ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতে তিনজনের কারাদণ্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় এক কোটি টাকা জাল জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখা ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের পাঁচ বছর এবং অপর দুই আসামির ১৫ বছর করে কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত।

বুধবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. ইমরুল কায়েস এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত অপর দুই আসামি হলেন, জনৈক রুস্তম আলী হাওলাদার ও সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার জমাদার মো. আনিসুর রহমান।

রায়ে পলাতক আসামি রুস্তম আলীর দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাস এবং ৪৬৮ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমান ও অনাদায়ে আরও ছয় মাস এবং ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জারিমানা করা হয়েছে।

রায়ে অপর পলাতক আসামি মো. আনিসুর রহমানেরও একই দণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায়ে সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোডের তৎকালীন ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

এদিকে মামলায় রণজিত কুমার বণিক, মো. মফিদুল ইসলাম ও মো. গোলাম কিবরিয়া নামে অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্লিয়ারিং হাউজের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে আত্মসাৎ করেন।

ওই অভিযোগে ১৯৯৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোড শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালী থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক আবুল কালাম আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০৩ সালের শেষের দিকে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন আদালত। মামলায় মোট ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতে তিনজনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৮:২৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় এক কোটি টাকা জাল জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখা ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের পাঁচ বছর এবং অপর দুই আসামির ১৫ বছর করে কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত।

বুধবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. ইমরুল কায়েস এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত অপর দুই আসামি হলেন, জনৈক রুস্তম আলী হাওলাদার ও সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার জমাদার মো. আনিসুর রহমান।

রায়ে পলাতক আসামি রুস্তম আলীর দণ্ডবিধির ৪৬৭ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাস এবং ৪৬৮ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমান ও অনাদায়ে আরও ছয় মাস এবং ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জারিমানা করা হয়েছে।

রায়ে অপর পলাতক আসামি মো. আনিসুর রহমানেরও একই দণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে আদালত। রায়ে সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোডের তৎকালীন ব্যবস্থাপক মো. শাহজাহান খন্দকারের ৪০৯ ধারায় পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন।

এদিকে মামলায় রণজিত কুমার বণিক, মো. মফিদুল ইসলাম ও মো. গোলাম কিবরিয়া নামে অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্লিয়ারিং হাউজের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক নর্থ সাউথ রোর্ড শাখার ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৪ সালের মধ্যে আত্মসাৎ করেন।

ওই অভিযোগে ১৯৯৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের নর্থ সাউথ রোড শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক গোলাম মর্তুজা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালী থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক আবুল কালাম আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০৩ সালের শেষের দিকে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ (অভিযোগ) গঠন করেন আদালত। মামলায় মোট ৩০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।