ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মোদির শাসনকাল জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ: যশবন্ত

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মোদি সরকারের শেষ চার বছরের পরিস্থিতি জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। বিজেপি ছাড়ার দুদিন পর যশবন্ত সিনহা এমন মন্তব্য করলেন।

তার দাবি, মোদি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দেশবাসী সুরক্ষিত বোধ করছে না। গণতন্ত্রের পীঠস্থানকে ধ্বংস করেছে বর্তমান শাসক দল। বিজেপির সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, মোদি সরকারের তৈরি করা পরিস্থিতি ইন্দিরা গান্ধীর সময়কার জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ। কেন্দ্রের বর্তমান শাসকের পদক্ষেপের ফলে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদ বোধ করছেন না।

সংসদের বাজেট অধিবেশন নষ্ট হওয়ার জন্য মোদি সরকারকেই দায়ী করেছেন যশবন্ত। তার অভিযোগ, মোদি সরকারই চায়নি যে সংসদ সুষ্ঠুভাবে চলুক। বিরোধীদের দাবি সত্ত্বেও শাসক দল অনাস্থা প্রস্তাবের সম্মুখীন হতে চায়নি।

সাবেক এ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, সুপ্রিমকোর্ট, নির্বাচন কমিশন এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বর্তমান প্রশাসন। যেভাবে বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছে মোদি সরকার, সেই নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেন তিনি।

তার অভিযোগ, বিরোধী নেতাদের কণ্ঠরোধ এবং হেনস্তা করার জন্য সিবিআই, এনআইএ, ইডি এবং আয়কর দফতরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে মোদি সরকার। ‘বিজেপি সংগঠনেই কোনো অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নেই। নেতারা বলেন আর কর্মীরা শোনেন। কারও ক্ষমতা নেই আওয়াজ তোলার,’ যোগ করেন তিনি।

সিনহা জানান, সক্রিয় রাজনীতি ত্যাগ করার পর তিনি এখন সমস্যায় থাকা কৃষক, অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মী, যুব সম্প্রদায়, পড়ুয়া এবং সমাজের দুর্বল শ্রেণিকে সাহায্য করবেন। এর জন্য তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাবেন। উল্লেখ্য, ২১ এপ্রিল বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেন যশবন্ত সিনহা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মোদির শাসনকাল জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ: যশবন্ত

আপডেট সময় ১২:২৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মোদি সরকারের শেষ চার বছরের পরিস্থিতি জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহা। বিজেপি ছাড়ার দুদিন পর যশবন্ত সিনহা এমন মন্তব্য করলেন।

তার দাবি, মোদি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে দেশবাসী সুরক্ষিত বোধ করছে না। গণতন্ত্রের পীঠস্থানকে ধ্বংস করেছে বর্তমান শাসক দল। বিজেপির সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, মোদি সরকারের তৈরি করা পরিস্থিতি ইন্দিরা গান্ধীর সময়কার জরুরি অবস্থার চেয়েও খারাপ। কেন্দ্রের বর্তমান শাসকের পদক্ষেপের ফলে কোনো সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদ বোধ করছেন না।

সংসদের বাজেট অধিবেশন নষ্ট হওয়ার জন্য মোদি সরকারকেই দায়ী করেছেন যশবন্ত। তার অভিযোগ, মোদি সরকারই চায়নি যে সংসদ সুষ্ঠুভাবে চলুক। বিরোধীদের দাবি সত্ত্বেও শাসক দল অনাস্থা প্রস্তাবের সম্মুখীন হতে চায়নি।

সাবেক এ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, সুপ্রিমকোর্ট, নির্বাচন কমিশন এবং সংবাদমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বর্তমান প্রশাসন। যেভাবে বিরোধী কণ্ঠরোধ করতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে ব্যবহার করছে মোদি সরকার, সেই নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ করেন তিনি।

তার অভিযোগ, বিরোধী নেতাদের কণ্ঠরোধ এবং হেনস্তা করার জন্য সিবিআই, এনআইএ, ইডি এবং আয়কর দফতরকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে মোদি সরকার। ‘বিজেপি সংগঠনেই কোনো অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নেই। নেতারা বলেন আর কর্মীরা শোনেন। কারও ক্ষমতা নেই আওয়াজ তোলার,’ যোগ করেন তিনি।

সিনহা জানান, সক্রিয় রাজনীতি ত্যাগ করার পর তিনি এখন সমস্যায় থাকা কৃষক, অসংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মী, যুব সম্প্রদায়, পড়ুয়া এবং সমাজের দুর্বল শ্রেণিকে সাহায্য করবেন। এর জন্য তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাবেন। উল্লেখ্য, ২১ এপ্রিল বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেন যশবন্ত সিনহা।