ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের নাম না নিয়ে ইরানে হামলার নিন্দা জামায়াত আমিরের বাংলাদেশে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছেন তারেক রহমান: মঈন খান উইন্ডিজকে বিদায় করে সেমিফাইনালে ভারত ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় রাজি ট্রাম্প রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আহমেদিনেজাদ নিহত ইরানে হামলা বন্ধ না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো: এটিএম আজহার রুমমেটের দেহ ৭ টুকরো করে পাঁচ জায়গায় ফেলে আসেন শাহীন: পুলিশ সাধারণ মানুষ যেন উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পায়, সে বিষয়ে সবসময় সজাগ থাকব : মির্জা ফখরুল ভারতের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে জনগণ, রাজনৈতিক দল নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শত্রুতার জেরে পোল্ট্রি খামারে বিষ, ছয় শতাধিক মুরগি হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরের তারাগঞ্জে শত্রুতার জেরে পোল্ট্রি খামারে বিষ প্রয়োগ করে ছয় শতাধিক মুরগির বাচ্চা মেরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাণি হত্যার এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের শেরমস্ত চৌধুরীপাড়া এলাকায়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলমপুর গ্রামের শেখ কামাল উদ্দিন গত কয়েক বছর আগে বাড়ির পাশে একটি মুরগির খামার গড়ে তোলেন। ভালোভাবেই চলছিল তার খামারটি। এর মধ্যে একই এলাকার মাহাবুব হোসেন, মজনু মিয়া, আতিকুর রহমান ও সাদেক ইসলামের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জের ধরে গত ২ মার্চ শেখ কামাল তার পৈতৃক জমির সীমানা মাপজোখ করতে গেলে একই গ্রামের মাহাবুব রহমান ও তার ভাইদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শেখ কামালের পরিবারের ওপর হামলা করে তারা। এ সময় জমি জোরপূর্বক দখল নেয়ার চেষ্টাও করা হয়। এতে এলাকার লোকজন মাহাবুব ও তার লোকজনকে বাধা দেয়। শেখ কামালসহ তার পরিবারের লোকজনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে চলে যায় তারা। এ ঘটনায় পরের দিন স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক করা হলেও ঘটনার সুরাহা না হওয়ায় শেখ কামাল ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে শেখ কামাল খামারে মুরগির বাচ্চার খাদ্য দিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। বুধবার সকালে খামারে এসে দেখতে পান খামারের ভেতর প্রায় ছয় শতাধিক মুরগির বাচ্চা মরে গিয়ে প্রাণহীন হয়ে পড়ে আছে।

এ ব্যাপারে পোল্ট্রি খামারের চিকিৎসক নয়ন রহমান ও বেসরকারি এসিআই কোম্পানির দায়িত্বরত চিকিৎসক পলাশ রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষ প্রয়োগ করে মুরগির বাচ্চাগুলো হত্যা করা হয়েছে। কারণ এক রাতের ব্যবধানে এত মুরগির বাচ্চা মরে যাওয়ার কথা নয়।

ওই খামারের মালিক শেখ কামাল অভিযোগ করেন, সকালে এসে দেখি খামারের দরজা খোলা অবস্থায় পড়ে আছে। রাতের কোনো একসময় খাদ্যে বিষ প্রয়োগ করে মুরগির বাচ্চাগুলো মেরে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার জন্য তিনি প্রতিবেশী মাহাবুব ও তার ভাইদের দায়ী করেন।

অভিযুক্ত মাহাবুব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের ফাঁসানোর জন্য মিথ্যা দুর্নাম দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তারাগঞ্জ থানার ওসি জিন্নাত আলী বলেন, ঘটনাটি মৌখিকভাবে শুনেছি। এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শত্রুতার জেরে পোল্ট্রি খামারে বিষ, ছয় শতাধিক মুরগি হত্যা

আপডেট সময় ১১:১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরের তারাগঞ্জে শত্রুতার জেরে পোল্ট্রি খামারে বিষ প্রয়োগ করে ছয় শতাধিক মুরগির বাচ্চা মেরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাণি হত্যার এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের শেরমস্ত চৌধুরীপাড়া এলাকায়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলমপুর গ্রামের শেখ কামাল উদ্দিন গত কয়েক বছর আগে বাড়ির পাশে একটি মুরগির খামার গড়ে তোলেন। ভালোভাবেই চলছিল তার খামারটি। এর মধ্যে একই এলাকার মাহাবুব হোসেন, মজনু মিয়া, আতিকুর রহমান ও সাদেক ইসলামের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার জের ধরে গত ২ মার্চ শেখ কামাল তার পৈতৃক জমির সীমানা মাপজোখ করতে গেলে একই গ্রামের মাহাবুব রহমান ও তার ভাইদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়।

একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে শেখ কামালের পরিবারের ওপর হামলা করে তারা। এ সময় জমি জোরপূর্বক দখল নেয়ার চেষ্টাও করা হয়। এতে এলাকার লোকজন মাহাবুব ও তার লোকজনকে বাধা দেয়। শেখ কামালসহ তার পরিবারের লোকজনকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে চলে যায় তারা। এ ঘটনায় পরের দিন স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক করা হলেও ঘটনার সুরাহা না হওয়ায় শেখ কামাল ১৬ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে মঙ্গলবার রাতে শেখ কামাল খামারে মুরগির বাচ্চার খাদ্য দিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। বুধবার সকালে খামারে এসে দেখতে পান খামারের ভেতর প্রায় ছয় শতাধিক মুরগির বাচ্চা মরে গিয়ে প্রাণহীন হয়ে পড়ে আছে।

এ ব্যাপারে পোল্ট্রি খামারের চিকিৎসক নয়ন রহমান ও বেসরকারি এসিআই কোম্পানির দায়িত্বরত চিকিৎসক পলাশ রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষ প্রয়োগ করে মুরগির বাচ্চাগুলো হত্যা করা হয়েছে। কারণ এক রাতের ব্যবধানে এত মুরগির বাচ্চা মরে যাওয়ার কথা নয়।

ওই খামারের মালিক শেখ কামাল অভিযোগ করেন, সকালে এসে দেখি খামারের দরজা খোলা অবস্থায় পড়ে আছে। রাতের কোনো একসময় খাদ্যে বিষ প্রয়োগ করে মুরগির বাচ্চাগুলো মেরে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার জন্য তিনি প্রতিবেশী মাহাবুব ও তার ভাইদের দায়ী করেন।

অভিযুক্ত মাহাবুব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের ফাঁসানোর জন্য মিথ্যা দুর্নাম দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তারাগঞ্জ থানার ওসি জিন্নাত আলী বলেন, ঘটনাটি মৌখিকভাবে শুনেছি। এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।