ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা করবে বিএনপি

আগামীতে ক্ষমতায় গেলে ২৫ ফেব্রুয়ারিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালনের ব্যবস্থা নেবে বিএনপি।

রবিবার সকালে বনানী কবরস্থানে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদনের পর স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের এই কথা জানান।

মাহবুব বলেন, ‘এই দিনটি জাতির ট্র্যাজেডি। বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় গেলে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস-বিডিআর বিদ্রোহে সংস্থাটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি শোকের আবহে পালিত হয়ে আসছে। এবার পিলখানা ট্রাজেডির নবম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে।

সকাল সাড়ে ১০টায় বনানী কবরস্থানে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের বেদীতে মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।

প্রতিনিধি দলটি কারাবন্দী চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেণ। এ সময় নেতারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, অবসরপ্রাপ্ত বিমান বাহিনী প্রধান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে ইলাহী আকবর, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ইসহাক, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মনিষ দেওয়ান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর মিজানুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সারোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত ও চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

পরে সাংবাদিকদের কাছে মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যার ঘটনা ছিল দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ। ওই হত্যাযজ্ঞের পূর্ণাঙ্গ বিচার আজও হয়নি। বিস্ফোরক আইনে মামলার বিচারও ঝুলে আছে।’ তিনি ইতিহাসের নজিরবিহীন এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন আবেদন নাকচ

২৫ ফেব্রুয়ারিকে ‘শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা করবে বিএনপি

আপডেট সময় ০৫:৩৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

আগামীতে ক্ষমতায় গেলে ২৫ ফেব্রুয়ারিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালনের ব্যবস্থা নেবে বিএনপি।

রবিবার সকালে বনানী কবরস্থানে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহে নিহতদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদনের পর স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমান সাংবাদিকদের এই কথা জানান।

মাহবুব বলেন, ‘এই দিনটি জাতির ট্র্যাজেডি। বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় গেলে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে শহীদ সেনা দিবস হিসেবে পালনে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস-বিডিআর বিদ্রোহে সংস্থাটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি শোকের আবহে পালিত হয়ে আসছে। এবার পিলখানা ট্রাজেডির নবম বার্ষিকী পালিত হচ্ছে।

সকাল সাড়ে ১০টায় বনানী কবরস্থানে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের বেদীতে মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল পুষ্পমাল্য অর্পণ করে।

প্রতিনিধি দলটি কারাবন্দী চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেণ। এ সময় নেতারা কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

বিএনপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, অবসরপ্রাপ্ত বিমান বাহিনী প্রধান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ফজলে ইলাহী আকবর, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ইসহাক, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মনিষ দেওয়ান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর মিজানুর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সারোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত ও চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।

পরে সাংবাদিকদের কাছে মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে হত্যার ঘটনা ছিল দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ। ওই হত্যাযজ্ঞের পূর্ণাঙ্গ বিচার আজও হয়নি। বিস্ফোরক আইনে মামলার বিচারও ঝুলে আছে।’ তিনি ইতিহাসের নজিরবিহীন এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।