ঢাকা ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম ‘জনগণকে মালিক মনে করে সরকার কাজ করছে’ ‘নিজস্ব মব না থাকলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না’ মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতের পরামর্শে রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে এনসিপি : রাশেদ খান জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাবা-দাদার বয়সী নেতাদের প্রতারণা বুঝতে পারিনি: আসিফ মাহমুদ

পিলখানা ট্র্যাজেডি, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাদের সামরিক সচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীদের প্রধান, বিজিবির মহাপরিচালক এবং স্বজনরা বনানীর সামরিক কবরস্থানে ফুল দিয়ে নিহত শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রোববার সকালে নিহতদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর পর এক মিনিট নীরবতা পালন করে শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

বনানীর সামরিক কবরস্থানে নিহতদের কবরে প্রথমেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী ইফতেখারুল আলম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নিহতদের প্রতি স্যালুট প্রদান করেন। পরে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এর পর শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

নিহতদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ছাড়াও রোববার সব সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে কোরআন খতমের ব্যবস্থা করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিদ্রোহ চলাকালে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী

পিলখানা ট্র্যাজেডি, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

আপডেট সময় ১১:৩৪:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাদের সামরিক সচিব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তিন বাহিনীদের প্রধান, বিজিবির মহাপরিচালক এবং স্বজনরা বনানীর সামরিক কবরস্থানে ফুল দিয়ে নিহত শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

রোববার সকালে নিহতদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর পর এক মিনিট নীরবতা পালন করে শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়।

বনানীর সামরিক কবরস্থানে নিহতদের কবরে প্রথমেই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের পক্ষে তার সহকারী সামরিক সচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী ইফতেখারুল আলম এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা নিহতদের প্রতি স্যালুট প্রদান করেন। পরে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

এর পর শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তাদের পরিবারের সদস্যরা। এ সময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তারা বিচারপ্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

নিহতদের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ছাড়াও রোববার সব সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে কোরআন খতমের ব্যবস্থা করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিদ্রোহ চলাকালে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রথমে রাজধানীর লালবাগ থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা হয়।