ঢাকা ০৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চিরকুট লিখে শিশুকে হাসপাতালে রেখে গেলেন মা চট্টগ্রামে সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত সাভারে ৭ মাসে ৬ হত্যা, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রেপ্তার মশিউর আ.লীগ দেশ বিক্রি করে অবৈধভাবে ক্ষমতা ভোগ করেছিল: আসিফ নজরুল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধিদলের বৈঠক গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার ৬ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান, একজনের মৃত্যু ভোটের মাঠে ১ লাখ সেনাসহ থাকবে ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে: জোনায়েদ সাকি অনিয়মের প্রমাণ থাকলে যেকোনো বিচার মেনে নিতে প্রস্তুত: আসিফ

দুলাভাইয়ের হাতে ধর্ষিতা কিশোরীর চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে এক মাদ্রাসার ছাত্রী দুলাভাইয়ের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহত জুয়েনা আক্তার (১৩) সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের আতরতোপা গ্রামের আবু তাহেরের কন্যা ও সহশ্রাম সাইমুন্নেছা আলিম মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

এদিকে অভিযুক্ত দুলাভাই আলম মিয়ার বিচারের দাবিতে মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসী গচিহাটা বাজারে সোমবার মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামগামী চলন্ত ট্রেন বিজয় এক্সপ্রেসের নিচে ঝাঁপ দিয়ে উপজেলার গচিহাটা গ্রামের জুয়েনা আক্তার আত্মহত্যা করে। রেলওয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করলে শুক্রবার তার নানার বাড়িতে জানাযা শেষে লাশ দাফন করা হয়।

এলাকাসূত্রে জানা যায়, জুয়েনাকে তার বাবা আবু তাহের ও সৎ দুলাভাই আলম মিয়া বিয়ের কথা বলে জুয়েনার মা আঙ্গুরা বেগমের কাছ থেকে দুই মাস পূর্বে বাবার দ্বিতীয় স্ত্রীর সংসারে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তার সৎ দুলাভাই আলম মিয়া জুয়েনাকে ঢাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে বৃহস্পতিবার পাকুন্দিয়া উপজেলার পুলেরঘাট বাজারে জুয়েনাকে রেখে চলে যায়।

জুয়েনা গচিহাটা গ্রামে নানার বাড়িতে গিয়ে তার মা এবং খালার কাছে ধর্ষণের কথা জানায় । ওই রাতেই সে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। জুয়েনার মা আঙ্গুরা বেগম জানান, আমার সৎ মেয়ের জামাই আলম মিয়া জুয়েনাকে ঢাকায় নিয়ে ইজ্জত নষ্ট করেছে। লজ্জা ও অভিমানে জুয়েনা আত্মহত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।

ধূলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাসেম আকন্দ বলেন, বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। সঠিক তদন্ত করে আসল ঘটনা উদঘাটনের দাবি করছি। কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তে ধর্ষণের রিপোর্ট পাওয়া গেলে সে মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দুলাভাইয়ের হাতে ধর্ষিতা কিশোরীর চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ

আপডেট সময় ০৮:২০:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে এক মাদ্রাসার ছাত্রী দুলাভাইয়ের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়ে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহত জুয়েনা আক্তার (১৩) সহশ্রাম ধুলদিয়া ইউনিয়নের আতরতোপা গ্রামের আবু তাহেরের কন্যা ও সহশ্রাম সাইমুন্নেছা আলিম মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

এদিকে অভিযুক্ত দুলাভাই আলম মিয়ার বিচারের দাবিতে মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রী ও এলাকাবাসী গচিহাটা বাজারে সোমবার মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামগামী চলন্ত ট্রেন বিজয় এক্সপ্রেসের নিচে ঝাঁপ দিয়ে উপজেলার গচিহাটা গ্রামের জুয়েনা আক্তার আত্মহত্যা করে। রেলওয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করলে শুক্রবার তার নানার বাড়িতে জানাযা শেষে লাশ দাফন করা হয়।

এলাকাসূত্রে জানা যায়, জুয়েনাকে তার বাবা আবু তাহের ও সৎ দুলাভাই আলম মিয়া বিয়ের কথা বলে জুয়েনার মা আঙ্গুরা বেগমের কাছ থেকে দুই মাস পূর্বে বাবার দ্বিতীয় স্ত্রীর সংসারে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তার সৎ দুলাভাই আলম মিয়া জুয়েনাকে ঢাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে বৃহস্পতিবার পাকুন্দিয়া উপজেলার পুলেরঘাট বাজারে জুয়েনাকে রেখে চলে যায়।

জুয়েনা গচিহাটা গ্রামে নানার বাড়িতে গিয়ে তার মা এবং খালার কাছে ধর্ষণের কথা জানায় । ওই রাতেই সে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। জুয়েনার মা আঙ্গুরা বেগম জানান, আমার সৎ মেয়ের জামাই আলম মিয়া জুয়েনাকে ঢাকায় নিয়ে ইজ্জত নষ্ট করেছে। লজ্জা ও অভিমানে জুয়েনা আত্মহত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।

ধূলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাসেম আকন্দ বলেন, বিষয়টি স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। সঠিক তদন্ত করে আসল ঘটনা উদঘাটনের দাবি করছি। কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তে ধর্ষণের রিপোর্ট পাওয়া গেলে সে মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।