ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

শ্রেণিকক্ষে ক্লাস চলাকালীন শিক্ষকের ঘুম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শ্রেণিকক্ষে গণিত শিক্ষকের ঘুমন্ত ছবি তুলে গত ২৭ জুলাই হোয়াটসঅ্যাপে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছিলেন ভারতের তেলেঙ্গনা রাজ্যের মাহবুবনগর জেলার দশম শ্রেণির এক ছাত্র। ছবি দেখে শিক্ষা কর্মকর্তা ওই শিক্ষককে বহিষ্কারর করেন। আর তাতে ক্ষেপে যান শিক্ষক। ওই ছাত্রকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

শুধু হুমকি দিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি শিক্ষক। ওই ছাত্রকে পুলিশ দিয়ে মারধর করানোর অভিযোগও উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছাত্রের অভিযোগ, তাকে গত শনিবার মাহবুবনগরের জিলা পরিষদ হাইস্কুলের মাঠের ভলিবল পোস্টের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে দুই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে স্কুল মাঠে মদ্য পানের অভিযোগ আনে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) বালালা হাক্কুলা সাঙ্গহামের সভাপতি আচ্যুত রাও বলেন, ‘ওই ছাত্র গত ২৭ জুলাই শ্রেণিকক্ষে ঘুমন্ত শিক্ষকের ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে মাহবুবনগরের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছিল। পরে শিক্ষা কর্মকর্তা শিক্ষককে রামুলুকে বহিষ্কার করেন।

রাও অভিযোগ করে বলেন, এরপর রামুলুসহ কয়েকজন শিক্ষক ওই ছাত্রকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ জন্য তারা উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুলু ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর শনিবার স্কুল মাঠে গিয়ে সাইদুলু ও জাহাঙ্গীর ওই ছাত্রকে বেদম মারধর করেন।

ঘটনার শিকার ওই ছাত্র জানায়, সে ও তার বন্ধুরা ওই দিন স্কুল মাঠে তাদের সংগঠনের কর্ম ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছিল। ঠিক তখনই এ ঘটনা ঘটে। সে বলে, ‘আমরা সংগঠনের টাকা তুলছিলাম, এবং আঙুল উঁচু করছিলাম (কোনো কিছুতে সন্তুষ্ট হয়ে আঙুল উঁচু করা)। যখন আমরা দেখলাম আমাদের দিকে পুলিশ এগিয়ে আসছে, তখন অন্যরা দৌড়ে পালায়। কিন্তু পুলিশ আমাকে ধরে ফেলে। এরপর ভলিবল পোস্টের সঙ্গে বেঁধে তারা আমাকে বেদম মারতে থাকে।

এ ঘটনায় মাহবুবনগরের পুলিশ সুপার (এসপি) রেমা রাজেশ্বরী ডেপুটি এসপি ভাস্কর গাউদকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ভাস্কর জানিয়েছেন, এনজিওটির বক্তব্য অসামঞ্জস্যপূর্ণ। ওই ছাত্র ও তার বন্ধুরা মিলে স্কুলের মাঠে বসে মদ পান করছিল বলে তারা প্রমাণ পেয়েছে। তারপরও যদি ওই ছাত্র পুলিশের মারধরের শিকার হয়, তবে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

শ্রেণিকক্ষে ক্লাস চলাকালীন শিক্ষকের ঘুম

আপডেট সময় ০১:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শ্রেণিকক্ষে গণিত শিক্ষকের ঘুমন্ত ছবি তুলে গত ২৭ জুলাই হোয়াটসঅ্যাপে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছিলেন ভারতের তেলেঙ্গনা রাজ্যের মাহবুবনগর জেলার দশম শ্রেণির এক ছাত্র। ছবি দেখে শিক্ষা কর্মকর্তা ওই শিক্ষককে বহিষ্কারর করেন। আর তাতে ক্ষেপে যান শিক্ষক। ওই ছাত্রকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

শুধু হুমকি দিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি শিক্ষক। ওই ছাত্রকে পুলিশ দিয়ে মারধর করানোর অভিযোগও উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ছাত্রের অভিযোগ, তাকে গত শনিবার মাহবুবনগরের জিলা পরিষদ হাইস্কুলের মাঠের ভলিবল পোস্টের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে দুই পুলিশ কর্মকর্তা। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো ওই ছাত্রের বিরুদ্ধে স্কুল মাঠে মদ্য পানের অভিযোগ আনে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) বালালা হাক্কুলা সাঙ্গহামের সভাপতি আচ্যুত রাও বলেন, ‘ওই ছাত্র গত ২৭ জুলাই শ্রেণিকক্ষে ঘুমন্ত শিক্ষকের ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে মাহবুবনগরের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছিল। পরে শিক্ষা কর্মকর্তা শিক্ষককে রামুলুকে বহিষ্কার করেন।

রাও অভিযোগ করে বলেন, এরপর রামুলুসহ কয়েকজন শিক্ষক ওই ছাত্রকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ জন্য তারা উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুলু ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহাঙ্গীরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর শনিবার স্কুল মাঠে গিয়ে সাইদুলু ও জাহাঙ্গীর ওই ছাত্রকে বেদম মারধর করেন।

ঘটনার শিকার ওই ছাত্র জানায়, সে ও তার বন্ধুরা ওই দিন স্কুল মাঠে তাদের সংগঠনের কর্ম ও পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছিল। ঠিক তখনই এ ঘটনা ঘটে। সে বলে, ‘আমরা সংগঠনের টাকা তুলছিলাম, এবং আঙুল উঁচু করছিলাম (কোনো কিছুতে সন্তুষ্ট হয়ে আঙুল উঁচু করা)। যখন আমরা দেখলাম আমাদের দিকে পুলিশ এগিয়ে আসছে, তখন অন্যরা দৌড়ে পালায়। কিন্তু পুলিশ আমাকে ধরে ফেলে। এরপর ভলিবল পোস্টের সঙ্গে বেঁধে তারা আমাকে বেদম মারতে থাকে।

এ ঘটনায় মাহবুবনগরের পুলিশ সুপার (এসপি) রেমা রাজেশ্বরী ডেপুটি এসপি ভাস্কর গাউদকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ভাস্কর জানিয়েছেন, এনজিওটির বক্তব্য অসামঞ্জস্যপূর্ণ। ওই ছাত্র ও তার বন্ধুরা মিলে স্কুলের মাঠে বসে মদ পান করছিল বলে তারা প্রমাণ পেয়েছে। তারপরও যদি ওই ছাত্র পুলিশের মারধরের শিকার হয়, তবে আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।