অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
গণহত্যা ও নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জনে বাংলাদেশকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত ‘স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ: সুযোগ-চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এরই মধ্যে সব শর্ত পূরণ করেছে মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সঠিক পথেই সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। তবে স্বল্পোন্নত দেশে থেকে উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জন করতে রোহিঙ্গা সংকট আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’
এলডিসি অর্জনে বাংলাদেশের সামনে যেমন কিছু সুযোগ তৈরি হবে, তেমনি অনেক চ্যালেঞ্জও আসবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। আর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুব বলেও জানান তিনি।
মাহমুদ আলী বলেন, ‘আমাদের আর্থ-সামাজিক যে উন্নয়ন হয়েছে, তাতে প্রতিযোগিতা করেই বিশ্ববাজারে টিকে থাকার সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের ফলে, মানবসম্পদ রপ্তানি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগে গতি বাড়বে। তবে তৈরি পোশাকসহ রপ্তানি পণ্যের ওপর প্রায় ১৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশানো ও প্রশিক্ষণের জন্য বৃত্তি সুবিধা কমে যাবে। বাড়বে ওষুধের দাম।’
‘এলডিসি থেকে বের হওয়ার পর, জেএসপি প্লাস পাওয়ার সুযোগও বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারবে।’
জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ফেকিটামোয়েলোয়া কাটোয়া ইউটোইকামানু বলেন, ‘বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণে সব শর্ত পূরণ করেছে। তবে এটা অর্জন করা খুব সহজ ছিল না। এলডিসি থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের সামনে যেমন সুযোগ রয়েছে, তেমনি নতুন চ্যালেঞ্জও রয়েছে।’
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশকে এখন থেকে প্রস্তুত থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন জাতিসংঘের এই আন্ডার সেক্রেটারি।
পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ব খাদ্য সংস্থার কান্ট্রি ডিরেক্টর ও বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্রিস্টা রাডের।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















