ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

কোহলির ইনজুরি নিয়ে এ কেমন তামাশা

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ইনজুরিতে পড়ে তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। যার ফলে আইপিএলের একাদশ সিজনে দেখা যাবে না তাকে। পাঠকদের বোকা বানোনার উদ্দেশ্যে ঠিক এমনই সংবাদ পরিবেশন করে ভারতের ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিক ট্যাকার। মূলত এপ্রিল ফুলকে (১ এপ্রিল) স্মরণ করিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যেই কোহলির মতো লিজেন্ড ক্রিকেটারকে নিয়ে হীন সংবাদে মাতে তারা।

ওয়েবসাইটটির খবর, রোববার (১ এপ্রিল) রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স টিম ম্যানেজম্যান্ট থেকে জানানো হয়, ইনজুরিতে পড়ে আইপিএল স্বপ্ন শেষ কোহলির। প্রায় তিনমাসের জন্য বিশ্রামে থাকতে হবে তাকে। এমনকি তার পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্সকে অধিনায়ক করেছে নির্বাচকরা।

এছাড়াও প্রতিবেদনটিতে তারা বেঙ্গালুরুরে কোচ ভেট্টরির বিবৃতিও (ভুয়া) তুলে ধরেন। তিনি নাকি বলেছেন, ‘কোহলির মতো একজন খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি সত্যিই কষ্টকর। নিজ চেষ্টায় চার-পাঁচটি ম্যাচ সে একাই জিতিয়ে দিতে সক্ষম। যাই হোক, আমাদের তরুণ প্রতিভাবান মানদ্বীপ-সরফরাজ ও মাননের মতো খেলোয়াড় দলে উপস্থিত। তারা কোহলির গ্যাপটা পূরণে সাহায্য করবে।’

ক্রিক ট্যাকারের এমন প্রতিবেদনে শুরুতেই বেশিরভাগ পাঠকই বোকা বনে যান। যেটি তাদের ফেসবুকে পেইজের কমেন্ট বক্সে সুস্পষ্ট। অখিল নামে একজন লিখেছেন, ক্রিক ট্যাকার, ভালো হয়ে যাও। তোমরা একজন স্টার ক্রিকেটারকে নিয়ে হাস্য তামাশায় মেতেছ। আশা করি ভবিষ্যতে সুস্পষ্ট কারো নাম উল্লেখ্য করবে না। এছাড়া সামি-জহিরুলের মতো অনেকেই লিখেন, বোকা বানালে। এপ্রিল ফুল বলে কথা।

প্রসঙ্গত, এপ্রিলের ১ তারিখে বোকা বানানোর রীতি দুনিয়াজুড়েই কমবেশি প্রচলিত। ১ এপ্রিল বন্ধুবান্ধব একে অন্যকে বোকা বানিয়ে থাকে। মূলত মুসলমানদের বোকা বানানোর মাধ্য দিয়েই এই দিনটির উৎপত্তি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

কোহলির ইনজুরি নিয়ে এ কেমন তামাশা

আপডেট সময় ০৫:৪২:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

ইনজুরিতে পড়ে তিন মাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে গেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। যার ফলে আইপিএলের একাদশ সিজনে দেখা যাবে না তাকে। পাঠকদের বোকা বানোনার উদ্দেশ্যে ঠিক এমনই সংবাদ পরিবেশন করে ভারতের ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইট ক্রিক ট্যাকার। মূলত এপ্রিল ফুলকে (১ এপ্রিল) স্মরণ করিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যেই কোহলির মতো লিজেন্ড ক্রিকেটারকে নিয়ে হীন সংবাদে মাতে তারা।

ওয়েবসাইটটির খবর, রোববার (১ এপ্রিল) রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স টিম ম্যানেজম্যান্ট থেকে জানানো হয়, ইনজুরিতে পড়ে আইপিএল স্বপ্ন শেষ কোহলির। প্রায় তিনমাসের জন্য বিশ্রামে থাকতে হবে তাকে। এমনকি তার পরিবর্তে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্সকে অধিনায়ক করেছে নির্বাচকরা।

এছাড়াও প্রতিবেদনটিতে তারা বেঙ্গালুরুরে কোচ ভেট্টরির বিবৃতিও (ভুয়া) তুলে ধরেন। তিনি নাকি বলেছেন, ‘কোহলির মতো একজন খেলোয়াড়ের অনুপস্থিতি সত্যিই কষ্টকর। নিজ চেষ্টায় চার-পাঁচটি ম্যাচ সে একাই জিতিয়ে দিতে সক্ষম। যাই হোক, আমাদের তরুণ প্রতিভাবান মানদ্বীপ-সরফরাজ ও মাননের মতো খেলোয়াড় দলে উপস্থিত। তারা কোহলির গ্যাপটা পূরণে সাহায্য করবে।’

ক্রিক ট্যাকারের এমন প্রতিবেদনে শুরুতেই বেশিরভাগ পাঠকই বোকা বনে যান। যেটি তাদের ফেসবুকে পেইজের কমেন্ট বক্সে সুস্পষ্ট। অখিল নামে একজন লিখেছেন, ক্রিক ট্যাকার, ভালো হয়ে যাও। তোমরা একজন স্টার ক্রিকেটারকে নিয়ে হাস্য তামাশায় মেতেছ। আশা করি ভবিষ্যতে সুস্পষ্ট কারো নাম উল্লেখ্য করবে না। এছাড়া সামি-জহিরুলের মতো অনেকেই লিখেন, বোকা বানালে। এপ্রিল ফুল বলে কথা।

প্রসঙ্গত, এপ্রিলের ১ তারিখে বোকা বানানোর রীতি দুনিয়াজুড়েই কমবেশি প্রচলিত। ১ এপ্রিল বন্ধুবান্ধব একে অন্যকে বোকা বানিয়ে থাকে। মূলত মুসলমানদের বোকা বানানোর মাধ্য দিয়েই এই দিনটির উৎপত্তি।