ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা কিমের সফর

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জন উন যখন দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করেন, তখন তার চারপাশ ঘিরে ছিল সৈন্যদের বিশাল ব্যূহ।

সুগঠিত শরীর, শত্রুকে নিশানা করার নৈপুণ্য ও মার্শাল আর্টের দক্ষতা বিবেচনা করেই সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে কিমের দেহরক্ষী হিসেবে তাদের পছন্দ করা হয়েছে।-খবর এএফপির।

সুন্দর পরিচ্ছন্ন পোশাক, নীল ও সাদা ডোরা দাগের টাই পরা লোকজন কিমকে ঘিরে রেখেছেন। তিনি যখন সামরিক সীমারেখা পার হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন, তখন তার নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল এমন যে একটি পিঁপড়ারও এসব লোকের চোখ এড়িয়ে কিমের কাছে যাওয়ার সুযোগ ছিল না।

দুই নেতা সকালের বৈঠক শেষ করলে স্ফীত পকেটের লেপাল ব্যাজ পরা একডজন লোক তাদের লাঞ্চের আগে কার্যক্রম শুরু করেন। কিমের অফিসিয়াল গাড়ির আশপাশে তারা জগিং করে এক ধরনের মানব ঢাল তৈরি রাখেন। এ সময়ে তাদের গলার টাই থেকে টপ টপ শব্দ শোনা যাচ্ছিল।

পৃথিবীর কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত সমাজব্যবস্থার একটি হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার। সেক্ষেত্রে তাদের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার কথা বলতে গেলে তুলনা করা হয় লৌহবেষ্টনীর সঙ্গে।

কিম যেখানে উপস্থিত থাকবেন, সেখানে কোনো বিদেশি অংশগ্রহণ করতে চাইলে তাকে কয়েক ঘণ্টার নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সব ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও ফোন অবশ্যই সমর্পণ করে দিতে হবে।

উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা কিম জন ইলের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কাজ করা রি ইয়ং গুক বলেন, বিদেশ ভ্রমণ, সামরিক ইউনিট ও খামার পরিদর্শনের সময় উত্তর কোরিয়ার নেতাকে ছয় স্তূরের নিরাপত্তা দেয়া হয়।

তিনি বলেন, এটিকে পৃথিবীর অন্যতম এক কঠোর নিরাপত্তার চাদর বলা যায়। যার ভেতর দিয়ে একটি পিঁপড়াও প্রবেশ করতে পারে না।

দুই কোরিয়ার বহুল কাঙ্ক্ষিত ও ঐতিহাসিক বৈঠক শুরু হয় শুক্রবার সকালে। এতে নেতৃত্ব দেন দুই দেশের নেতা কিম জং উন ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন।

দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী বেসামরিকীকৃত এলাকা (ডিমিলিটারাইজড জোন) পানজুনজাম গ্রামের পিস হাউসে বৈঠকটি শুরু হয়েছে। চলবে রাত অবধি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা কিমের সফর

আপডেট সময় ০২:১০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জন উন যখন দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করেন, তখন তার চারপাশ ঘিরে ছিল সৈন্যদের বিশাল ব্যূহ।

সুগঠিত শরীর, শত্রুকে নিশানা করার নৈপুণ্য ও মার্শাল আর্টের দক্ষতা বিবেচনা করেই সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে কিমের দেহরক্ষী হিসেবে তাদের পছন্দ করা হয়েছে।-খবর এএফপির।

সুন্দর পরিচ্ছন্ন পোশাক, নীল ও সাদা ডোরা দাগের টাই পরা লোকজন কিমকে ঘিরে রেখেছেন। তিনি যখন সামরিক সীমারেখা পার হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন, তখন তার নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল এমন যে একটি পিঁপড়ারও এসব লোকের চোখ এড়িয়ে কিমের কাছে যাওয়ার সুযোগ ছিল না।

দুই নেতা সকালের বৈঠক শেষ করলে স্ফীত পকেটের লেপাল ব্যাজ পরা একডজন লোক তাদের লাঞ্চের আগে কার্যক্রম শুরু করেন। কিমের অফিসিয়াল গাড়ির আশপাশে তারা জগিং করে এক ধরনের মানব ঢাল তৈরি রাখেন। এ সময়ে তাদের গলার টাই থেকে টপ টপ শব্দ শোনা যাচ্ছিল।

পৃথিবীর কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত সমাজব্যবস্থার একটি হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার। সেক্ষেত্রে তাদের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার কথা বলতে গেলে তুলনা করা হয় লৌহবেষ্টনীর সঙ্গে।

কিম যেখানে উপস্থিত থাকবেন, সেখানে কোনো বিদেশি অংশগ্রহণ করতে চাইলে তাকে কয়েক ঘণ্টার নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সব ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও ফোন অবশ্যই সমর্পণ করে দিতে হবে।

উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা কিম জন ইলের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কাজ করা রি ইয়ং গুক বলেন, বিদেশ ভ্রমণ, সামরিক ইউনিট ও খামার পরিদর্শনের সময় উত্তর কোরিয়ার নেতাকে ছয় স্তূরের নিরাপত্তা দেয়া হয়।

তিনি বলেন, এটিকে পৃথিবীর অন্যতম এক কঠোর নিরাপত্তার চাদর বলা যায়। যার ভেতর দিয়ে একটি পিঁপড়াও প্রবেশ করতে পারে না।

দুই কোরিয়ার বহুল কাঙ্ক্ষিত ও ঐতিহাসিক বৈঠক শুরু হয় শুক্রবার সকালে। এতে নেতৃত্ব দেন দুই দেশের নেতা কিম জং উন ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন।

দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী বেসামরিকীকৃত এলাকা (ডিমিলিটারাইজড জোন) পানজুনজাম গ্রামের পিস হাউসে বৈঠকটি শুরু হয়েছে। চলবে রাত অবধি।