছি, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দিয়ে এবং সরকারি চিকিৎসক যৌথভাবে মেডিকেল বোড গঠন করা হোক।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপি

আপডেট সময় ০৪:২৯:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

যুক্তফ্রন্ট এবং জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে বিএনপি বলেছে, কারামুক্ত খালেদা জিয়াকে সঙ্গে নিয়েই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে তারা। নব্বইয়ের মতো আরেকটি গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে।

রোববার নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলনে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এসব কথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘আগামী নির্বাচন যদি অংশগ্রহণমূলক হতে হয় তাহলে খালোদা জিয়া ও বিএনপির অংশ নিতে হবে। অন্যথায় অংশগ্রহণমূলক হবে না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। মুক্ত খালেদা জিয়াকে নিয়েই আমরা আগামী নির্বাচনে যাবো৷ তাকে গণআন্দোলনের মাধ্যমে মুক্ত করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্খা পূরণ ও আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার ফলে সরকারের সমর্থন যখন তলানিতে তখন তারা অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে জনগণকে আবারও ভোটের অধিকার তথা পরিবর্তনের আকাঙ্খা থেকে বঞ্চিত করতে চায়। কিন্তু এবার আর তাদেরকে সে সুযোগ দেয়া হবে না।’

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে তার নেতৃত্বে ৯০’এর মত আরেকটি গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি করে দেশ, দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আমরা গণতন্ত্রকামী সকল দল, সংগঠন, ব্যক্তি তথা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছি৷ ইতোমধ্যেই দেশের বেশ কয়েকটি বিরোধী দল, সংগঠন ও ব্যক্তি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং আমাদের মতই তারাও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে৷ আমরা তাদের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।’

‘বিএনপি মহাসচিব জাতিসংঘের আমন্ত্রণ পাননি। নিজ থেকে দেশের বিরুদ্ধে নালিশ করতে গিয়েছেন। এতে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে’-প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে মোশাররফ বলেন, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু বলতে চাই না। তবে আমাদের মহাসচিব জাতিসংঘে গিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টে গিয়েছেন। নিশ্চয় এতে প্রধানমন্ত্রীকে কোনো না কোনোভাবে আঘাত করেছে৷ তাই তিনি আমাদের নিয়ে এসব কথা বলছেন।

খালেদা জিয়ার জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করে বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার দাবি জানিয়েছিলাম। আমরা তাকে বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং সরকারি চিকিৎসক মিলিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করতে বলেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম, শুধু সরকারি ডাক্তার দিয়ে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এতে আমরা হতাশ হয়েছি। তিনি আশ্বাস দেয়ার পরও কথা রাখেননি। সরকারদলীয় চিকিৎসক দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার সঠিক চিকিৎসা হবে না। আমরা আবারও দাবী করছি, বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দিয়ে এবং সরকারি চিকিৎসক যৌথভাবে মেডিকেল বোড গঠন করা হোক।’