ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড়ের হানা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সর্তকতা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড় হানা দিয়েছে। কালবৈশাখী ঝড়ের হানায় দেশের নদীবন্দরগুলোতে জারি করা হয়েছে ২ নম্বর সর্তকতা সংকেত।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত কয়েকদিন থেকেই দেশের কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে তা বেড়েছে। আর আজ শুক্রবার দেশের সব বিভাগেই শুরু হয়েছে কালবৈশাখী, সঙ্গে শিলা ঝড়ছে।

শুক্রবার রাত ১টা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়ার এক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, পাবনা, বগুড়া, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরকে ০২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র একই দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যাবে। সেই সঙ্গে বজ্র/বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসব এলাকার নদী বন্দরকে ০১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মিজানুর রহমান বলেন, এখন কালবৈশাখীর সময়। এটা ঘনঘন হবে। শুক্রবার দেশের সব বিভাগের ওপর দিয়েই এটা বয়ে যাচ্ছে। তবে সামুদ্রিক সতর্কতা নেই। ভারী বৃষ্টিপাতেরও কোনো পূর্বাভাস নেই। শুক্রবার দেশের সবচেয়ে বেশি ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে তেঁতুলিয়ায়।

এদিকে রাজধানীতেও হঠাৎ কালবৈশাখী হানা দেয়। দুপুরের পর থেকে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিপাত হলেও বিকেল চারটার পরে আকাশ একেবারে ঘনকালো রুপ ধারণ করে।

বিকেলে হঠাৎ ধূলিঝড়ে রাজধানীর সড়কে চলাচল কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। দমকা বাতাসে অনেক হালকা যান ও মোটরসাইকেল আরোহীকে রাস্তার পাশে দাঁড়াতে হয়েছে। সাধারণ পথচারীরা ছুটোছুটি করে বিভিন্ন দোকানের ছাউনি বা বিল্ডিংয়ের কার্নিশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। ঝড়ো হাওয়ায় সব লণ্ডভণ্ড করে দেওয়ার উপক্রম হলেও বৃষ্টিপাত তেমন হয়নি কোথাও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড়ের হানা, নদীবন্দরে ২ নম্বর সর্তকতা

আপডেট সময় ০৮:৩২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশজুড়ে কালবৈশাখী ঝড় হানা দিয়েছে। কালবৈশাখী ঝড়ের হানায় দেশের নদীবন্দরগুলোতে জারি করা হয়েছে ২ নম্বর সর্তকতা সংকেত।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত কয়েকদিন থেকেই দেশের কোথাও কোথাও দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে তা বেড়েছে। আর আজ শুক্রবার দেশের সব বিভাগেই শুরু হয়েছে কালবৈশাখী, সঙ্গে শিলা ঝড়ছে।

শুক্রবার রাত ১টা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়ার এক পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, পাবনা, বগুড়া, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদী বন্দরকে ০২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র একই দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যাবে। সেই সঙ্গে বজ্র/বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। এসব এলাকার নদী বন্দরকে ০১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মিজানুর রহমান বলেন, এখন কালবৈশাখীর সময়। এটা ঘনঘন হবে। শুক্রবার দেশের সব বিভাগের ওপর দিয়েই এটা বয়ে যাচ্ছে। তবে সামুদ্রিক সতর্কতা নেই। ভারী বৃষ্টিপাতেরও কোনো পূর্বাভাস নেই। শুক্রবার দেশের সবচেয়ে বেশি ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে তেঁতুলিয়ায়।

এদিকে রাজধানীতেও হঠাৎ কালবৈশাখী হানা দেয়। দুপুরের পর থেকে কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টিপাত হলেও বিকেল চারটার পরে আকাশ একেবারে ঘনকালো রুপ ধারণ করে।

বিকেলে হঠাৎ ধূলিঝড়ে রাজধানীর সড়কে চলাচল কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। দমকা বাতাসে অনেক হালকা যান ও মোটরসাইকেল আরোহীকে রাস্তার পাশে দাঁড়াতে হয়েছে। সাধারণ পথচারীরা ছুটোছুটি করে বিভিন্ন দোকানের ছাউনি বা বিল্ডিংয়ের কার্নিশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। ঝড়ো হাওয়ায় সব লণ্ডভণ্ড করে দেওয়ার উপক্রম হলেও বৃষ্টিপাত তেমন হয়নি কোথাও।