ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিকিৎসককে গাছে বেঁধে স্ত্রী ও মেয়েকে গণধর্ষণ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চিকিৎসককে গাছে বেঁধে তার স্ত্রী ও মেয়েকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ভারতের বিহারে। গত বুধবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ এ ঘটনাটি বিহারের গয়ায় একটি জাতীয় সড়কে ঘটে। তবে ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে বৃহস্পতিবার। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানিয়েছে, রোগী দেখে চেম্বার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন ওই চিকিৎসক । সঙ্গে তার স্ত্রী ও ১৫ বছরের মেয়ে ছিল। পথের মধ্যেই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলটি থামিয়ে দেয়। এরপর চিকিৎসককে গাছে বেঁধে লুটপাট চালানো হয়। এতেও ক্ষ্যান্ত হয়নি দুর্বৃত্তরা। চিকিৎসকের সামনেই গণধর্ষণ করা হয় তার স্ত্রী ও মেয়েকে।

চিকিৎসকের ভাষ্য, পুলিশকে ঘটনার কথা জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা। তারা চলে যাওয়ার পর নিজের মোবাইল থেকে ফোন করে পুলিশে খবর দিই আমি। রোগী দেখে ফিরছিলাম। তখনই এই ঘটনা ঘটে।

ওইদিন চিকিৎসকের ফোন পেয়ে গয়ার এসএসপি রাজীব মিশ্র ও শেরঘাটির এসডিপিও মনীশ কুমার ঘটনাস্থলে পৌঁছান। অ্যাম্বুল্যান্সে খবর দেয়া হয়। এরপর গয়ার অনুগ্রহ নারায়ণমগধ মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয় নিগৃহীত মা-মেয়েকে।

পুলিশ বলছে, সোনডিহা ও নিকটবর্তী গ্রামগুলোতে তল্লাশি চলছে। পাটনা জোনের আইজিপি নাইয়ার হাসনাইন খান জানান, অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হবে খুব তাড়াতাড়িই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চিকিৎসককে গাছে বেঁধে স্ত্রী ও মেয়েকে গণধর্ষণ

আপডেট সময় ০৪:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চিকিৎসককে গাছে বেঁধে তার স্ত্রী ও মেয়েকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ভারতের বিহারে। গত বুধবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ এ ঘটনাটি বিহারের গয়ায় একটি জাতীয় সড়কে ঘটে। তবে ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে বৃহস্পতিবার। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার জানিয়েছে, রোগী দেখে চেম্বার থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন ওই চিকিৎসক । সঙ্গে তার স্ত্রী ও ১৫ বছরের মেয়ে ছিল। পথের মধ্যেই দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলটি থামিয়ে দেয়। এরপর চিকিৎসককে গাছে বেঁধে লুটপাট চালানো হয়। এতেও ক্ষ্যান্ত হয়নি দুর্বৃত্তরা। চিকিৎসকের সামনেই গণধর্ষণ করা হয় তার স্ত্রী ও মেয়েকে।

চিকিৎসকের ভাষ্য, পুলিশকে ঘটনার কথা জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা। তারা চলে যাওয়ার পর নিজের মোবাইল থেকে ফোন করে পুলিশে খবর দিই আমি। রোগী দেখে ফিরছিলাম। তখনই এই ঘটনা ঘটে।

ওইদিন চিকিৎসকের ফোন পেয়ে গয়ার এসএসপি রাজীব মিশ্র ও শেরঘাটির এসডিপিও মনীশ কুমার ঘটনাস্থলে পৌঁছান। অ্যাম্বুল্যান্সে খবর দেয়া হয়। এরপর গয়ার অনুগ্রহ নারায়ণমগধ মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয় নিগৃহীত মা-মেয়েকে।

পুলিশ বলছে, সোনডিহা ও নিকটবর্তী গ্রামগুলোতে তল্লাশি চলছে। পাটনা জোনের আইজিপি নাইয়ার হাসনাইন খান জানান, অভিযুক্তদের সনাক্ত করা হবে খুব তাড়াতাড়িই।