ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

ঝুলে গেল এমপিপুত্র রনির জোড়া খুনের রায়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির জোড়া খুনের মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য থাকলেও তা আজ হয়নি। মামলাটিতে অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর আদালত রায় দেবে।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. আল মামুনের আদালতে মঙ্গলবার বহুল আলোচিত এই মামলাটির রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার বিষয়ে অধিকতর যুক্ততর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন। এতে মামলাটির রায় পিছিয়ে যায়।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আল মামুন রায় ঘোষণার জন্য ৮ মে তারিখ ঠিক করেন।

এর আগে মামলাটির ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত বছর ১৮ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ওই বছর ২৯ অক্টোবর আসামি রনি আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

মামলায় যুক্তি উপস্থাপনে আসামি পক্ষে আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু আসামির বেকসুর খালাস এবং রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুস সত্তার দুলাল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন।

২০১৬ সালের ৬ মার্চ মামলাটিতে এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে আদালত চার্জগঠন করেন। ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশ রনির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

মামলায় রনিকে তিনদফা দশ দিনের রিমান্ড শেষে ২০১৫ সালের ২ জুলাই আদালতে তাকে কারাগারে পাঠান। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে তাতে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

ওই ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে রমনা থানায় ওই বছর ১৫ এপ্রিল একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বখতিয়ার আলম রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

ঝুলে গেল এমপিপুত্র রনির জোড়া খুনের রায়

আপডেট সময় ১১:২৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ পিনু খানের ছেলে বখতিয়ার আলম রনির জোড়া খুনের মামলার রায়ের জন্য দিন ধার্য থাকলেও তা আজ হয়নি। মামলাটিতে অধিকতর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর আদালত রায় দেবে।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মো. আল মামুনের আদালতে মঙ্গলবার বহুল আলোচিত এই মামলাটির রায়ের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলার বিষয়ে অধিকতর যুক্ততর্ক উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য করেন। এতে মামলাটির রায় পিছিয়ে যায়।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আল মামুন রায় ঘোষণার জন্য ৮ মে তারিখ ঠিক করেন।

এর আগে মামলাটির ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত বছর ১৮ অক্টোবর সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হয়। এরপর ওই বছর ২৯ অক্টোবর আসামি রনি আত্মপক্ষ শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

মামলায় যুক্তি উপস্থাপনে আসামি পক্ষে আইনজীবী কাজী নজিবুল্লাহ হিরু আসামির বেকসুর খালাস এবং রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুস সত্তার দুলাল আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছেন।

২০১৬ সালের ৬ মার্চ মামলাটিতে এ আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে আদালত চার্জগঠন করেন। ২০১৫ সালের ২১ জুলাই ডিবি পুলিশ রনির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

মামলায় রনিকে তিনদফা দশ দিনের রিমান্ড শেষে ২০১৫ সালের ২ জুলাই আদালতে তাকে কারাগারে পাঠান। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

২০১৫ সালের ১৩ এপ্রিল রাত পৌনে ২টার দিকে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি কালো রঙের প্রাডো গাড়ি থেকে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে তাতে অটোরিকশাচালক ইয়াকুব আলী ও রিকশাচালক আবদুল হাকিম আহত হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।

ওই ঘটনায় নিহত হাকিমের মা মনোয়ারা বেগম অজ্ঞাত পরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে রমনা থানায় ওই বছর ১৫ এপ্রিল একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ৩০ মে এলিফ্যান্ট রোডের বাসা থেকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বখতিয়ার আলম রনিকে আটক করে ডিবি পুলিশ।