ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শিক্ষার্থীকে নোটিশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৭০ জনকে শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ফেইসবুকে নিজেদের গ্রুপে শিক্ষকদের পড়ানোর সমালোচনা করায় তাদের কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সোহায়েলকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে চিঠি পাঠিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ওই তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা বিভাগীয় বিভিন্ন বিষয়ে ফেইসবুকে অশালীন, অসম্মানজনক ও আপত্তিকর ট্রলিং ও মন্তব্য করায় বিভাগের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। উক্ত পেইজে আপনার সংশ্লিষ্টতা থাকায় অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আগামী ৩ অগাস্ট সকাল ১০টায় তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য আদেশ করা হল। ‘

কারণ দর্শানোর চিঠি পাওয়া একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ফেইসবুক পেইজটিতে বিভাগের শিক্ষকদের পাঠদান নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনামূলক মন্তব্য করা হয়েছিল। শিক্ষকরা সঠিকভাবে পড়াতে পারেন না এবং গুগল থেকে স্লাইড ডাউনলোড করে এনে তারা শ্রেণিকক্ষে পড়ান, বলেন তাদের একজন।

ওই পেইজ যে শিক্ষার্থীরা চালাতেন, বিভিন্ন সময় যারা এতে লিখেছেন এবং লাইক বা কমেন্ট করেছেন তাদের সবাইকে তদন্ত কমিটিতে ডাকা হয়েছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। বিভাগের পক্ষ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এনে ফেইসবুক পেইজটির এ্যডমিনদের শনাক্তের পর বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সোহায়েল বলেন, এটা আমাদের বিভাগের ব্যাপার।

তদন্ত কমিটি বিভাগ গঠন করেছে, বিশ্ববিদ্যালয় করেনি। এটা একটা ফ্যামিলি ম্যাটারের মতো। বিষয়টাকে আমরা পরিবারের মধ্যেই রাখতে চাচ্ছি। আমরা চাইব, বিষয়টা পারিবারিকভাবেই মিনিমাইজ করতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭০ শিক্ষার্থীকে নোটিশ

আপডেট সময় ০৪:৫৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৭০ জনকে শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ফেইসবুকে নিজেদের গ্রুপে শিক্ষকদের পড়ানোর সমালোচনা করায় তাদের কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সোহায়েলকে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে চিঠি পাঠিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ওই তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা বিভাগীয় বিভিন্ন বিষয়ে ফেইসবুকে অশালীন, অসম্মানজনক ও আপত্তিকর ট্রলিং ও মন্তব্য করায় বিভাগের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। উক্ত পেইজে আপনার সংশ্লিষ্টতা থাকায় অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আগামী ৩ অগাস্ট সকাল ১০টায় তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য আদেশ করা হল। ‘

কারণ দর্শানোর চিঠি পাওয়া একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ফেইসবুক পেইজটিতে বিভাগের শিক্ষকদের পাঠদান নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনামূলক মন্তব্য করা হয়েছিল। শিক্ষকরা সঠিকভাবে পড়াতে পারেন না এবং গুগল থেকে স্লাইড ডাউনলোড করে এনে তারা শ্রেণিকক্ষে পড়ান, বলেন তাদের একজন।

ওই পেইজ যে শিক্ষার্থীরা চালাতেন, বিভিন্ন সময় যারা এতে লিখেছেন এবং লাইক বা কমেন্ট করেছেন তাদের সবাইকে তদন্ত কমিটিতে ডাকা হয়েছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা। বিভাগের পক্ষ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এনে ফেইসবুক পেইজটির এ্যডমিনদের শনাক্তের পর বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সোহায়েল বলেন, এটা আমাদের বিভাগের ব্যাপার।

তদন্ত কমিটি বিভাগ গঠন করেছে, বিশ্ববিদ্যালয় করেনি। এটা একটা ফ্যামিলি ম্যাটারের মতো। বিষয়টাকে আমরা পরিবারের মধ্যেই রাখতে চাচ্ছি। আমরা চাইব, বিষয়টা পারিবারিকভাবেই মিনিমাইজ করতে।