ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

মোদির শাসনকাল জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ: যশবন্ত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মোদি সরকারের শেষ চার বছরের পরিস্থিতি জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। বিজেপি ছাড়ার দুদিন পর যশবন্ত সিনহা এমন মন্তব্য করলেন।

তার দাবি, মোদি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দেশবাসী সুরক্ষিত বোধ করছে না। গণতন্ত্রের পীঠস্থানকে ধ্বংস করেছে বর্তমান শাসক দল। বিজেপির সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, মোদি সরকারের তৈরি করা পরিস্থিতি ইন্দিরা গান্ধীর সময়কার জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ। কেন্দ্রের বর্তমান শাসকের পদক্ষেপের ফলে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদ বোধ করছেন না।

সংসদের বাজেট অধিবেশন নষ্ট হওয়ার জন্য মোদি সরকারকেই দায়ী করেছেন যশবন্ত। তার অভিযোগ, মোদি সরকারই চায়নি যে সংসদ সুষ্ঠুভাবে চলুক। বিরোধীদের দাবি সত্ত্বেও শাসক দল অনাস্থা প্রস্তাবের সম্মুখীন হতে চায়নি।

সাবেক এ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, সুপ্রিমকোর্ট, নির্বাচন কমিশন এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বর্তমান প্রশাসন। যেভাবে বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছে মোদি সরকার, সেই নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেন তিনি।

তার অভিযোগ, বিরোধী নেতাদের কণ্ঠরোধ এবং হেনস্তা করার জন্য সিবিআই, এনআইএ, ইডি এবং আয়কর দফতরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে মোদি সরকার। ‘বিজেপি সংগঠনেই কোনো অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নেই। নেতারা বলেন আর কর্মীরা শোনেন। কারও ক্ষমতা নেই আওয়াজ তোলার,’ যোগ করেন তিনি।

সিনহা জানান, সক্রিয় রাজনীতি ত্যাগ করার পর তিনি এখন সমস্যায় থাকা কৃষক, অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মী, যুব সম্প্রদায়, পড়ুয়া এবং সমাজের দুর্বল শ্রেণিকে সাহায্য করবেন। এর জন্য তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাবেন। উল্লেখ্য, ২১ এপ্রিল বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেন যশবন্ত সিনহা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মোদির শাসনকাল জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ: যশবন্ত

আপডেট সময় ১২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মোদি সরকারের শেষ চার বছরের পরিস্থিতি জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। বিজেপি ছাড়ার দুদিন পর যশবন্ত সিনহা এমন মন্তব্য করলেন।

তার দাবি, মোদি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দেশবাসী সুরক্ষিত বোধ করছে না। গণতন্ত্রের পীঠস্থানকে ধ্বংস করেছে বর্তমান শাসক দল। বিজেপির সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, মোদি সরকারের তৈরি করা পরিস্থিতি ইন্দিরা গান্ধীর সময়কার জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ। কেন্দ্রের বর্তমান শাসকের পদক্ষেপের ফলে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদ বোধ করছেন না।

সংসদের বাজেট অধিবেশন নষ্ট হওয়ার জন্য মোদি সরকারকেই দায়ী করেছেন যশবন্ত। তার অভিযোগ, মোদি সরকারই চায়নি যে সংসদ সুষ্ঠুভাবে চলুক। বিরোধীদের দাবি সত্ত্বেও শাসক দল অনাস্থা প্রস্তাবের সম্মুখীন হতে চায়নি।

সাবেক এ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, সুপ্রিমকোর্ট, নির্বাচন কমিশন এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বর্তমান প্রশাসন। যেভাবে বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছে মোদি সরকার, সেই নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেন তিনি।

তার অভিযোগ, বিরোধী নেতাদের কণ্ঠরোধ এবং হেনস্তা করার জন্য সিবিআই, এনআইএ, ইডি এবং আয়কর দফতরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে মোদি সরকার। ‘বিজেপি সংগঠনেই কোনো অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নেই। নেতারা বলেন আর কর্মীরা শোনেন। কারও ক্ষমতা নেই আওয়াজ তোলার,’ যোগ করেন তিনি।

সিনহা জানান, সক্রিয় রাজনীতি ত্যাগ করার পর তিনি এখন সমস্যায় থাকা কৃষক, অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মী, যুব সম্প্রদায়, পড়ুয়া এবং সমাজের দুর্বল শ্রেণিকে সাহায্য করবেন। এর জন্য তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাবেন। উল্লেখ্য, ২১ এপ্রিল বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেন যশবন্ত সিনহা।