ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুঠোফোনের দোকানে কোটি টাকার হেরোইন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় একটি মুঠোফোনের দোকান থেকে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের এক কেজি ৯০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার রেলগেট বাইপাস মোড়ের একটি দোকান থেকে হেরোইনগুলো উদ্ধার করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

এ সময় রিপন আলী (২৮) নামে এক যুবককে দোকানটি থেকে আটক করা হয়েছে। রিপন দোকানের কর্মচারী। দোকানটির নাম ‘রাহিম টেলিকম’। এর মালিকের নাম জসিম উদ্দিন। তিনি মাটিকাটা সহড়াগাছি গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে। আর আটক রিপন আলী মাটিকাটা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে।

দোকান মালিক জসিম মাটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সেতাফুর রহমান ওরফে বাবুর ফুফাতো ভাই। এছাড়া তিনি গোদাগাড়ীর আরেক তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ওরফে নয়ন ডাক্তারের ভাগ্নে। ইউপি সদস্য বাবুও পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। গোদাগাড়ী থানার পরিদর্শক আলতাফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আতাউর রহমান জানান, সন্ধ্যায় তারা খবর পান- ভারত থেকে হেরোইনের বড় একটা চালান মাদক ব্যবসায়ী জসিমের মুঠোফোনের দোকানে এসে ঢুকেছে। গভীর রাতে সেগুলো পাচার হয়ে যাবে। এই খবরের ভিত্তিতে দ্রুত তারা দোকানটিতে অভিযান চালান।

এরপর তল্লাশির একপর্যায়ে দোকানে থাকা মসলার প্যাকেটের ভেতর হেরোইনগুলো পাওয়া যায়। প্যাকেটের সংখ্যা ১৯টি। প্রতিটির ওজন ১০০ গ্রাম। হেরোইনগুলোর আনুমানিক মূল্য ৯৫ লাখ টাকা। মাদকের এই কারবারে সহযোগিতার অভিযোগে দোকান কর্মচারী রিপনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান পরিদর্শক আতাউর রহমান।

জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম জানান, রিপন আলীকে জেলা ডিবির কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হেরোইনগুলোর মালিক কে, কোথা থেকে এসেছে, কোথায় যেত- তার কাছ থেকে এসব বিষয়ই জানার চেষ্টা চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গোদাগাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় একটি মামলাও করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মুঠোফোনের দোকানে কোটি টাকার হেরোইন

আপডেট সময় ১২:৫৫:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় একটি মুঠোফোনের দোকান থেকে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের এক কেজি ৯০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার রেলগেট বাইপাস মোড়ের একটি দোকান থেকে হেরোইনগুলো উদ্ধার করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

এ সময় রিপন আলী (২৮) নামে এক যুবককে দোকানটি থেকে আটক করা হয়েছে। রিপন দোকানের কর্মচারী। দোকানটির নাম ‘রাহিম টেলিকম’। এর মালিকের নাম জসিম উদ্দিন। তিনি মাটিকাটা সহড়াগাছি গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে। আর আটক রিপন আলী মাটিকাটা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে।

দোকান মালিক জসিম মাটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য সেতাফুর রহমান ওরফে বাবুর ফুফাতো ভাই। এছাড়া তিনি গোদাগাড়ীর আরেক তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ওরফে নয়ন ডাক্তারের ভাগ্নে। ইউপি সদস্য বাবুও পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। গোদাগাড়ী থানার পরিদর্শক আলতাফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আতাউর রহমান জানান, সন্ধ্যায় তারা খবর পান- ভারত থেকে হেরোইনের বড় একটা চালান মাদক ব্যবসায়ী জসিমের মুঠোফোনের দোকানে এসে ঢুকেছে। গভীর রাতে সেগুলো পাচার হয়ে যাবে। এই খবরের ভিত্তিতে দ্রুত তারা দোকানটিতে অভিযান চালান।

এরপর তল্লাশির একপর্যায়ে দোকানে থাকা মসলার প্যাকেটের ভেতর হেরোইনগুলো পাওয়া যায়। প্যাকেটের সংখ্যা ১৯টি। প্রতিটির ওজন ১০০ গ্রাম। হেরোইনগুলোর আনুমানিক মূল্য ৯৫ লাখ টাকা। মাদকের এই কারবারে সহযোগিতার অভিযোগে দোকান কর্মচারী রিপনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান পরিদর্শক আতাউর রহমান।

জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম জানান, রিপন আলীকে জেলা ডিবির কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হেরোইনগুলোর মালিক কে, কোথা থেকে এসেছে, কোথায় যেত- তার কাছ থেকে এসব বিষয়ই জানার চেষ্টা চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গোদাগাড়ী থানায় হস্তান্তর করা হবে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় একটি মামলাও করা হবে।