ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

ম্যানইউর ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো পানিতে!

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বিলিয়ন ডলার খরচ করে দল গড়েও পারেনি পিএসজি। রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেই শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

পারল না হোসে মরিনহোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও। ইংলিশ জায়ান্টদেরও সেই শেষ ষোলোতেই বিদায়ঘণ্টা বাজল।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ থেকে ইউনাইটেডের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিল সেভিয়া। প্রথম লেগে গোলশূন্য ড্রয়ের পর মঙ্গলবার ফিরতি লেগে ইউনাইটেডের মাঠে ২-১ গোলে জয়ী হয় স্প্যানিশ ক্লাব।

দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ অগ্রগামিতায় তারা উঠে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। সেভিয়ার কাছে এই হারের মধ্যদিয়ে পানিতে গেল ইউনাইটেডের ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো!

না, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পুরো দল গড়তে এই ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো খরচ হয়নি। দলের শক্তিবৃদ্ধির আশায় ইউনাইটেড এই অর্থ ঢেলেছে গত দুই মৌসুমে। কোচ মরিনহোর পছন্দের খেলোয়াড়দের পেছনে।

মানে, ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর সঙ্গে মরিনহোর যোগসূত্র আছে। আসলে তাকে ধুয়ে দিতেই ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর বিষয়টি আলাদা করে আলোচনায় আসছে।

স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই খাবি খাচ্ছে ম্যানইউ। ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল ক্লাবটি ২০১৬ সালে মরিনহোকে কোচ হিসেবে ভাড়া করে আনে দলকে জাগিয়ে তোলার জন্য।

কোচ হয়ে আসার পর মরিনহোও মনোযোগী হন শক্তি বাড়ানোর দিকে। একের পর এক কিনতে থাকেন পছন্দের খেলোয়াড়। দায়িত্ব নেয়ার পর জুভেন্টাস থেকে সেসময়ের রেকর্ড ১০৫ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে ফরাসি মিডফিল্ডার পল পগবাকে কিনে আনেন মরিনহো।

এরপর একে একে কেনেন হেনরিখ মিখাতারিয়ান (৪২ মিলিয়ন ইউরো), এরিক বেইলি (৩৮ মিলিয়ন ইউরো), রোমেলু লুকাকু (৮৫ মিলিয়ন ইউরো), নেমানিয়া মাতিচ (৪৫ মিলিয়ন ইউরো) ও ভিক্টর ল্যান্ডলফকে (৩৫ মিলিয়ন ইউরো)। সবশেষ গত জানুয়ারিতে আর্সেনাল থেকে দলে টেনেছেন অ্যালেক্সিস সানচেজকে। চিলির এই ফরোয়ার্ডকে ম্যানইউ অবশ্য দলে ভিড়িয়েছে মিখাতারিয়ানের সঙ্গে বিনিময় চুক্তির ভিত্তিতে। সঙ্গে কিছু নগদ অর্থও দিতে হয়েছে।

কিন্তু যেজন্য এত বিনিয়োগ, সেই সাফল্য পেতেই ব্যর্থ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের শিরোপা আশা বলতে গেলে আগেই মিলিয়ে গেছে। লীগ কাপের শিরোপা আশাও অনেক আগেই শেষ। একমাত্র আশা ছিল উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ। মরিনহোর দলের সেই শেষ আশাটুকুও কেড়ে নিল সেভিয়া।

এই জয়ের মধ্যদিয়ে সেভিয়া আসলে মরিনহোকে ফেলে দিয়েছে সমালোচনার তপ্ত কড়াইয়ের মধ্যে। ইউরোর বড় বড় সব ক্লাবই দলবদলের বাজারে দু’হাতে অর্থ খরচ করে। দুই মৌসুম নয়, শুধু মৌসুমেই নতুন খেলোয়াড় কেনার পেছনে পিএসজি, বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার সিটির মতো ক্লাবগুলো খরচ করেছে ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি। তারপরও মরিনহোর খরচ করা ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো বিশেষভাবে আলোচনায়।

কারণ মরিনহো যাদের পেছনে এই অর্থ ঢেলেছেন, তাদের কেউই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। সমালোচকদের মতে, মরিনহো আসলে অর্থ ঢেলেছেন অপাত্রে! শক্তিবৃদ্ধি হয়নি, দল আরও দুর্বল হয়েছে! ওয়েবসাইট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ম্যানইউর ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো পানিতে!

আপডেট সময় ০৫:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বিলিয়ন ডলার খরচ করে দল গড়েও পারেনি পিএসজি। রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেই শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

পারল না হোসে মরিনহোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও। ইংলিশ জায়ান্টদেরও সেই শেষ ষোলোতেই বিদায়ঘণ্টা বাজল।

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ থেকে ইউনাইটেডের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিল সেভিয়া। প্রথম লেগে গোলশূন্য ড্রয়ের পর মঙ্গলবার ফিরতি লেগে ইউনাইটেডের মাঠে ২-১ গোলে জয়ী হয় স্প্যানিশ ক্লাব।

দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ অগ্রগামিতায় তারা উঠে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। সেভিয়ার কাছে এই হারের মধ্যদিয়ে পানিতে গেল ইউনাইটেডের ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো!

না, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পুরো দল গড়তে এই ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো খরচ হয়নি। দলের শক্তিবৃদ্ধির আশায় ইউনাইটেড এই অর্থ ঢেলেছে গত দুই মৌসুমে। কোচ মরিনহোর পছন্দের খেলোয়াড়দের পেছনে।

মানে, ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর সঙ্গে মরিনহোর যোগসূত্র আছে। আসলে তাকে ধুয়ে দিতেই ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর বিষয়টি আলাদা করে আলোচনায় আসছে।

স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন সরে দাঁড়ানোর পর থেকেই খাবি খাচ্ছে ম্যানইউ। ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল ক্লাবটি ২০১৬ সালে মরিনহোকে কোচ হিসেবে ভাড়া করে আনে দলকে জাগিয়ে তোলার জন্য।

কোচ হয়ে আসার পর মরিনহোও মনোযোগী হন শক্তি বাড়ানোর দিকে। একের পর এক কিনতে থাকেন পছন্দের খেলোয়াড়। দায়িত্ব নেয়ার পর জুভেন্টাস থেকে সেসময়ের রেকর্ড ১০৫ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে ফরাসি মিডফিল্ডার পল পগবাকে কিনে আনেন মরিনহো।

এরপর একে একে কেনেন হেনরিখ মিখাতারিয়ান (৪২ মিলিয়ন ইউরো), এরিক বেইলি (৩৮ মিলিয়ন ইউরো), রোমেলু লুকাকু (৮৫ মিলিয়ন ইউরো), নেমানিয়া মাতিচ (৪৫ মিলিয়ন ইউরো) ও ভিক্টর ল্যান্ডলফকে (৩৫ মিলিয়ন ইউরো)। সবশেষ গত জানুয়ারিতে আর্সেনাল থেকে দলে টেনেছেন অ্যালেক্সিস সানচেজকে। চিলির এই ফরোয়ার্ডকে ম্যানইউ অবশ্য দলে ভিড়িয়েছে মিখাতারিয়ানের সঙ্গে বিনিময় চুক্তির ভিত্তিতে। সঙ্গে কিছু নগদ অর্থও দিতে হয়েছে।

কিন্তু যেজন্য এত বিনিয়োগ, সেই সাফল্য পেতেই ব্যর্থ। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের শিরোপা আশা বলতে গেলে আগেই মিলিয়ে গেছে। লীগ কাপের শিরোপা আশাও অনেক আগেই শেষ। একমাত্র আশা ছিল উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ। মরিনহোর দলের সেই শেষ আশাটুকুও কেড়ে নিল সেভিয়া।

এই জয়ের মধ্যদিয়ে সেভিয়া আসলে মরিনহোকে ফেলে দিয়েছে সমালোচনার তপ্ত কড়াইয়ের মধ্যে। ইউরোর বড় বড় সব ক্লাবই দলবদলের বাজারে দু’হাতে অর্থ খরচ করে। দুই মৌসুম নয়, শুধু মৌসুমেই নতুন খেলোয়াড় কেনার পেছনে পিএসজি, বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার সিটির মতো ক্লাবগুলো খরচ করেছে ৩৫০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি। তারপরও মরিনহোর খরচ করা ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো বিশেষভাবে আলোচনায়।

কারণ মরিনহো যাদের পেছনে এই অর্থ ঢেলেছেন, তাদের কেউই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। সমালোচকদের মতে, মরিনহো আসলে অর্থ ঢেলেছেন অপাত্রে! শক্তিবৃদ্ধি হয়নি, দল আরও দুর্বল হয়েছে! ওয়েবসাইট।