ঢাকা ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান নির্বাচনে সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে: সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নেই: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হাদি হত্যা: ফয়সাল করিমের আরেক সহযোগী গ্রেফতার, ৬ দিনের রিমান্ড টুঙ্গিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনে বিজয়ী হলে প্রয়োজনে জীবন দিয়ে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো : মামুনুল হক তারেক রহমানের জনসভায় যাওয়ার পথে অসুস্থ ফজলুর রহমান গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

রংপুরেও লাঙ্গল মার্কাকে আর ছাড় নয়: নাসিম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছিলেন। আগামী নির্বাচনে রংপুরেও লাঙ্গল মার্কাকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। রংপুরে আওয়ামী লীগ নৌকা মার্কা প্রার্থী দেবে।’

আজ শুক্রবার বিকেলে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে ১৪ দলের জনসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, ষড়যন্ত্র এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলাসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন নেতৃবৃন্দ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

মোহাম্মদ নাসিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করছে তাদেরকে হত্যা করতে চায় ষড়যন্ত্রকারীরা। খালেদা জিয়ার বিএনপি ও জামায়াত শিবির দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশের ওপর যারা বার বার আঘাত করছে তাদের প্রতিহত করতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘যথা সময়ে নির্বাচন হবে। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলেই যথাসময়ে নির্বাচন হবে।” তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ দেশে আর কোনো দিন আসবে না। এ জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। ২০১৪ সালে নির্বাচন না হলে এদেশে এখনো সামরিক শাসন থাকতো।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া জ্বালাও পোড়াও করে ক্ষমতায় আসতে চান। খালেদা জিয়া ও জামায়াত শিবিরের সকল প্রকার চক্রান্ত নস্যাত করে দিতে হবে।’

বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশ থেকে মঙ্গা নামক শব্দটি চলে গেছে। বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান হয়েছে।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলনের ভয় দেখায়। আন্দোলন শিখতে হলে ১৪ দলের কাছে শিখতে হবে। আন্দোলন কাকে বলে ১৪ দল জানে। জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করার ক্ষমতা ১৪ দলের আছে।’ খালেদা জিয়ার অসুস্থতা সর্ম্পকে নাসিম বলেন, ‘খালেদা জিয়া যদি সত্যি অসুস্থ হন-তাহলে আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে বলছি, তাঁর চিকিৎসার সবকিছু আমি বহন করবো।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়েছিলেন। বিএনপি নতুনভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এ ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বির্নিমাণে এগিয়ে যেতে হবে।’

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেন, ‘অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে ১৪ দলের সম্প্রীতিকে আরো মজবুত করতে হবে।’

রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান এমপি, টিপু মুন্সি এমপি, গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শাহদাৎ হোসেন, জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপি ও জাসদ একাংশের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম প্রধান, রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারও নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে : তারেক রহমান

রংপুরেও লাঙ্গল মার্কাকে আর ছাড় নয়: নাসিম

আপডেট সময় ১১:১৮:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘এরশাদ ক্ষমতায় থাকাকালে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পুরস্কৃত করেছিলেন। আগামী নির্বাচনে রংপুরেও লাঙ্গল মার্কাকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। রংপুরে আওয়ামী লীগ নৌকা মার্কা প্রার্থী দেবে।’

আজ শুক্রবার বিকেলে রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে ১৪ দলের জনসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, ষড়যন্ত্র এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. জাফর ইকবালের ওপর হামলাসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন নেতৃবৃন্দ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ১৪ দলের মুখপাত্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

মোহাম্মদ নাসিম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে রক্ষা করছে তাদেরকে হত্যা করতে চায় ষড়যন্ত্রকারীরা। খালেদা জিয়ার বিএনপি ও জামায়াত শিবির দেশটাকে অস্থিতিশীল করে তুলতে আবারো ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশের ওপর যারা বার বার আঘাত করছে তাদের প্রতিহত করতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘যথা সময়ে নির্বাচন হবে। নির্বাচন ছাড়া ক্ষমতায় যাওয়া যায় না। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বলেই যথাসময়ে নির্বাচন হবে।” তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার এ দেশে আর কোনো দিন আসবে না। এ জন্য সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে। ২০১৪ সালে নির্বাচন না হলে এদেশে এখনো সামরিক শাসন থাকতো।’ তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া জ্বালাও পোড়াও করে ক্ষমতায় আসতে চান। খালেদা জিয়া ও জামায়াত শিবিরের সকল প্রকার চক্রান্ত নস্যাত করে দিতে হবে।’

বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এদেশ থেকে মঙ্গা নামক শব্দটি চলে গেছে। বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান হয়েছে।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলনের ভয় দেখায়। আন্দোলন শিখতে হলে ১৪ দলের কাছে শিখতে হবে। আন্দোলন কাকে বলে ১৪ দল জানে। জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করার ক্ষমতা ১৪ দলের আছে।’ খালেদা জিয়ার অসুস্থতা সর্ম্পকে নাসিম বলেন, ‘খালেদা জিয়া যদি সত্যি অসুস্থ হন-তাহলে আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে বলছি, তাঁর চিকিৎসার সবকিছু আমি বহন করবো।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তিনি যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়েছিলেন। বিএনপি নতুনভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এ ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বির্নিমাণে এগিয়ে যেতে হবে।’

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি বলেন, ‘অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে ১৪ দলের সম্প্রীতিকে আরো মজবুত করতে হবে।’

রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান এমপি, টিপু মুন্সি এমপি, গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা শাহদাৎ হোসেন, জাসদ সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার এমপি ও জাসদ একাংশের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলম প্রধান, রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ছাফিয়া খানম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রাজুসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ।