ঢাকা ০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

পাকিস্তান বংশোদ্ভূত সাজিদ জাভিদ ব্রিটেনের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রিটেনের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন পাকিস্তান বংশোদ্ভূত সাজিদ জাভিদ। তার বাবা ১৯৬০ এর দশকে পাকিস্তান থেকে এদেশে এসে প্রথমে কাপড়ের কারখানায় শ্রমিক হন। পরে বাস চালাতেন।

বিবিসি জানায়, ব্রিটেনে অবৈধ অভিবাসী বিতাড়ন সম্পর্কিত সরকারি নীতি নিয়ে কেলেঙ্কারির মুখে রবিবার রাতে পদত্যাগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাম্বার রাড। পরদিনই তার জায়গায় সাজিদ জাভিদের নিয়োগ বিস্ময় তৈরি করেছে।

শুধু প্রথম দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূতই নয়, এই প্রথম কোনো মুসলিম ব্রিটেনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন।

প্রথম প্রজন্মের অভিবাসীর সন্তান হয়ে সাজিদ জাভিদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে অভিবাসন নিয়ে ব্রিটেনের জনগণের উদ্বেগ সামলানো।

তথাকথিত ‘উইন্ডরাশ’ কেলেঙ্কারি নিয়ে ব্রিটেনের বর্তমান কনজারভেটিভ সরকার সম্প্রতি প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে।

প্রধানত ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে ৫০ এবং ৬০ দশকে আসা অভিবাসী, যাদেরকে উইন্ডরাশ প্রজন্ম বলে অভিহিত করা হয় – তাদের অনেককে হঠাৎ করে অবৈধ অভিবাসী হিসাবে ঘোষণার কথা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর সরকারের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় ওঠে।

পত্রপত্রিকায় প্রতিদিন খবর বেরুতে থাকে -এমনকী ব্রিটেনে জন্ম নিয়েও উইন্ডরাশ প্রজন্মের সন্তানদের অনেককেই হঠাৎ করে অবৈধ অভিবাসী হিসাবে ঘোষণা করায় অনেকে চাকরি হারান, চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। অনেককে তাদের পিতৃপুরুষের দেশে ফিরেও যেতে হয়েছে।

বিভিন্ন অনুসন্ধানে ফাঁস হয়ে পড়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর সংখ্যা নিয়ে সরকারের গোপন টার্গেটের অন্যায় বলি হয়েছেন বহু পুরনো অনেক ক্যারিবীয় অভিবাসী এবং তাদের সন্তানরা।

এ নিয়ে সরকারের ভেতরেও ক্ষোভ তৈরি হয়।

সাজিদ জাভিদ, যিনি গতকাল পর্যন্ত কম্যুনিটিজ এবং আবাসনমন্ত্রী ছিলেন, তিনিও অভিবাসন সম্পর্কিত ঐ কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে সরব ছিলেন।

লন্ডনের দৈনিক টেলিগ্রাফকে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজেও উইন্ডরাশ প্রজন্মের সন্তান, তার বাবা-মাকেও হয়তো রাতারাতি অবৈধ হয়ে যেতে হতো।’

পত্রিকায় সরকারের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করলেও তাকেই প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে অভিবাসন কেলেঙ্কারি সামলানোর দায়িত্ব দিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান বংশোদ্ভূত সাজিদ জাভিদ ব্রিটেনের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:২১:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ব্রিটেনের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন পাকিস্তান বংশোদ্ভূত সাজিদ জাভিদ। তার বাবা ১৯৬০ এর দশকে পাকিস্তান থেকে এদেশে এসে প্রথমে কাপড়ের কারখানায় শ্রমিক হন। পরে বাস চালাতেন।

বিবিসি জানায়, ব্রিটেনে অবৈধ অভিবাসী বিতাড়ন সম্পর্কিত সরকারি নীতি নিয়ে কেলেঙ্কারির মুখে রবিবার রাতে পদত্যাগ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাম্বার রাড। পরদিনই তার জায়গায় সাজিদ জাভিদের নিয়োগ বিস্ময় তৈরি করেছে।

শুধু প্রথম দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূতই নয়, এই প্রথম কোনো মুসলিম ব্রিটেনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন।

প্রথম প্রজন্মের অভিবাসীর সন্তান হয়ে সাজিদ জাভিদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে অভিবাসন নিয়ে ব্রিটেনের জনগণের উদ্বেগ সামলানো।

তথাকথিত ‘উইন্ডরাশ’ কেলেঙ্কারি নিয়ে ব্রিটেনের বর্তমান কনজারভেটিভ সরকার সম্প্রতি প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে।

প্রধানত ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে ৫০ এবং ৬০ দশকে আসা অভিবাসী, যাদেরকে উইন্ডরাশ প্রজন্ম বলে অভিহিত করা হয় – তাদের অনেককে হঠাৎ করে অবৈধ অভিবাসী হিসাবে ঘোষণার কথা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর সরকারের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় ওঠে।

পত্রপত্রিকায় প্রতিদিন খবর বেরুতে থাকে -এমনকী ব্রিটেনে জন্ম নিয়েও উইন্ডরাশ প্রজন্মের সন্তানদের অনেককেই হঠাৎ করে অবৈধ অভিবাসী হিসাবে ঘোষণা করায় অনেকে চাকরি হারান, চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। অনেককে তাদের পিতৃপুরুষের দেশে ফিরেও যেতে হয়েছে।

বিভিন্ন অনুসন্ধানে ফাঁস হয়ে পড়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর সংখ্যা নিয়ে সরকারের গোপন টার্গেটের অন্যায় বলি হয়েছেন বহু পুরনো অনেক ক্যারিবীয় অভিবাসী এবং তাদের সন্তানরা।

এ নিয়ে সরকারের ভেতরেও ক্ষোভ তৈরি হয়।

সাজিদ জাভিদ, যিনি গতকাল পর্যন্ত কম্যুনিটিজ এবং আবাসনমন্ত্রী ছিলেন, তিনিও অভিবাসন সম্পর্কিত ঐ কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে সরব ছিলেন।

লন্ডনের দৈনিক টেলিগ্রাফকে তিনি বলেন, ‘তিনি নিজেও উইন্ডরাশ প্রজন্মের সন্তান, তার বাবা-মাকেও হয়তো রাতারাতি অবৈধ হয়ে যেতে হতো।’

পত্রিকায় সরকারের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করলেও তাকেই প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে অভিবাসন কেলেঙ্কারি সামলানোর দায়িত্ব দিলেন।