ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঝুলে গেল এমপিপুত্র রনির জোড়া খুনের রায়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির জোড়া খুনের মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য থাকলেও তা আজ হয়নি। মামলাটিতে অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর আদালত রায় দেবে।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. আল মামুনের আদালতে মঙ্গলবার বহুল আলোচিত এই মামলাটির রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার বিষয়ে অধিকতর যুক্ততর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন। এতে মামলাটির রায় পিছিয়ে যায়।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আল মামুন রায় ঘোষণার জন্য ৮ মে তারিখ ঠিক করেন।

এর আগে মামলাটির ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত বছর ১৮ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ওই বছর ২৯ অক্টোবর আসামি রনি আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

মামলায় যুক্তি উপস্থাপনে আসামি পক্ষে আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু আসামির বেকসুর খালাস এবং রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুস সত্তার দুলাল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন।

২০১৬ সালের ৬ মার্চ মামলাটিতে এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে আদালত চার্জগঠন করেন। ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশ রনির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

মামলায় রনিকে তিনদফা দশ দিনের রিমান্ড শেষে ২০১৫ সালের ২ জুলাই আদালতে তাকে কারাগারে পাঠান। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে তাতে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

ওই ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে রমনা থানায় ওই বছর ১৫ এপ্রিল একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বখতিয়ার আলম রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঝুলে গেল এমপিপুত্র রনির জোড়া খুনের রায়

আপডেট সময় ১১:২৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির জোড়া খুনের মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য থাকলেও তা আজ হয়নি। মামলাটিতে অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর আদালত রায় দেবে।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. আল মামুনের আদালতে মঙ্গলবার বহুল আলোচিত এই মামলাটির রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার বিষয়ে অধিকতর যুক্ততর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন। এতে মামলাটির রায় পিছিয়ে যায়।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আল মামুন রায় ঘোষণার জন্য ৮ মে তারিখ ঠিক করেন।

এর আগে মামলাটির ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত বছর ১৮ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ওই বছর ২৯ অক্টোবর আসামি রনি আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

মামলায় যুক্তি উপস্থাপনে আসামি পক্ষে আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু আসামির বেকসুর খালাস এবং রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুস সত্তার দুলাল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন।

২০১৬ সালের ৬ মার্চ মামলাটিতে এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে আদালত চার্জগঠন করেন। ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশ রনির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

মামলায় রনিকে তিনদফা দশ দিনের রিমান্ড শেষে ২০১৫ সালের ২ জুলাই আদালতে তাকে কারাগারে পাঠান। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে তাতে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

ওই ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে রমনা থানায় ওই বছর ১৫ এপ্রিল একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বখতিয়ার আলম রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ।