ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা দেশের জনগণই নির্ধারণ করবে ইরানের ভবিষ্যৎ: পেজেশকিয়ান সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, হজের বিমান ভাড়া আরও কমবে: পর্যটনমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে : মির্জা ফখরুল জুলাই সনদ নয়, সংবিধান সংশোধনে ব্যস্ত সরকার: মাহমুদা মিতু গণতন্ত্র শক্তিশালী না হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত হবে না আ.লীগ নেতার ছেলের লাঠির আঘাতে বিএনপি নেতার মৃত্যু গালাগালি ও হামলা দুটোই অতীতমুখী রাজনীতি: মঞ্জু মধ্যস্থতার মাধ্যমে মামলাজট কমিয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব: আইনমন্ত্রী

বিএনপির মানববন্ধন প্রেসক্লাবে, অবস্থান নয়াপল্টনে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ড পাওয়া দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির স্থান ঘোষণা করেছে বিএনপি।

আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন এবং বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন হবে বলে জানিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। দলের পক্ষ থেকে পুলিশকেও এই বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সোমবার দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন বিএনপির সি‌নিয়র যুগ্ম মহাসচিব। আগের দিন তিনি এই কর্মসূচি ঘোষণা করলেও স্থান জানাননি। ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশেও হবে এই মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেয়ার প্রতিবাদে পরদিন থেকে ধারাবাহিকভাবে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন এবং পরদিন নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে বিএনপি।

এ ছাড়াও বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, ঢাকার বাইরে সমাবেশ, গণস্বাক্ষর, লিফলেট বিতরণ, কালো পতাকা প্রদর্শনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে দলটি।

দলের নেতাদের অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দিয়ে ঘোষণা করা রায় দেয়া হয়েছে সরকারের প্রভাবে। গত ২৫ জানুয়ারি রায়ের তারিখ ঘোষণার পর খালেদা জিয়ার সাজা হলে দেশে আগুন জ্বালানোর হুমকি এসেছিল বিএনপির পক্ষ থেকে। তবে রায়ের পর জানানো হয়, খালেদা জিয়া হঠকারিতা করতে নিষেধ করেছেন। এ কারণে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিচ্ছেন তারা।

খালেদা জিয়ার রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলও করেছেন তার আইনজীবীরা। এর পাশাপাশি রাজপথেও কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা।

নতুন ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এই মানববন্ধন ও অবস্থানের পাশাপাশি সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করবে বিএনপি। ঢাকাতেও আগামী ১২ মার্চ সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে দলটি। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি পাওয়া যায়নি।

ঢাকায় বিএনপির এই সমাবেশের কর্মসূচি ছিল গত ২২ ফেব্রুয়ারিও। তবে পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় সে কর্মসূচি পালিত হয়নি। আর অনুমতি না পেয়ে দুই দিন পর কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি দেয় দলটি। তবে পুলিশের বাধায় তা পণ্ড হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে পুলিশের গাড়ি, দেশজুড়ে সতর্কতা জারি

বিএনপির মানববন্ধন প্রেসক্লাবে, অবস্থান নয়াপল্টনে

আপডেট সময় ০২:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ড পাওয়া দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচির স্থান ঘোষণা করেছে বিএনপি।

আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন এবং বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন হবে বলে জানিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী। দলের পক্ষ থেকে পুলিশকেও এই বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

সোমবার দলের নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন বিএনপির সি‌নিয়র যুগ্ম মহাসচিব। আগের দিন তিনি এই কর্মসূচি ঘোষণা করলেও স্থান জানাননি। ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশেও হবে এই মানববন্ধন এবং অবস্থান কর্মসূচি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দেয়ার প্রতিবাদে পরদিন থেকে ধারাবাহিকভাবে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন এবং পরদিন নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে বিএনপি।

এ ছাড়াও বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, ঢাকার বাইরে সমাবেশ, গণস্বাক্ষর, লিফলেট বিতরণ, কালো পতাকা প্রদর্শনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছে দলটি।

দলের নেতাদের অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে কারাদণ্ড দিয়ে ঘোষণা করা রায় দেয়া হয়েছে সরকারের প্রভাবে। গত ২৫ জানুয়ারি রায়ের তারিখ ঘোষণার পর খালেদা জিয়ার সাজা হলে দেশে আগুন জ্বালানোর হুমকি এসেছিল বিএনপির পক্ষ থেকে। তবে রায়ের পর জানানো হয়, খালেদা জিয়া হঠকারিতা করতে নিষেধ করেছেন। এ কারণে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিচ্ছেন তারা।

খালেদা জিয়ার রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলও করেছেন তার আইনজীবীরা। এর পাশাপাশি রাজপথেও কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতারা।

নতুন ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী এই মানববন্ধন ও অবস্থানের পাশাপাশি সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করবে বিএনপি। ঢাকাতেও আগামী ১২ মার্চ সমাবেশের কর্মসূচি দিয়েছে দলটি। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি পাওয়া যায়নি।

ঢাকায় বিএনপির এই সমাবেশের কর্মসূচি ছিল গত ২২ ফেব্রুয়ারিও। তবে পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় সে কর্মসূচি পালিত হয়নি। আর অনুমতি না পেয়ে দুই দিন পর কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি দেয় দলটি। তবে পুলিশের বাধায় তা পণ্ড হয়।