ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গাজীপুরে মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে ভোটের প্রচার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সব ধরনের প্রচারকাজ আজ রোববার দিবাগত মধ্যরাত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হচ্ছে। এ ছাড়া শনিবার মধ্যরাত থেকে বহিরাগতদের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থান নিষিদ্ধ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ফলে গাজীপুরের ভোটার নন এমন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা আজ থেকে সেখানে অবস্থান করতে পারবেন না। এদিকে নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তায় আজ থেকে মাঠে নেমেছে অতিরিক্তসংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নির্বাচনে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়রপ্রার্থীর মধ্যেই মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

রোববার আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ও বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার নেতাকর্মীদের নিয়ে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় শেষবারের মতো প্রচারকাজে যোগ দেবেন।

গত ৩১ মার্চ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৫ মে এ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু সীমানা নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা কেন্দ্র করে হাইকোর্ট গত ৬ মে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করে আদেশ দেন। এতে স্থগিত হয়ে যায় নির্বাচনী সব ধরনের কার্যক্রম।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই মেয়রপ্রার্থী এবং নির্বাচন কমিশন। শুনানি শেষে ওই স্থগিতাদেশ স্থগিত করে নির্বাচন অনুষ্ঠান করার আদেশ দেন উচ্চ আদালত।

উচ্চ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ জুন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে দ্বিতীয় দফায় ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। নতুন ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী ১৮ জুন থেকে এ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এবারের নির্বাচনে মেয়রপদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীসহ সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।

এ ছাড়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ২৫৪ জন ও ১৯টি সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৮৪ প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবারের নির্বাচনে একটি ওয়ার্ডে সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে একজন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার পাঁচ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ এবং নারী ভোটার পাঁচ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গাজীপুরে মধ্যরাত থেকে বন্ধ হচ্ছে ভোটের প্রচার

আপডেট সময় ১১:০০:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সব ধরনের প্রচারকাজ আজ রোববার দিবাগত মধ্যরাত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হচ্ছে। এ ছাড়া শনিবার মধ্যরাত থেকে বহিরাগতদের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় অবস্থান নিষিদ্ধ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ফলে গাজীপুরের ভোটার নন এমন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা আজ থেকে সেখানে অবস্থান করতে পারবেন না। এদিকে নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তায় আজ থেকে মাঠে নেমেছে অতিরিক্তসংখ্যক পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটানিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নির্বাচনে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মেয়রপ্রার্থীর মধ্যেই মূলত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

রোববার আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ও বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার নেতাকর্মীদের নিয়ে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় শেষবারের মতো প্রচারকাজে যোগ দেবেন।

গত ৩১ মার্চ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ১৫ মে এ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু সীমানা নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা কেন্দ্র করে হাইকোর্ট গত ৬ মে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করে আদেশ দেন। এতে স্থগিত হয়ে যায় নির্বাচনী সব ধরনের কার্যক্রম।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে আপিল করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই মেয়রপ্রার্থী এবং নির্বাচন কমিশন। শুনানি শেষে ওই স্থগিতাদেশ স্থগিত করে নির্বাচন অনুষ্ঠান করার আদেশ দেন উচ্চ আদালত।

উচ্চ আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ জুন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করে দ্বিতীয় দফায় ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। নতুন ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী ১৮ জুন থেকে এ নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের এবারের নির্বাচনে মেয়রপদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীসহ সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন।

এ ছাড়া গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৭টি সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে ২৫৪ জন ও ১৯টি সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৮৪ প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবারের নির্বাচনে একটি ওয়ার্ডে সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে একজন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এবার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৫৭টি সাধারণ ও ১৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার পাঁচ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩৫ এবং নারী ভোটার পাঁচ লাখ ৬৭ হাজার ৮০১।